চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সরকারের ভালো কাজকে নৈতিক সমর্থন দেব, কিন্তু জনস্বার্থের বিরোধী কিছু হলে তা মেনে নেব না।
আজ রোববার সকালে সিলেট সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, গত নির্বাচনে ৬৫ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। গণভোটের এক অংশ বাস্তবায়ন হলেও আরেক অংশ এখন পর্যন্ত উপেক্ষিত।
এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “এই রাষ্ট্রপতি কার্যত ফ্যাসিবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তিনি সংসদে ভাষণ দেবেন, তা আমরা চাইনি। রাষ্ট্রপতির প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের আপত্তি নেই, ব্যক্তি সম্পর্কে আপত্তি আছে। এটা থেকে মুক্তি দিতে সরকারি দলের কাছে অনুরোধ জানাই।“
পাশাপাশি বিএনপি ও তার দলের শুভাকাঙ্ক্ষী মহলে রাষ্ট্রপতি হওয়ার মতো যথেষ্ট লোক রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের কথার সঙ্গে কাজের মিল না থাকায় মানুষের মধ্যে রাজনীতির প্রতি আস্থা কমে গেছে। একটি জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।
জামায়াতে আমির বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে সংবিধান পরিবর্তন হয়। সংবিধান পরিবর্তন ও সংশোধন জাতির দাবি। আমাদের প্রত্যাশা, সরকার এই দাবি দ্রুত পূরণ করবে।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তবে এখনো সংকট কাটেনি। সমাজে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও প্রতিহিংসার প্রবণতা বিদ্যমান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইস্যুতে জামায়াতে আমির বলেন, ‘‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আমরা অপেক্ষায়, এটা দ্রুত হওয়া উচিত।’’
এসময় জামায়াতের মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা জয়েন্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামসহ জেলা ও মহানগর জামায়াতের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সরকারের ভালো কাজকে নৈতিক সমর্থন দেব, কিন্তু জনস্বার্থের বিরোধী কিছু হলে তা মেনে নেব না।
আজ রোববার সকালে সিলেট সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, গত নির্বাচনে ৬৫ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। গণভোটের এক অংশ বাস্তবায়ন হলেও আরেক অংশ এখন পর্যন্ত উপেক্ষিত।
এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “এই রাষ্ট্রপতি কার্যত ফ্যাসিবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তিনি সংসদে ভাষণ দেবেন, তা আমরা চাইনি। রাষ্ট্রপতির প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের আপত্তি নেই, ব্যক্তি সম্পর্কে আপত্তি আছে। এটা থেকে মুক্তি দিতে সরকারি দলের কাছে অনুরোধ জানাই।“
পাশাপাশি বিএনপি ও তার দলের শুভাকাঙ্ক্ষী মহলে রাষ্ট্রপতি হওয়ার মতো যথেষ্ট লোক রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের কথার সঙ্গে কাজের মিল না থাকায় মানুষের মধ্যে রাজনীতির প্রতি আস্থা কমে গেছে। একটি জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।
জামায়াতে আমির বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে সংবিধান পরিবর্তন হয়। সংবিধান পরিবর্তন ও সংশোধন জাতির দাবি। আমাদের প্রত্যাশা, সরকার এই দাবি দ্রুত পূরণ করবে।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তবে এখনো সংকট কাটেনি। সমাজে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও প্রতিহিংসার প্রবণতা বিদ্যমান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইস্যুতে জামায়াতে আমির বলেন, ‘‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আমরা অপেক্ষায়, এটা দ্রুত হওয়া উচিত।’’
এসময় জামায়াতের মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা জয়েন্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামসহ জেলা ও মহানগর জামায়াতের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।