Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
৩০ আগস্ট, ২০২৬
৩০ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
৩০ আগস্ট, ২০২৬
৩০ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

আ.লীগের কারাবন্দী নেতারা দুশ্চিন্তায়, অনাত্মীয়রাই সহায়

এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেস

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৯: ০০
আ.লীগের কারাবন্দী নেতারা দুশ্চিন্তায়, অনাত্মীয়রাই সহায়

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা গত বছরের ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যান। এর আট দিনের মাথায় অর্থাৎ ১৩ আগস্ট আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী নেতা আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছিল পুলিশ। বিগত এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সাবেক ৪০ জন মন্ত্রী, ৫০ জনের বেশি সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তার হয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী আমলা। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।

গ্রেপ্তার ওই নেতা ও আমলাদের ব্যাপারে কথা হয় তাদের আইনজীবী ও কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেলসুপারের সঙ্গে। তারা বলেন, আনিসুল হক, সালমান রহমানসহ সব শীর্ষ নেতা ও আমলা এখন ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। তারা প্রথম শ্রেণির কারাবন্দি হওয়ায় কারণে প্রত্যেকে পত্রিকা পড়ার সুযোগ পান। তাদের খাবারে থাকে মাছ, মাংস। মামলার শুনানি থাকলে সেদিন তাদের ব্যস্ততা থাকে। ভোরবেলা উঠে আদালতে আসার জন্য প্রস্তুতি নেন। পরে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে সকাল ৮টার পর আদালতে চলে আসেন। আদালতে মামলার শুনানি না থাকলে দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে নিজেদের সেলে। নামাজ, পত্রপত্রিকা, কোরআন পড়ে সময় কাটান তারা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে প্রত্যর্পণ চুক্তিতে কী আছে?প্রত্যর্পণ

স্বজনের দেখা পাননি আনিসুল, সালমান ও আমু

আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের গ্রেপ্তারের পনেরো মাস কোনো নিকটজনের দেখা পাননি। তাদের আইনজীবীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার পতনের আগে ও পরে আনিসুল হক ও সালমান রহমানের নিকটাত্মীয়রা সবাই বিদেশে চলে যান। যে কারণে তারা কারাগারে কোনো নিকটাত্মীয়র দেখা পাননি। তাদের প্রয়োজনীয় লুঙ্গি, গেঞ্জি, পায়জামা, পাঞ্জাবি, ওষুধপত্র, চশমা সবই দিয়ে থাকেন তাদের আইনজীবীরা।

আনিসুল হকের আইনজীবী আসিফুর রহমান এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, “বয়সজনিত কারণে ডায়াবেটিসহ নানাবিধ রোগে তারা আক্রান্ত। নিকটাত্মীয়রা দেশে না থাকায় তাদের নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র কারাগারে গিয়ে দিয়ে আসতে হয়।’’

বাঁ থেকে- আনিসুল হক, সালমান এফ রহমান এবং আমির হোসেন আমু। ফাইল ছবি
বাঁ থেকে- আনিসুল হক, সালমান এফ রহমান এবং আমির হোসেন আমু। ফাইল ছবি

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক সুরাইয়া আক্তার সম্প্রতি এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেছেন, আনিসুল ও সালমান বিশেষ কারাগারে পৃথক পৃথক সেলে থাকেন। ভোরবেলা তাদের সেল খুলে দেওয়া হয়, বন্দিরা নিজেদের মধ্যে কথা বলার সুযোগ পান।

গত এক বছরের বেশি সময়ের ব্যবধানে আনিসুল ও সালমানকে কমপক্ষে ৬০-৭০ বার ঢাকার আদালতে তোলা হয়েছে। সে সময় দেখা গেছে, অন্যান্য বন্দি থাকলেও আদালতের কাঠগড়ায় আনিসুল ও সালমান নিজেরা কথা বলছেন।

আনিসুল ও সালমানের মতো কোনো আত্মীয়ের দেখা পাননি আওয়ামী লীগের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমু। আইনজীবী ও কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কারাগারে সালমান এফ রহমান যে কক্ষে থাকেন, সেই কক্ষেই থাকেন আমির হোসেন আমু।

আমুর আইনজীবী মহসিন রেজা বলেন, ‘‘আমির হোসেন আমুর মেয়ে থাকেন লন্ডনে। তার কোনো নিকটাত্মীয় দেশে থাকেন না। কারাগার কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী, আসামির ফাস্ট ব্লাডের (স্ত্রী-সন্তান, বাবা-মা, ভাই-বোন ইত্যাদি) কোনো লোক বাদে কারও সঙ্গে দেখা করার সুযোগ নেই।’’

নুরুল মজিদের মৃত্যু অন্য বয়স্ক নেতাদের চিন্তায় ফেলেছে

গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন। ছবি: সংগৃহীত
গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন। ছবি: সংগৃহীত

