চরচা প্রতিবেদক

বনানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও অর্থপাচারের অভিযোগে ইউনিক গ্রুপের মোহাম্মদ নূর আলী ও তার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ শুক্রবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।গতকাল ৭ মে বনানী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও বোরাক রিয়েল এস্টেট চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। পরে সেখানে ফাইভ স্টার হোটেল ‘শেরাটন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে ও ডিএনসিসিকে প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানোর অভিযোগও রয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ভবন নির্মাণে রাজউক ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। নির্ধারিত উচ্চতা অতিক্রম করায় বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুমোদনহীন ভবনটিতে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করে এবং তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে পাচার করেছে বলে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ মামলাটির তদন্ত করছে।

বনানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও অর্থপাচারের অভিযোগে ইউনিক গ্রুপের মোহাম্মদ নূর আলী ও তার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ শুক্রবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।গতকাল ৭ মে বনানী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও বোরাক রিয়েল এস্টেট চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। পরে সেখানে ফাইভ স্টার হোটেল ‘শেরাটন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে ও ডিএনসিসিকে প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানোর অভিযোগও রয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ভবন নির্মাণে রাজউক ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। নির্ধারিত উচ্চতা অতিক্রম করায় বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুমোদনহীন ভবনটিতে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করে এবং তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে পাচার করেছে বলে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ মামলাটির তদন্ত করছে।