চরচা ডেস্ক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
আজ শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সব সময়ই তার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যাবে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে রোহিঙ্গা সংকট, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) সহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে একটি নির্দিষ্ট বা ডেডিকেটেড বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (স্পেশাল ইকোনমিক জোন) প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ।
সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে এবং একে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আঙ্কারা তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
রোহিঙ্গা সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, লাখো শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রোহিঙ্গারা যেন স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদার সাথে তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের প্রতি তুরস্কের পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
দুদিনের সফরসূচি অনুযায়ী, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (টিআইকেএ), দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএফএডি), তুর্কি রেড ক্রিসেন্ট, তুর্কি দিয়ানাত ফাউন্ডেশন এবং তুরস্কের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন মানবিক সহায়তা প্রকল্প এবং ক্যাম্পে সচল তুর্কি ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
আজ শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সব সময়ই তার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যাবে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে রোহিঙ্গা সংকট, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) সহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে একটি নির্দিষ্ট বা ডেডিকেটেড বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (স্পেশাল ইকোনমিক জোন) প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ।
সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে এবং একে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আঙ্কারা তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
রোহিঙ্গা সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, লাখো শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রোহিঙ্গারা যেন স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদার সাথে তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের প্রতি তুরস্কের পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
দুদিনের সফরসূচি অনুযায়ী, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (টিআইকেএ), দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএফএডি), তুর্কি রেড ক্রিসেন্ট, তুর্কি দিয়ানাত ফাউন্ডেশন এবং তুরস্কের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন মানবিক সহায়তা প্রকল্প এবং ক্যাম্পে সচল তুর্কি ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন তিনি।