চরচা প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি একেবারেই ‘সীমিত’ এবং এর ফলে দেশে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ সোমবার সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ওপর, বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে এর প্রকৃত প্রভাব সীমিত রয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে মাঝারি মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে।”
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, “অনেক দেশে, যেমন যুক্তরাষ্ট্রে, জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। কিছুক্ষেত্রে প্রতি গ্যালন প্রায় ২ দশমিক ৭০ ডলার থেকে বেড়ে ৫ ডলারেরও বেশি হয়েছে। যা মূলত বাজারভিত্তিক ও কর-সংক্রান্ত সমন্বয়ের কারণে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশে জ্বালানির দাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হয় না, বরং সরকার তা সতর্কতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করে। উৎপাদন খাতে জ্বালানি ব্যয় সাধারণত মোট উৎপাদন খরচের মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ। ফলে জ্বালানির দাম বাড়লেও উৎপাদন ব্যয় এবং পরবর্তীতে মূল্যস্ফীতির ওপর এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম।”
উদাহরণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, “২০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে একটি বাসে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। মূল্য বৃদ্ধি হলেও ট্রাকে বহনকৃত পণ্য, যেমন- ১০ হাজার কেজি মালামাল এর ওপর অতিরিক্ত ব্যয় ভাগ হয়ে যাওয়ায় প্রতি ইউনিটে খুব সামান্য প্রভাব পড়ে।”
জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রথম দৃষ্টিতে বড় মনে হলেও মূল্যস্ফীতির ওপর এর সরাসরি প্রভাব ততটা নয়, যতটা সাধারণভাবে ধারণা করা হয় বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি একেবারেই ‘সীমিত’ এবং এর ফলে দেশে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ সোমবার সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ওপর, বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে এর প্রকৃত প্রভাব সীমিত রয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে মাঝারি মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে।”
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, “অনেক দেশে, যেমন যুক্তরাষ্ট্রে, জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। কিছুক্ষেত্রে প্রতি গ্যালন প্রায় ২ দশমিক ৭০ ডলার থেকে বেড়ে ৫ ডলারেরও বেশি হয়েছে। যা মূলত বাজারভিত্তিক ও কর-সংক্রান্ত সমন্বয়ের কারণে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশে জ্বালানির দাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হয় না, বরং সরকার তা সতর্কতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করে। উৎপাদন খাতে জ্বালানি ব্যয় সাধারণত মোট উৎপাদন খরচের মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ। ফলে জ্বালানির দাম বাড়লেও উৎপাদন ব্যয় এবং পরবর্তীতে মূল্যস্ফীতির ওপর এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম।”
উদাহরণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, “২০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে একটি বাসে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। মূল্য বৃদ্ধি হলেও ট্রাকে বহনকৃত পণ্য, যেমন- ১০ হাজার কেজি মালামাল এর ওপর অতিরিক্ত ব্যয় ভাগ হয়ে যাওয়ায় প্রতি ইউনিটে খুব সামান্য প্রভাব পড়ে।”
জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রথম দৃষ্টিতে বড় মনে হলেও মূল্যস্ফীতির ওপর এর সরাসরি প্রভাব ততটা নয়, যতটা সাধারণভাবে ধারণা করা হয় বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।