এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেস

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা গত বছরের ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যান। এর আট দিনের মাথায় অর্থাৎ ১৩ আগস্ট আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী নেতা আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছিল পুলিশ। বিগত এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সাবেক ৪০ জন মন্ত্রী, ৫০ জনের বেশি সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তার হয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী আমলা। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
গ্রেপ্তার ওই নেতা ও আমলাদের ব্যাপারে কথা হয় তাদের আইনজীবী ও কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেলসুপারের সঙ্গে। তারা বলেন, আনিসুল হক, সালমান রহমানসহ সব শীর্ষ নেতা ও আমলা এখন ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। তারা প্রথম শ্রেণির কারাবন্দি হওয়ায় কারণে প্রত্যেকে পত্রিকা পড়ার সুযোগ পান। তাদের খাবারে থাকে মাছ, মাংস। মামলার শুনানি থাকলে সেদিন তাদের ব্যস্ততা থাকে। ভোরবেলা উঠে আদালতে আসার জন্য প্রস্তুতি নেন। পরে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে সকাল ৮টার পর আদালতে চলে আসেন। আদালতে মামলার শুনানি না থাকলে দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে নিজেদের সেলে। নামাজ, পত্রপত্রিকা, কোরআন পড়ে সময় কাটান তারা।
স্বজনের দেখা পাননি আনিসুল, সালমান ও আমু
আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের গ্রেপ্তারের পনেরো মাস কোনো নিকটজনের দেখা পাননি। তাদের আইনজীবীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার পতনের আগে ও পরে আনিসুল হক ও সালমান রহমানের নিকটাত্মীয়রা সবাই বিদেশে চলে যান। যে কারণে তারা কারাগারে কোনো নিকটাত্মীয়র দেখা পাননি। তাদের প্রয়োজনীয় লুঙ্গি, গেঞ্জি, পায়জামা, পাঞ্জাবি, ওষুধপত্র, চশমা সবই দিয়ে থাকেন তাদের আইনজীবীরা।
আনিসুল হকের আইনজীবী আসিফুর রহমান এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, “বয়সজনিত কারণে ডায়াবেটিসহ নানাবিধ রোগে তারা আক্রান্ত। নিকটাত্মীয়রা দেশে না থাকায় তাদের নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র কারাগারে গিয়ে দিয়ে আসতে হয়।’’

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক সুরাইয়া আক্তার সম্প্রতি এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেছেন, আনিসুল ও সালমান বিশেষ কারাগারে পৃথক পৃথক সেলে থাকেন। ভোরবেলা তাদের সেল খুলে দেওয়া হয়, বন্দিরা নিজেদের মধ্যে কথা বলার সুযোগ পান।
গত এক বছরের বেশি সময়ের ব্যবধানে আনিসুল ও সালমানকে কমপক্ষে ৬০-৭০ বার ঢাকার আদালতে তোলা হয়েছে। সে সময় দেখা গেছে, অন্যান্য বন্দি থাকলেও আদালতের কাঠগড়ায় আনিসুল ও সালমান নিজেরা কথা বলছেন।
আনিসুল ও সালমানের মতো কোনো আত্মীয়ের দেখা পাননি আওয়ামী লীগের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমু। আইনজীবী ও কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কারাগারে সালমান এফ রহমান যে কক্ষে থাকেন, সেই কক্ষেই থাকেন আমির হোসেন আমু।
আমুর আইনজীবী মহসিন রেজা বলেন, ‘‘আমির হোসেন আমুর মেয়ে থাকেন লন্ডনে। তার কোনো নিকটাত্মীয় দেশে থাকেন না। কারাগার কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী, আসামির ফাস্ট ব্লাডের (স্ত্রী-সন্তান, বাবা-মা, ভাই-বোন ইত্যাদি) কোনো লোক বাদে কারও সঙ্গে দেখা করার সুযোগ নেই।’’
নুরুল মজিদের মৃত্যু অন্য বয়স্ক নেতাদের চিন্তায় ফেলেছে

