চরচা প্রতিবেদক

অনাগত সন্তান ছেলে না মেয়ে-এ তথ্য পরীক্ষার করে জানা ও তা প্রকাশ করাকে ‘অবৈধ, বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে দেওয়া’ হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে।
আজ সোমবার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাই কোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছিলেন।
রায়ে সব হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এ সংক্রান্ত রিপোর্টের তথ্য সংরক্ষণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ছয় বছর আগে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন।
পূর্ণাঙ্গ রায়ে গর্ভের শিশুর লিঙ্গপরিচয় প্রকাশ বন্ধে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও অন্যান্য ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তির ‘অপব্যবহার’ করে গর্ভের সন্তানের লিঙ্গপরিচয় নির্ধারণের প্রবণতা বাড়ছে। এর ফলে কন্যাভ্রূণ হত্যা, লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতা এবং নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।
সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের কথা তুলে ধরে আদালত বলেছেন, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ জন্মের আগেই বৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। কেবল লিঙ্গের ভিত্তিতে জীবন ধ্বংস করার সুযোগ তৈরি করা স্পষ্টভাবে অসাংবিধানিক।
হাইকোর্টের রায়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০’ অনুযায়ী চিকিৎসকদের নৈতিক মানদণ্ড মেনে চলা বাধ্যতামূলক। চিকিৎসাগত প্রয়োজন ছাড়া স্রেফ লিঙ্গ পরিচয়ের তথ্য দেওয়া চিকিৎসকদের জন্য একটি ‘পেশাগত অসদাচরণ’।
নির্দেশনাটির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতে এই রায়কে কন্টিনিউয়াস ম্যান্ডামাস (চলমান নির্দেশনা) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট আদালতে দাখিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অনাগত সন্তান ছেলে না মেয়ে-এ তথ্য পরীক্ষার করে জানা ও তা প্রকাশ করাকে ‘অবৈধ, বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে দেওয়া’ হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে।
আজ সোমবার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাই কোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছিলেন।
রায়ে সব হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এ সংক্রান্ত রিপোর্টের তথ্য সংরক্ষণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ছয় বছর আগে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন।
পূর্ণাঙ্গ রায়ে গর্ভের শিশুর লিঙ্গপরিচয় প্রকাশ বন্ধে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও অন্যান্য ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তির ‘অপব্যবহার’ করে গর্ভের সন্তানের লিঙ্গপরিচয় নির্ধারণের প্রবণতা বাড়ছে। এর ফলে কন্যাভ্রূণ হত্যা, লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতা এবং নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।
সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের কথা তুলে ধরে আদালত বলেছেন, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ জন্মের আগেই বৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। কেবল লিঙ্গের ভিত্তিতে জীবন ধ্বংস করার সুযোগ তৈরি করা স্পষ্টভাবে অসাংবিধানিক।
হাইকোর্টের রায়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০’ অনুযায়ী চিকিৎসকদের নৈতিক মানদণ্ড মেনে চলা বাধ্যতামূলক। চিকিৎসাগত প্রয়োজন ছাড়া স্রেফ লিঙ্গ পরিচয়ের তথ্য দেওয়া চিকিৎসকদের জন্য একটি ‘পেশাগত অসদাচরণ’।
নির্দেশনাটির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতে এই রায়কে কন্টিনিউয়াস ম্যান্ডামাস (চলমান নির্দেশনা) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট আদালতে দাখিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।