চরচা ডেস্ক

গত সেপ্টেম্বরের ‘জেন-জি’ গণআন্দোলনের রেশ ধরে নেপালের রাজনীতিতে বইছে পরিবর্তনের প্রবল হাওয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভা নির্বাচনে প্রাথমিক ফলে দেশটির প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোকে পেছনে ফেলে বড় জয়ের পথে এগিয়ে নতুন দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, আরএসপি বর্তমানে অন্তত ৪৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সাতটি প্রদেশের প্রায় সবখানেই তরুণ প্রজন্মের প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক জনমত দেখা যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চমক দেখা যাচ্ছে ঝাপা-৫ আসনে। সেখানে সিপিএন-ইউএমএল সভাপতি তথা সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রসাদ শর্মা ওলির বিরুদ্ধে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে আছেন আরএসপির প্রভাবশালী প্রার্থী বালেন্দ্র (বালেন) শাহ।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, সকাল ১০টা পর্যন্ত বালেন শাহ ৬,০৯০ ভোট পেয়েছেন, যেখানে ওলি পেয়েছেন মাত্র ২,০৮৭ ভোট।
একই চিত্র দেখা যাচ্ছে চিতবন-৩ আসনেও। সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহলের মেয়ে রেণু দহলকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আছেন আরএসপির সোবিতা গৌতম। আর চিতবন-২ আসনে প্রত্যাশিতভাবেই শক্ত অবস্থানে রয়েছেন দলটির প্রধান রবি লামিছানে।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু ও এর আশপাশের এলাকায় আরএসপি প্রার্থীদের জয়জয়কার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতি এবং অপশাসনের বিরুদ্ধে নেপালের তরুণ প্রজন্মের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রতিফলন এই নির্বাচন। ‘পুরানো মুখ’ বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্বকে বেছে নেওয়ার এই প্রবণতা নেপালের রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে।

গত সেপ্টেম্বরের ‘জেন-জি’ গণআন্দোলনের রেশ ধরে নেপালের রাজনীতিতে বইছে পরিবর্তনের প্রবল হাওয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভা নির্বাচনে প্রাথমিক ফলে দেশটির প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোকে পেছনে ফেলে বড় জয়ের পথে এগিয়ে নতুন দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, আরএসপি বর্তমানে অন্তত ৪৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সাতটি প্রদেশের প্রায় সবখানেই তরুণ প্রজন্মের প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক জনমত দেখা যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চমক দেখা যাচ্ছে ঝাপা-৫ আসনে। সেখানে সিপিএন-ইউএমএল সভাপতি তথা সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রসাদ শর্মা ওলির বিরুদ্ধে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে আছেন আরএসপির প্রভাবশালী প্রার্থী বালেন্দ্র (বালেন) শাহ।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, সকাল ১০টা পর্যন্ত বালেন শাহ ৬,০৯০ ভোট পেয়েছেন, যেখানে ওলি পেয়েছেন মাত্র ২,০৮৭ ভোট।
একই চিত্র দেখা যাচ্ছে চিতবন-৩ আসনেও। সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহলের মেয়ে রেণু দহলকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আছেন আরএসপির সোবিতা গৌতম। আর চিতবন-২ আসনে প্রত্যাশিতভাবেই শক্ত অবস্থানে রয়েছেন দলটির প্রধান রবি লামিছানে।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু ও এর আশপাশের এলাকায় আরএসপি প্রার্থীদের জয়জয়কার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতি এবং অপশাসনের বিরুদ্ধে নেপালের তরুণ প্রজন্মের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রতিফলন এই নির্বাচন। ‘পুরানো মুখ’ বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্বকে বেছে নেওয়ার এই প্রবণতা নেপালের রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে।