চরচা ডেস্ক

বোনাস সংক্রান্ত সমস্যায় স্যামসাং ইলেকট্রনিক্সের প্রায় ৪৮ হাজার কর্মী কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে তারা এই ধর্মঘট শুরু করবেন।
ধর্মঘটের ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এই সময়ের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভবনা রয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমমন্ত্রী কিম ইয়ং-হুনের মধ্যস্থতায় পুনরায় আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে ইউনিয়ন নেতা চোই সেউং-হো জানিয়েছিলেন, তারা ন্যাশনাল লেবার রিলেশনস কমিশনের প্রধানের দেওয়া একটি চূড়ান্ত প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন। কিন্তু একটিমাত্র অমীমাংসিত বিষয়ে কর্তৃপক্ষ রাজি না হওয়ায় ১৮ দিনের এই ধর্মঘট পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ীই চলবে।
চোই সেউং-হো বলেন, “ যথাযথ ছাড় দেওয়ার পরেও জনসাধারণের জন্য একটি ভালো ফলাফল নিয়ে আসতে না পারায় আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। ধর্মঘট চলাকালীনও একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
অন্যদিকে স্যামসাং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউনিয়ন এমন কিছু ‘অগ্রহণযোগ্য দাবি’ করছে যার মধ্যে ক্ষতির মুখে থাকা ইউনিটগুলোর বোনাসের পরিমাণও রাখা হয়েছে। চুক্তি সম্পন্ন না হওয়ার মূল কারণ হলো, ইউনিয়নের এই অতিরিক্ত দাবিগুলো মেনে নিলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনার মৌলিক নীতিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সম্প্রতি বাজারে স্যামসাংয়ের শেয়ারের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। যা এই সপ্তাহে ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমে গিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা জানিয়েছেন, তারা ধর্মঘটের কারণে সৃষ্ট খরচের চেয়ে শ্রম ব্যয়ের স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধি নিয়ে বেশি চিন্তিত।

বোনাস সংক্রান্ত সমস্যায় স্যামসাং ইলেকট্রনিক্সের প্রায় ৪৮ হাজার কর্মী কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে তারা এই ধর্মঘট শুরু করবেন।
ধর্মঘটের ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এই সময়ের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভবনা রয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমমন্ত্রী কিম ইয়ং-হুনের মধ্যস্থতায় পুনরায় আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে ইউনিয়ন নেতা চোই সেউং-হো জানিয়েছিলেন, তারা ন্যাশনাল লেবার রিলেশনস কমিশনের প্রধানের দেওয়া একটি চূড়ান্ত প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন। কিন্তু একটিমাত্র অমীমাংসিত বিষয়ে কর্তৃপক্ষ রাজি না হওয়ায় ১৮ দিনের এই ধর্মঘট পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ীই চলবে।
চোই সেউং-হো বলেন, “ যথাযথ ছাড় দেওয়ার পরেও জনসাধারণের জন্য একটি ভালো ফলাফল নিয়ে আসতে না পারায় আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। ধর্মঘট চলাকালীনও একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
অন্যদিকে স্যামসাং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউনিয়ন এমন কিছু ‘অগ্রহণযোগ্য দাবি’ করছে যার মধ্যে ক্ষতির মুখে থাকা ইউনিটগুলোর বোনাসের পরিমাণও রাখা হয়েছে। চুক্তি সম্পন্ন না হওয়ার মূল কারণ হলো, ইউনিয়নের এই অতিরিক্ত দাবিগুলো মেনে নিলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনার মৌলিক নীতিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সম্প্রতি বাজারে স্যামসাংয়ের শেয়ারের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। যা এই সপ্তাহে ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমে গিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা জানিয়েছেন, তারা ধর্মঘটের কারণে সৃষ্ট খরচের চেয়ে শ্রম ব্যয়ের স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধি নিয়ে বেশি চিন্তিত।