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে গত সেপ্টেম্বরে সাবেক শিল্প মন্ত্রী নুরুল মজিদ হুমায়ুনের মৃত্যুর ঘটনাটি অন্য হেভিওয়েট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও আমলাদের চিন্তায় ফেলেছে। কারাগারে থাকা অবস্থায় নুরুল মজিদ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তিনি মারা যান। এ ঘটনার পরে আদালতে দেখা যায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম তার আইনজীবীদের ছয়টি মশারি কারাগারে সরবরাহের অনুরোধ করেন। একইভাবে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও আদালতের কাছে নালিশ করেন। তার ভাষ্য— কারাগারে তিনি সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না।

সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার নিজেকে অসুস্থ বলে একাধিকবার আদালতকে জানিয়েছেন। কামালের আইনজীবী আল ইমরান মুকুল এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, ক্যানসারসহ বয়সজনিত নানা রোগে আক্রান্ত কামাল মজুমদার। নুরুল মজিদ হুমায়ুনের মৃত্যুতে আরও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেছেন তার আইনজীবী মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, “কারাগারে সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে যখন কথা হয়, তখন তিনি কেবল সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদের মৃত্যুর প্রসঙ্গে কথা বলতে থাকেন। নুরুল মজিদের মৃত্যু অন্য নেতাদের ভীষণ চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। সাধন চন্দ্র মজুমদারও অসুস্থ।’’

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর অন্য মন্ত্রীরাও দুশ্চিন্তায়

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছবি: বাসস
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছবি: বাসস

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের খবর জানার পর কারাগারে বন্দি অন্য মন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা দুশ্চিন্তায় আছেন। সম্প্রতি সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে একজন আইনজীবীর এ বিষয়ে কথাও হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আইনজীবী বলেন, ‘‘শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর শুনে দলের অনেক সিনিয়র নেতা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।’’

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় ১৪০০-র বেশি ছাত্র-জনতাকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও ঢাকার আদালত ও থানায় মামলা হয়। সেসব মামলার বিচার চলমান।

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বাধা ভারতSheikh Hasina 2

ঢাকা মহানগরের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যেভাবে পাখির মতো নিরীহ ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এটা নজিরবিহীন। এসব হত্যার দায় শেখ হাসিনা, তার মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা এড়াতে পারেন না। যেসব মামলার তদন্ত চলমান, সেগুলোর তদন্ত শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব প্রতিবেদন আসবে।

বিষয়:

শেখ হাসিনাআনিসুল হককারাগারসালমান এফ রহমানআওয়ামী লীগআদালত
১

সারের সংকট নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী

২

ফিনল্যান্ডে যুদ্ধবিমান আর জাহাজ পাঠাল সুইডেন, কারণ কী?

৩

বাংলাদেশ নিয়ে যেসব ঝুঁকি দেখছে বিশ্বব্যাংক

৪

রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত

৫

‘৫ আগস্ট ২৪-এর পর থেকে হিন্দুশূন্য করার জন্য দেশে একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে’

সম্পর্কিত

৩৫ শয্যার বার্ন ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ১ জন

৩৫ শয্যার বার্ন ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ১ জন

খুলনা বিভাগের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতালে আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিনই বিভিন্ন রোগী আসেন। তবে চিকিৎসক সংকটে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েন হাসপাতালটির বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের রোগীরা। হাসপাতালের এই ইউনিটে ৩৫ শয্যার অনুমোদন থাকলেও এখন চালু রয়েছে ২০টি।

লোডশেডিংয়ে কি এবার নতুন রেকর্ড হচ্ছেই?

লোডশেডিংয়ে কি এবার নতুন রেকর্ড হচ্ছেই?

গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানির তীব্র সংকট এবং দেশের বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কারিগরি ত্রুটি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সারা দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে।

রংপুরে ৪ খুন: চুরিসহ নানা প্রশ্নে সন্দেহ গভীর হচ্ছে

রংপুরে ৪ খুন: চুরিসহ নানা প্রশ্নে সন্দেহ গভীর হচ্ছে

এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা গেলে দেখা যায়, বাড়িতে কোনো বিদ্যুৎ নেই। পরে স্থানীয় দুই ইলেকট্রিশিয়ানের সহযোগিতায় রাত ১২টায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ‘উদ্যোগ’ আবারও থমকে যাবে না তো?

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ‘উদ্যোগ’ আবারও থমকে যাবে না তো?

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আবারো জামানতবিহীন ঋণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘উদ্যোগ’ নামের প্রস্তাবিত নতুন এই স্কিমে প্রায় ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তাকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা করে ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঋণের সুদহার হতে পারে ৪ থেকে ৬ শতাংশ। প্রাথমিক পরিকল্পনায় ৫০০ কোটি টাকা ঋণ