চরচা ডেস্ক

দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনার পর অবশেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ের সঙ্গেই শপথ নেন আরও নয়জন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ পড়ান রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকার।
এ সময় তামিলনাড়ুর নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে এন আনন্দ, আধব অর্জুন, রাজমোহন, আর নির্মল কুমার, পি ভেঙ্কটরামানান, কে জি অরুণ রাজ, কে এ সেনগোট্টাইয়ান, টি কে প্রভু এবং সেলভি এস কীর্তনা শপথ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিক এবং লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) রাজ্য পর্যায়ের শীর্ষ নেতারাও শপথ অনুষ্ঠানে ছিলেন।
অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম (টিভিকে) গত সোমবার ঘোষিত বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় পায়। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮ আসন। শুক্রবার পর্যন্ত জোটের শক্তি ১১৬ আসনে আটকে থাকলেও, শনিবার একাধিক দল সমর্থন দিলে জোটের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১২০-এ।
বর্তমানে বিজয়ের জোটে তার নিজের দল টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ক ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেসের ৫ জন, সিপিআইয়ের ২ জন, সিপিআইএমের ২ জন, ভিসিকের ২ জন এবং আইইউএমএলের ২ জন বিধায়ক।
এরপর গতকাল শনিবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারের সঙ্গে বৈঠকের পর তার শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিএমকে-কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের জোটে ফাটল ধরাই বিজয়ের ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত করেছে। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর কংগ্রেস বিধায়করা ডিএমকে সদর দপ্তরে না গিয়ে জোট ত্যাগের ঘোষণা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিন। কংগ্রেসের এই পদক্ষেপকে ‘তামিলনাড়ুর মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে ডিএমকে শিবির।

দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনার পর অবশেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ের সঙ্গেই শপথ নেন আরও নয়জন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ পড়ান রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকার।
এ সময় তামিলনাড়ুর নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে এন আনন্দ, আধব অর্জুন, রাজমোহন, আর নির্মল কুমার, পি ভেঙ্কটরামানান, কে জি অরুণ রাজ, কে এ সেনগোট্টাইয়ান, টি কে প্রভু এবং সেলভি এস কীর্তনা শপথ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিক এবং লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) রাজ্য পর্যায়ের শীর্ষ নেতারাও শপথ অনুষ্ঠানে ছিলেন।
অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম (টিভিকে) গত সোমবার ঘোষিত বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় পায়। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮ আসন। শুক্রবার পর্যন্ত জোটের শক্তি ১১৬ আসনে আটকে থাকলেও, শনিবার একাধিক দল সমর্থন দিলে জোটের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১২০-এ।
বর্তমানে বিজয়ের জোটে তার নিজের দল টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ক ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেসের ৫ জন, সিপিআইয়ের ২ জন, সিপিআইএমের ২ জন, ভিসিকের ২ জন এবং আইইউএমএলের ২ জন বিধায়ক।
এরপর গতকাল শনিবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারের সঙ্গে বৈঠকের পর তার শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিএমকে-কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের জোটে ফাটল ধরাই বিজয়ের ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত করেছে। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর কংগ্রেস বিধায়করা ডিএমকে সদর দপ্তরে না গিয়ে জোট ত্যাগের ঘোষণা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিন। কংগ্রেসের এই পদক্ষেপকে ‘তামিলনাড়ুর মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে ডিএমকে শিবির।