চরচা ডেস্ক

দীর্ঘ ৫৪ বছরের বেশি সময় পর চাঁদের বুকে মানুষের ফেরার অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে আর্টেমিস-২ মিশনের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট এবং ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল নির্ধারিত লঞ্চ প্যাডের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে।
আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চারজন নভোচারী চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবেন। যদিও মূল উৎক্ষেপণ আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির আগে সম্ভব নয়। তবে এই ১০ দিনের মিশনটি মহাকাশ গবেষণায় নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে।
নাসার কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান জানিয়েছেন, এই মহাকাশযান চাঁদের এমন কিছু দুর্গম এলাকার ওপর দিয়ে উড়ে যাবে, যা আগের অ্যাপোলো মিশনগুলো কখনোই ম্যাপ করতে পারেনি।
ওয়াইজম্যান আরও বলেন, “নভোচারীরা এমন সব দৃশ্য দেখবেন, যা আগে কোনো মানুষ দেখেনি।”
মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কোচ জানান, নভোচারীরা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চাঁদের পৃষ্ঠকে সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাবেন। তার মতে, মানুষের চোখ হলো বিজ্ঞানের অন্যতম সেরা যন্ত্র। এই মিশনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের পা রাখার পথে প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করবে।
এর আগে ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকের অ্যাপোলো মিশনের পর এটিই হতে যাচ্ছে মানবজাতির সবচেয়ে বড় চন্দ্র অভিযান। এই সফলতার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে চাঁদের মাটিতে মানুষের স্থায়ী বসতি স্থাপনের স্বপ্ন দেখছে নাসা।

দীর্ঘ ৫৪ বছরের বেশি সময় পর চাঁদের বুকে মানুষের ফেরার অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে আর্টেমিস-২ মিশনের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট এবং ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল নির্ধারিত লঞ্চ প্যাডের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে।
আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চারজন নভোচারী চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবেন। যদিও মূল উৎক্ষেপণ আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির আগে সম্ভব নয়। তবে এই ১০ দিনের মিশনটি মহাকাশ গবেষণায় নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে।
নাসার কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান জানিয়েছেন, এই মহাকাশযান চাঁদের এমন কিছু দুর্গম এলাকার ওপর দিয়ে উড়ে যাবে, যা আগের অ্যাপোলো মিশনগুলো কখনোই ম্যাপ করতে পারেনি।
ওয়াইজম্যান আরও বলেন, “নভোচারীরা এমন সব দৃশ্য দেখবেন, যা আগে কোনো মানুষ দেখেনি।”
মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কোচ জানান, নভোচারীরা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চাঁদের পৃষ্ঠকে সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাবেন। তার মতে, মানুষের চোখ হলো বিজ্ঞানের অন্যতম সেরা যন্ত্র। এই মিশনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের পা রাখার পথে প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করবে।
এর আগে ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকের অ্যাপোলো মিশনের পর এটিই হতে যাচ্ছে মানবজাতির সবচেয়ে বড় চন্দ্র অভিযান। এই সফলতার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে চাঁদের মাটিতে মানুষের স্থায়ী বসতি স্থাপনের স্বপ্ন দেখছে নাসা।