Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

হবিগঞ্জ-১: ফ্যাক্টর আওয়ামী লীগের ভোট

সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮: ০২
হবিগঞ্জ-১: ফ্যাক্টর আওয়ামী লীগের ভোট

হবিগঞ্জ-১ আসনে এবার বিএনপির প্রার্থী হয়েছে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় আওয়ামী লীগ এবার ভোটের মাঠে না থাকলেও দলটির ভোটারদের বড় অংশের সমর্থন পেতে পারেন পাবেন রেজা কিবরিয়া ।

Advertisement

নবীগঞ্জের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আওয়ামী লীগ ভোটে না থাকলেও তাদের সমর্থকদের কাছে টানতে চেষ্টা করছেন বিএনপি ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী দুই পক্ষই। তাদের ভাষ্য, হিন্দু সম্প্রদায় ও আওয়ামী লীগের ভোটাররা যে প্রার্থীকে বেশি ভোট দেবে যাবে, সেই প্রার্থী এগিয়ে থাকবেন।

তবে মাঠে রেজা কিবরিয়ার পক্ষে অনেক বললেও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়ার কারণে ‘অনেকটা চাপে পড়েছেন’, এমনটাই শোনা গেল ওই নবীগঞ্জ ও বাহুবলের ভোটারদের মুখে।

গতকাল রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুই উপজেলার কয়েকটি এলাকা ঘুরে অন্তত ১৬ জন নারী-পুরুষ ভোটারের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া যায়। ভোটের মাঠে প্রার্থী পাঁচজন থাকলেও আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে মূলত রেজা কিবরিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সুজাত মিয়াকে ঘিরে। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রচারে এগিয়ে বিএনপি ও বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নেতা সুজাত মিয়া ও তার পক্ষে কাজ করায় দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ২৫ থেকে ৩০ নেতা-কর্মী। এসবের মধ্যেই নিজের পক্ষের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপির এই বিদ্রোহী প্রার্থী।

তবে ভোটারদের কারো কারো ভাষ্যমতে, রেজা কিবরিয়া পারিবারিক পরিচয় বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন অনেকেই। কিবরিয়ার গ্রামের বাড়ি নবীগঞ্জ উপজেলার জলালশাপ গ্রামে। এলাকায় আলোচনায় আছে, বিএনপি সরকার গঠন করলে অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করা রেজা কিবরিয়া মন্ত্রী হতে পারেন।

রেজা কিবরিয়া
রেজা কিবরিয়া

অর্থনীতিবিদ রেজা কিবরিয়া আওয়ামী লীগের ১৯৯৬ সালের সরকারে অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে।

এ এম এস কিবরিয়া বিএনপি আমলে ২০০৫ সালে হবিগঞ্জে বোমা হামলায় নিহত হন।

রেজা কিবরিয়া ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে গণফোরামে যোগ দেন। পরে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে ভোট করেন।

কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন রেজা। পরে সেই দল ছাড়তে হয়েছিল তাকে।

২০২১ সালে ডাকসুর সাবেক সভাপতি নুরুল হক নুরের দল বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদ গঠন হলে সেখানে আহ্বায়ক করা হয় রেজা কিবরিয়াকে।

পরে ভেঙে দুই টুকরো হয় গণঅধিকার পরিষদ। তারপর থেকে এ দলের একাংশের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন রেজা কিবরিয়া, ছিলেন বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে। গত বছর সেই দলও ছাড়েন তিনি। আমজনতার দলেরও আহ্বায়ক ছিলেন রেজা কিবরিয়া।

যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ফিরোজ মিয়া বলেন, “আমরা এমন প্রার্থীকে ভোট দিতে চাই, যার পরিচয়ে আমরা সারা দেশে পরিচয় দিতে পারি।”

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সদ্য দলে যোগ দেওয়া নেতা রেজা কিবরিয়া। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে আছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিরাজুল ইসলাম। বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন শেখ সুজাত মিয়া। এ ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন জাসদের কাজী তোফায়েল আহমেদ ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ বদরুর রেজা।

সিলেট-১ এ বাড়তি গুরুত্ব সবারkeane bridge

বাহুবল বাজারের ব্যবসায়ী সৈয়দ হুমায়ুন কবীর বলেন, “যিনি এলাকার উন্নয়ন করার যোগ্যতা রাখেন বা গ্রামীণ অর্থনীতির দিকে তাকাবেন, দলমত–নির্বিশেষে এমন প্রার্থীকে ভোট দেব।”

