চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় সাতজন কর্মচারী দগ্ধ হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে মিনলাইন চাইনিজ রেস্টুরেন্টের এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেস্টুরেন্টের দ্বিতীয় তলায় স্টাফদের থাকার কক্ষের পাশের রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। এতে সেখানে থাকা সাত কর্মচারী অগ্নিদগ্ধ হন।
দগ্ধরা হলেন, সুজাত, মিলন, মেজবা, আসিফ, সজিব, রুবেল ও শরীফ। তারা সবাই ওই রেস্টুরেন্টের কর্মচারী।
দগ্ধ আসিফের বোন সালেহা আক্তার জানান, তার ভাইসহ সহকর্মীরা রাতে নিজেদের খাবার রান্না করতে গিয়ে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের শিকার হন। খবর পেয়ে তাদের প্রথমে উদ্ধার করে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, “উত্তরা থেকে সাতজন দগ্ধ রোগীকে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাদের ড্রেসিং চলছে। এ মুহূর্তে দগ্ধের পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। সবাইকে জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”

রাজধানীর উত্তরায় একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় সাতজন কর্মচারী দগ্ধ হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে মিনলাইন চাইনিজ রেস্টুরেন্টের এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেস্টুরেন্টের দ্বিতীয় তলায় স্টাফদের থাকার কক্ষের পাশের রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। এতে সেখানে থাকা সাত কর্মচারী অগ্নিদগ্ধ হন।
দগ্ধরা হলেন, সুজাত, মিলন, মেজবা, আসিফ, সজিব, রুবেল ও শরীফ। তারা সবাই ওই রেস্টুরেন্টের কর্মচারী।
দগ্ধ আসিফের বোন সালেহা আক্তার জানান, তার ভাইসহ সহকর্মীরা রাতে নিজেদের খাবার রান্না করতে গিয়ে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের শিকার হন। খবর পেয়ে তাদের প্রথমে উদ্ধার করে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, “উত্তরা থেকে সাতজন দগ্ধ রোগীকে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাদের ড্রেসিং চলছে। এ মুহূর্তে দগ্ধের পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। সবাইকে জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”