চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক(আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির জানান, দেশের জেলা সদর থানাগুলোকে এমনভাবে গড়া হবে যেন সেবা নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই কাজ করব।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন লক্ষ্যের কথা জানান আইজিপি।
আইজিপি বলেন, “জেলা সদরের থানাকে জিরো কমপ্লেইন থানা হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। একজন সার্কেল অফিসার ওই থানার সার্বিক কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে। আমরা এমনভাবে জনগণকে সেবা দিতে চাই যেন থানায় আগত মানুষ হাসি মুখে থানা থেকে ফিরে যেতে পারে। পুলিশের বিরুদ্ধে যেন কোনো ধরনের কমপ্লেইন না থাকে। পুলিশের রিঅ্যাকশন টাইম নূন্যতম পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে। ”
আইজিপি আরও বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত ঐতিহ্যবাহী এক সেবাধর্ম প্রতিষ্ঠান। দেশের যে কোনো প্রয়োজনে সংকটকালীন মুহূর্তে এই বাহিনীর সদস্যরা সবসময় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। আমরা আমাদের ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব আন্তরিকভাবে পালনে দৃঢ়ভাবে ভূমিকা পালন করব৷”
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ এমনটা জানিয়ে আইজিপি বলেন, “আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ব্লক রেইড দিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ, মাদকব্যবসায়ীসহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং চলমান আছে।”
চাঞ্চল্যকর কোন ঘটনার সাথে সাথে গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া ও গণধর্ষণ, ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।
তদন্তের মান বাড়ানোর জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিকে ঢেলে সাজানোর কথা জানান পুলিশ প্রধান। বিষয়টি নিয়ে বলেন, “আমরা সিআইডিকে আরও আধুনিকীকরণের মাধ্যমে মামলা তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে চাই। মামলার তদন্তকাজ দ্রুত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।”
দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকারকে সর্বাত্বক সহযোগিতার বিষয়ে মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, “গত ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। সে লক্ষ্যে দেশের স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।”
পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে আইজিপি আরও বলেন, “ঈদে সড়ক মহাসড়ক নৌ ও রেলপথে ঘরমুখ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা ইতোমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। মহাসড়কে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, দস্যুতা হতে দেওয়া হবে না। মহাসড়কে ডাকাতি রোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। র্যাব মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের প্রধান প্রধান মার্কেটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। চুরি ছিনতাই রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক(আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির জানান, দেশের জেলা সদর থানাগুলোকে এমনভাবে গড়া হবে যেন সেবা নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই কাজ করব।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন লক্ষ্যের কথা জানান আইজিপি।
আইজিপি বলেন, “জেলা সদরের থানাকে জিরো কমপ্লেইন থানা হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। একজন সার্কেল অফিসার ওই থানার সার্বিক কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে। আমরা এমনভাবে জনগণকে সেবা দিতে চাই যেন থানায় আগত মানুষ হাসি মুখে থানা থেকে ফিরে যেতে পারে। পুলিশের বিরুদ্ধে যেন কোনো ধরনের কমপ্লেইন না থাকে। পুলিশের রিঅ্যাকশন টাইম নূন্যতম পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে। ”
আইজিপি আরও বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত ঐতিহ্যবাহী এক সেবাধর্ম প্রতিষ্ঠান। দেশের যে কোনো প্রয়োজনে সংকটকালীন মুহূর্তে এই বাহিনীর সদস্যরা সবসময় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। আমরা আমাদের ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব আন্তরিকভাবে পালনে দৃঢ়ভাবে ভূমিকা পালন করব৷”
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ এমনটা জানিয়ে আইজিপি বলেন, “আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ব্লক রেইড দিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ, মাদকব্যবসায়ীসহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং চলমান আছে।”
চাঞ্চল্যকর কোন ঘটনার সাথে সাথে গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া ও গণধর্ষণ, ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।
তদন্তের মান বাড়ানোর জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিকে ঢেলে সাজানোর কথা জানান পুলিশ প্রধান। বিষয়টি নিয়ে বলেন, “আমরা সিআইডিকে আরও আধুনিকীকরণের মাধ্যমে মামলা তদন্তের গুণগত মান বাড়াতে চাই। মামলার তদন্তকাজ দ্রুত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।”
দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকারকে সর্বাত্বক সহযোগিতার বিষয়ে মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, “গত ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। সে লক্ষ্যে দেশের স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।”
পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে আইজিপি আরও বলেন, “ঈদে সড়ক মহাসড়ক নৌ ও রেলপথে ঘরমুখ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা ইতোমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। মহাসড়কে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, দস্যুতা হতে দেওয়া হবে না। মহাসড়কে ডাকাতি রোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। র্যাব মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের প্রধান প্রধান মার্কেটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। চুরি ছিনতাই রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”