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে গত সেপ্টেম্বরে সাবেক শিল্প মন্ত্রী নুরুল মজিদ হুমায়ুনের মৃত্যুর ঘটনাটি অন্য হেভিওয়েট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও আমলাদের চিন্তায় ফেলেছে। কারাগারে থাকা অবস্থায় নুরুল মজিদ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তিনি মারা যান। এ ঘটনার পরে আদালতে দেখা যায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম তার আইনজীবীদের ছয়টি মশারি কারাগারে সরবরাহের অনুরোধ করেন। একইভাবে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও আদালতের কাছে নালিশ করেন। তার ভাষ্য— কারাগারে তিনি সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না।
সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার নিজেকে অসুস্থ বলে একাধিকবার আদালতকে জানিয়েছেন। কামালের আইনজীবী আল ইমরান মুকুল এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, ক্যানসারসহ বয়সজনিত নানা রোগে আক্রান্ত কামাল মজুমদার। নুরুল মজিদ হুমায়ুনের মৃত্যুতে আরও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেছেন তার আইনজীবী মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, “কারাগারে সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে যখন কথা হয়, তখন তিনি কেবল সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদের মৃত্যুর প্রসঙ্গে কথা বলতে থাকেন। নুরুল মজিদের মৃত্যু অন্য নেতাদের ভীষণ চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। সাধন চন্দ্র মজুমদারও অসুস্থ।’’
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর অন্য মন্ত্রীরাও দুশ্চিন্তায়

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের খবর জানার পর কারাগারে বন্দি অন্য মন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা দুশ্চিন্তায় আছেন। সম্প্রতি সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে একজন আইনজীবীর এ বিষয়ে কথাও হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আইনজীবী বলেন, ‘‘শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর শুনে দলের অনেক সিনিয়র নেতা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।’’
জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় ১৪০০-র বেশি ছাত্র-জনতাকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও ঢাকার আদালত ও থানায় মামলা হয়। সেসব মামলার বিচার চলমান।
ঢাকা মহানগরের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যেভাবে পাখির মতো নিরীহ ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এটা নজিরবিহীন। এসব হত্যার দায় শেখ হাসিনা, তার মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা এড়াতে পারেন না। যেসব মামলার তদন্ত চলমান, সেগুলোর তদন্ত শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব প্রতিবেদন আসবে।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা গত বছরের ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যান। এর আট দিনের মাথায় অর্থাৎ ১৩ আগস্ট আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী নেতা আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছিল পুলিশ। বিগত এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সাবেক ৪০ জন মন্ত্রী, ৫০ জনের বেশি সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তার হয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী আমলা। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
গ্রেপ্তার ওই নেতা ও আমলাদের ব্যাপারে কথা হয় তাদের আইনজীবী ও কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেলসুপারের সঙ্গে। তারা বলেন, আনিসুল হক, সালমান রহমানসহ সব শীর্ষ নেতা ও আমলা এখন ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। তারা প্রথম শ্রেণির কারাবন্দি হওয়ায় কারণে প্রত্যেকে পত্রিকা পড়ার সুযোগ পান। তাদের খাবারে থাকে মাছ, মাংস। মামলার শুনানি থাকলে সেদিন তাদের ব্যস্ততা থাকে। ভোরবেলা উঠে আদালতে আসার জন্য প্রস্তুতি নেন। পরে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে সকাল ৮টার পর আদালতে চলে আসেন। আদালতে মামলার শুনানি না থাকলে দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে নিজেদের সেলে। নামাজ, পত্রপত্রিকা, কোরআন পড়ে সময় কাটান তারা।
স্বজনের দেখা পাননি আনিসুল, সালমান ও আমু
আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের গ্রেপ্তারের পনেরো মাস কোনো নিকটজনের দেখা পাননি। তাদের আইনজীবীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার পতনের আগে ও পরে আনিসুল হক ও সালমান রহমানের নিকটাত্মীয়রা সবাই বিদেশে চলে যান। যে কারণে তারা কারাগারে কোনো নিকটাত্মীয়র দেখা পাননি। তাদের প্রয়োজনীয় লুঙ্গি, গেঞ্জি, পায়জামা, পাঞ্জাবি, ওষুধপত্র, চশমা সবই দিয়ে থাকেন তাদের আইনজীবীরা।
আনিসুল হকের আইনজীবী আসিফুর রহমান এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, “বয়সজনিত কারণে ডায়াবেটিসহ নানাবিধ রোগে তারা আক্রান্ত। নিকটাত্মীয়রা দেশে না থাকায় তাদের নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র কারাগারে গিয়ে দিয়ে আসতে হয়।’’

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক সুরাইয়া আক্তার সম্প্রতি এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেছেন, আনিসুল ও সালমান বিশেষ কারাগারে পৃথক পৃথক সেলে থাকেন। ভোরবেলা তাদের সেল খুলে দেওয়া হয়, বন্দিরা নিজেদের মধ্যে কথা বলার সুযোগ পান।
গত এক বছরের বেশি সময়ের ব্যবধানে আনিসুল ও সালমানকে কমপক্ষে ৬০-৭০ বার ঢাকার আদালতে তোলা হয়েছে। সে সময় দেখা গেছে, অন্যান্য বন্দি থাকলেও আদালতের কাঠগড়ায় আনিসুল ও সালমান নিজেরা কথা বলছেন।
আনিসুল ও সালমানের মতো কোনো আত্মীয়ের দেখা পাননি আওয়ামী লীগের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমু। আইনজীবী ও কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কারাগারে সালমান এফ রহমান যে কক্ষে থাকেন, সেই কক্ষেই থাকেন আমির হোসেন আমু।
আমুর আইনজীবী মহসিন রেজা বলেন, ‘‘আমির হোসেন আমুর মেয়ে থাকেন লন্ডনে। তার কোনো নিকটাত্মীয় দেশে থাকেন না। কারাগার কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী, আসামির ফাস্ট ব্লাডের (স্ত্রী-সন্তান, বাবা-মা, ভাই-বোন ইত্যাদি) কোনো লোক বাদে কারও সঙ্গে দেখা করার সুযোগ নেই।’’
নুরুল মজিদের মৃত্যু অন্য বয়স্ক নেতাদের চিন্তায় ফেলেছে

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে গত সেপ্টেম্বরে সাবেক শিল্প মন্ত্রী নুরুল মজিদ হুমায়ুনের মৃত্যুর ঘটনাটি অন্য হেভিওয়েট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও আমলাদের চিন্তায় ফেলেছে। কারাগারে থাকা অবস্থায় নুরুল মজিদ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তিনি মারা যান। এ ঘটনার পরে আদালতে দেখা যায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম তার আইনজীবীদের ছয়টি মশারি কারাগারে সরবরাহের অনুরোধ করেন। একইভাবে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও আদালতের কাছে নালিশ করেন। তার ভাষ্য— কারাগারে তিনি সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না।
সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার নিজেকে অসুস্থ বলে একাধিকবার আদালতকে জানিয়েছেন। কামালের আইনজীবী আল ইমরান মুকুল এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, ক্যানসারসহ বয়সজনিত নানা রোগে আক্রান্ত কামাল মজুমদার। নুরুল মজিদ হুমায়ুনের মৃত্যুতে আরও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেছেন তার আইনজীবী মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, “কারাগারে সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে যখন কথা হয়, তখন তিনি কেবল সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদের মৃত্যুর প্রসঙ্গে কথা বলতে থাকেন। নুরুল মজিদের মৃত্যু অন্য নেতাদের ভীষণ চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। সাধন চন্দ্র মজুমদারও অসুস্থ।’’
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর অন্য মন্ত্রীরাও দুশ্চিন্তায়

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের খবর জানার পর কারাগারে বন্দি অন্য মন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা দুশ্চিন্তায় আছেন। সম্প্রতি সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে একজন আইনজীবীর এ বিষয়ে কথাও হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আইনজীবী বলেন, ‘‘শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর শুনে দলের অনেক সিনিয়র নেতা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।’’
জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় ১৪০০-র বেশি ছাত্র-জনতাকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও ঢাকার আদালত ও থানায় মামলা হয়। সেসব মামলার বিচার চলমান।
ঢাকা মহানগরের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যেভাবে পাখির মতো নিরীহ ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এটা নজিরবিহীন। এসব হত্যার দায় শেখ হাসিনা, তার মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা এড়াতে পারেন না। যেসব মামলার তদন্ত চলমান, সেগুলোর তদন্ত শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব প্রতিবেদন আসবে।

বস্তিগুলোতে আগুন লাগার মূল কারণ হচ্ছে সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত বৈদ্যুতিক সংযোগ, নিয়ম না মেনে সিলিন্ডার বা লাইন গ্যাসের অনিরাপদ ব্যবহার, বিড়ি-সিগারেট, মশার কয়েল ও খোলা বাতির ব্যবহার, উন্মুক্ত চুলা ও হিটারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার। উদাসীনতা ও অসাবধানতা এই ঝুঁকি আরও বাড়ায়

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেছেন তার আইনজীবী মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, “কারাগারে সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে যখন কথা হয়, তখন তিনি কেবল সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদের মৃত্যুর প্রসঙ্গে কথা বলতে থাকেন। নুরুল মজিদের মৃত্যু অন্য নেতাদের ভীষণ চিন্ত