
জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় রেমিট্যান্সযোদ্ধা দিবস ও জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার্স উদ্যাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে গত রোববার (১০ আগস্ট) দূতাবাস মিলনায়তনে ‘July in Frames’ শীর্ষক আলোকচিত্র, গ্রাফিতি প্রদর্শনী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ সভাপতিত্ব করেন।
দূতাবাসের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান তৌহিদ ইমামের সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে অংশ নেন বাংলাদেশ সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন, জনতা ব্যাংক ইউএই–এর অপারেশন সিইও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আবুধাবির রিজিওনাল ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ সমিতি ইউএই–এর সহসভাপতি ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জাকির হোসেন খতিব ও আইটি ব্যক্তিত্ব ড. ফাহিম কে সুফি প্রমুখ।
প্রান্তিক রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জমির উদ্দিন, ইমরান ও রবিউল প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান শাহনাজ আক্তার রানু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমানুল কিবরিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবুল বশর, প্রকৌশলী এ কে এম নিজাম, নূর হোসেন সুমন, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোহেল, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন খান, শাখাওয়াত হোসেন বকুল ও প্রকৌশলী লুৎফর রহমানসহ আবুধাবি ও নিকটবর্তী শহরে বসবাসরত প্রবাসী কর্মী ও রেমিট্যান্সযোদ্ধা, বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোকচিত্র ও গ্রাফিতি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে সকলকে সঙ্গে নিয়ে প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।
আলোচনা সভার শুরুতে সকল জুলাই শহিদ, জুলাই যোদ্ধা ও সকল রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শহিদ ও অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের অসামান্য ত্যাগের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র ‘জুলাই অনির্বাণ’ প্রদর্শিত হয়।
বক্তারা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট সময়ে তাদের অভিজ্ঞতা ও রেমিট্যান্সযোদ্ধা হিসেবে তাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশ ও বাংলাদেশ কমিউনিটির কল্যাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানান। এ ছাড়া, তারা বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ জুলাই আন্দোলনে প্রবাসীদের অসামান্য অবদানের কথা আরও একবার স্মরণ করেন। তিনি এই আন্দোলনে আমিরাতে সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের মুক্তির বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং এ বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তিনি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সৎ কর্মের মাধ্যমে পরিবর্তন আনার জন্য সকলকে অনুরোধের পাশাপাশি আমিরাতে বসবাসরত সকল প্রবাসীদের স্থানীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বাংলাদেশ কমিউনিটির ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে দূতাবাসের সেবার মান উন্নয়নে অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন এবং প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণে দূতাবাসের সবসময় তাদের পাশে থাকার কথা পূনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে জুলাই-আগস্টের শহিদদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের উত্তোরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত তরা হয়। এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।