চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানার সামনে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরী জনরোষের মুখে পড়েছেন। আজ রোববার বিকেলে চিড়িয়াখানা এলাকায় অবস্থানকালে উত্তেজিত জনতা ও একদল শিক্ষার্থী তাকে ঘিরে ধরে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে আর এস ফাহিমকে চিড়িয়াখানার সামনে দেখতে পেয়ে উপস্থিত কিছু লোকজন ও শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে সেখানে স্লোগান ও বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। তার অতীতের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সময়ের অবস্থান নিয়ে উপস্থিতদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ইস্যুতে ফাহিমের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তাদের আপত্তি ছিল। বিশেষ করে ছাত্র আন্দোলনের সময় তার অবস্থান ও কিছু বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ তৈরি হয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে শিক্ষার্থীরা তাকে ঘিরে রাখেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন। পরে পুলিশের একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে হেফাজতে নেয়।
ঘটনার একাধিক ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, চিড়িয়াখানার সামনের সড়কে তাকে ঘিরে জনতা স্লোগান দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “চিড়িয়াখানার সামনে উত্তেজিত জনতা একজনকে ঘিরে ধরেছে—এমন খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। নিরাপত্তার স্বার্থে আর এস ফাহিম চৌধুরীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে তাকে থানায় রাখা হয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা বিরাজ করলেও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানার সামনে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরী জনরোষের মুখে পড়েছেন। আজ রোববার বিকেলে চিড়িয়াখানা এলাকায় অবস্থানকালে উত্তেজিত জনতা ও একদল শিক্ষার্থী তাকে ঘিরে ধরে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে আর এস ফাহিমকে চিড়িয়াখানার সামনে দেখতে পেয়ে উপস্থিত কিছু লোকজন ও শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে সেখানে স্লোগান ও বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। তার অতীতের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সময়ের অবস্থান নিয়ে উপস্থিতদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ইস্যুতে ফাহিমের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তাদের আপত্তি ছিল। বিশেষ করে ছাত্র আন্দোলনের সময় তার অবস্থান ও কিছু বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ তৈরি হয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে শিক্ষার্থীরা তাকে ঘিরে রাখেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন। পরে পুলিশের একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে হেফাজতে নেয়।
ঘটনার একাধিক ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, চিড়িয়াখানার সামনের সড়কে তাকে ঘিরে জনতা স্লোগান দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “চিড়িয়াখানার সামনে উত্তেজিত জনতা একজনকে ঘিরে ধরেছে—এমন খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। নিরাপত্তার স্বার্থে আর এস ফাহিম চৌধুরীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে তাকে থানায় রাখা হয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা বিরাজ করলেও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।