নবীগঞ্জের নোয়াগাঁও গ্রামের নজির মিয়া মনে করেন, যোগ্যতায় পার্থক্য থাকলেও মূল লড়াই বিএনপির প্রার্থী ও বিদ্রোহীর মধ্যে। তিনি বলেন, “এলাকায় শান্তি থাকুক, উন্নয়ন হোক, এমনটা আমরা চাই। যার দ্বারা মানুষের উপকার হবে এবং মানুষকে বুঝবে। আমরা তাকেই এমপি হিসেবে দেখতে চাই।”

বিএনপির প্রার্থী রেজা কিবরিয়া বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী দলের সঙ্গে অঙ্গীকার ভঙ্গ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এখানে ব্যক্তির চেয়ে ধানের শীষ প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্রোহী প্রার্থী অবাধে গ্রামে গ্রামে প্রচুর টাকা ছড়াচ্ছেন। কারও চরিত্র হনন করা ও মিথ্যাচারে জর্জরিত করা উচিত নয়। আমি মানুষকে বলেছি, একবার সুযোগ দিতে। আমি পাঁচ বছরে তাদের ৫০ বছরের উন্নয়ন দেব। অবহেলিত জনপদের উন্নয়ন ও শিক্ষা নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। সংসদে গিয়ে সেই পরিকল্পনা কাজে লাগাতে চাই।”

স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া বলেন, “যিনি জনগণের পাশে থাকবেন, তাকে মানুষ ভোট দেবেন। এ মাঠে প্রতীকের চেয়ে ব্যক্তি গুরুত্ব পাবেন। আশা করি, মানুষ আমাকে বেছে নেবেন। আমি কাজ করা মানুষ, কাজ করতে চাই।”

অন্য প্রার্থীরাও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। ধানের শীষের ভোট ভাগ হবে-এমন হিসাব কষে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন, “মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। মানুষকে বলছি, আমরা যদি নির্বাচিত হতে পারি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ উপহার দেব।”

বিষয়: নির্বাচনভোটাধিকারহবিগঞ্জআওয়ামী লীগত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনভোট
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে হামলায় কয়েকজন আহত, কার্যক্রম বন্ধ

  • ২

    দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

  • ৩

    ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে কী লাগে? ৫টি যোগ্যতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনটি?

  • ৪

    বাংলাদেশ লিড নেওয়ার আশায় বাধা রহমতের প্রতিরোধ

  • ৫

    কানাইঘাট সীমান্তে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

    দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

    চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় কনটেইনার টার্মিনাল নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, আন্তর্জাতিক মানের এই অপারেটরের মাধ্যমে টার্মিনাল পরিচালিত হলে বাড়বে দক্ষতা, কমবে জাহাজের অবস্থানকাল এবং আয় বাড়বে বন্দরের।

  • বার বার হয় দাম নির্ধারণ, তবু এলপি গ্যাস মেলে না কেন

    বার বার হয় দাম নির্ধারণ, তবু এলপি গ্যাস মেলে না কেন

    রাজধানীর দোকানে দোকানে ঘুরে এলপি গ্যাস পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কোনো দোকানে পাওয়া গেলে তার জন্য গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে দুই হাজার ৪০০ টাকা। সরকার নির্ধারিত দাম এক হাজার ৮৩৭ টাকা। অভিযোগ ছিল, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে বিক্রি করা হয় এলপি গ্যাস। যদিও তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, স

  • গবেষণার নতুন নিয়মে আপত্তি কেন শিক্ষকদের?

    গবেষণার নতুন নিয়মে আপত্তি কেন শিক্ষকদের?

    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় চলতি অর্থ-বছরের বাজেটে গবেষণায় কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। গবেষণায় বরাদ্দে নতুন নিয়ম করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এখন থেকে ইউজিসি গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা করে তহবিল দেবে।

  • ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় লাভ আসলে কেমন? নিয়ন্ত্রণ কার?

    ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় লাভ আসলে কেমন? নিয়ন্ত্রণ কার?

    রাজধানীর গলি থেকে আবাসিক সড়ক, বাজার, এমনকি প্রধান সড়কও এখন ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। ‘অটোরিকশা’ নামেই বেশি পরিচিত এই রিকশাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিশাল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।