চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর তুরাগ থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ও জালনোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
আজ শুক্রবার র্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক সনদ বড়ুয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন-নাইমুল ইসলাম ইশান (১৯) ও তার সহযোগী কেফায়েত উল্লাহ (১৯)। তারা দুজনেই দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
র্যাব জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তুরাগ থানার ডলিপাড়া বাদলদী এলাকায় একটি ভবনের চতুর্থ তলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা মূল্যমানের পাঁচ হাজার পাঁচটি জাল নোট উদ্ধার করা হয়, যার মোট মূল্য ২৫ লাখ দুই হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, দুটি লেজার প্রিন্টিং ডাইস, একটি প্রিন্টার এবং তিনটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছেন যে, তারা একটি জালনোট কারবারি চক্রের সদস্য। এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মূল্যমানের জাল বাংলাদেশি নোট তৈরি করে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল।
র্যাবের ভাষ্য, জাল বলে জানা সত্ত্বেও আসামিরা সেগুলোকে আসল নোট হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের কাছে রাখে এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। এটি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-ক (খ) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।

রাজধানীর তুরাগ থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ও জালনোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
আজ শুক্রবার র্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক সনদ বড়ুয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন-নাইমুল ইসলাম ইশান (১৯) ও তার সহযোগী কেফায়েত উল্লাহ (১৯)। তারা দুজনেই দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
র্যাব জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তুরাগ থানার ডলিপাড়া বাদলদী এলাকায় একটি ভবনের চতুর্থ তলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা মূল্যমানের পাঁচ হাজার পাঁচটি জাল নোট উদ্ধার করা হয়, যার মোট মূল্য ২৫ লাখ দুই হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, দুটি লেজার প্রিন্টিং ডাইস, একটি প্রিন্টার এবং তিনটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছেন যে, তারা একটি জালনোট কারবারি চক্রের সদস্য। এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মূল্যমানের জাল বাংলাদেশি নোট তৈরি করে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল।
র্যাবের ভাষ্য, জাল বলে জানা সত্ত্বেও আসামিরা সেগুলোকে আসল নোট হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের কাছে রাখে এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। এটি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-ক (খ) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।