চরচা ডেস্ক

বাজারে কৃত্রিমভাবে যেন দ্রব্যমূল্যর দাম বাড়ানো না হয় এবং দীর্ঘ ১০-১৫ বছরের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা। আমাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে আরো রয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “দ্রব্যমূল্য যেন কৃত্রিমভাবে বাড়ানো না হয় এবং এ খাতে দীর্ঘ ১০-১৫ বছরের সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া যায়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। গতানুগতিক পন্থা অবলম্বন না করে নতুন বা সৃজনশীল পন্থায় ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই। সেজন্য সারাদেশে চাঁদাবাজি নির্মূল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রথমে বিভাগীয় বা বড় শহর থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এজন্য প্রশাসন, পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন।”
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিসিসিআই'র প্রেসিডেন্ট তাসকীন আহমেদ, ডিসিসিআই'র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব এইচ চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সালেম সোলায়মান, সচিব একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।

বাজারে কৃত্রিমভাবে যেন দ্রব্যমূল্যর দাম বাড়ানো না হয় এবং দীর্ঘ ১০-১৫ বছরের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা। আমাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে আরো রয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “দ্রব্যমূল্য যেন কৃত্রিমভাবে বাড়ানো না হয় এবং এ খাতে দীর্ঘ ১০-১৫ বছরের সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া যায়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। গতানুগতিক পন্থা অবলম্বন না করে নতুন বা সৃজনশীল পন্থায় ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই। সেজন্য সারাদেশে চাঁদাবাজি নির্মূল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রথমে বিভাগীয় বা বড় শহর থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এজন্য প্রশাসন, পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন।”
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিসিসিআই'র প্রেসিডেন্ট তাসকীন আহমেদ, ডিসিসিআই'র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব এইচ চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সালেম সোলায়মান, সচিব একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।