চরচা ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে বিজয়ের পর বিজেপি প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে চলেছে। ২৯৪ সদস্যের বিধানসভায় বিজেপি ২৯৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। যার মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে দলটি।
শুভেন্দু অধিকারী এই নির্বাচনে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুর আসনে পরাজিত করেছিল। এ ছাড়া তিনি নন্দীগ্রাম আসনটিও ধরে রেখেছেন। এই কেন্দ্রটি ২০০৭ সালের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। এই আন্দোলনটি তাকে বাংলার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতায় পরিণত করেছিল।
এই সপ্তাহের শুরুতে নন্দীগ্রামে এক সভায় কথা বলার সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, তিনি ১০ দিনের মধ্যে দুটি আসনের একটি ছেড়ে দেবেন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিজেপি নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করবে।
বিজেপির জয়ের পর দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় শুভেন্দু অধিকারী এই মুহূর্তটিকে বাংলার রাজনীতির ‘আসল পরিবর্তন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
পাশাপাশি বিজেপির দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “দলটি এমনভাবে কাজ করবে, যেন বাংলায় বিজেপি সরকার ১০০ বছর স্থায়ী হয়।”
পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার আগামীকাল শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবেন। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীগণ এবং বিজেপি শাসিত অন্য রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে বিজয়ের পর বিজেপি প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে চলেছে। ২৯৪ সদস্যের বিধানসভায় বিজেপি ২৯৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। যার মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে দলটি।
শুভেন্দু অধিকারী এই নির্বাচনে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুর আসনে পরাজিত করেছিল। এ ছাড়া তিনি নন্দীগ্রাম আসনটিও ধরে রেখেছেন। এই কেন্দ্রটি ২০০৭ সালের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। এই আন্দোলনটি তাকে বাংলার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতায় পরিণত করেছিল।
এই সপ্তাহের শুরুতে নন্দীগ্রামে এক সভায় কথা বলার সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, তিনি ১০ দিনের মধ্যে দুটি আসনের একটি ছেড়ে দেবেন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিজেপি নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করবে।
বিজেপির জয়ের পর দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় শুভেন্দু অধিকারী এই মুহূর্তটিকে বাংলার রাজনীতির ‘আসল পরিবর্তন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
পাশাপাশি বিজেপির দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “দলটি এমনভাবে কাজ করবে, যেন বাংলায় বিজেপি সরকার ১০০ বছর স্থায়ী হয়।”
পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার আগামীকাল শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবেন। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীগণ এবং বিজেপি শাসিত অন্য রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।