চরচা ডেস্ক

ডেনমার্কের অধীনে থাকা আধা-স্বায়ত্তশাসিত গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য সামরিক শক্তির ব্যবহারসহ ‘বিভিন্ন বিকল্প’ নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনা করছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
বিবিসিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আমেরিকার নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড দখল করা তাদের অগ্রাধিকার।
এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় নেতারা ডেনমার্ককে সমর্থন জানানো কয়েক ঘণ্টা পরই হোয়াইট হাউস থেকে এই বক্তব্য আসে। ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে ডেনমার্ক।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। তার ভাষ্য, দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি প্রয়োজন। গত রোববার তিনি বলেন, “দুই মাসের মধ্যে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভাবা হবে। চলুন ২০ দিনের মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে সমাধান খুঁজি।”
জবাবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “ট্রাম্প যদি গ্রিনল্যান্ডে সামরিক হামলা চালান, তবে তা ন্যাটো জোটের শেষ পরিণতি ডেকে আনবে।”
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ হওয়ায় এটি নর্থ অ্যাটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (ন্যাটো) সদস্যও। আর গ্রিনল্যান্ডে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে এটি সেই জোটের ভিত্তিক মূলনীতির ওপর আঘাত হানবে, যাতে বলা হয়েছে, একটি সদস্য দেশের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে ধরা হয়।
মঙ্গলবার ইউরোপের ছয়টি দেশ ডেনমার্কের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন ও ডেনমার্কের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড ছাড়া আর কেউ তাদের পারস্পরিক সম্পর্কসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।”
ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর গ্রিনল্যান্ডের বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। মাদক-সন্ত্রাসের অভিযোগে মাদুরোর বিরুদ্ধে আমেরিকার আদালতে বিচারের প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে।

ডেনমার্কের অধীনে থাকা আধা-স্বায়ত্তশাসিত গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য সামরিক শক্তির ব্যবহারসহ ‘বিভিন্ন বিকল্প’ নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনা করছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
বিবিসিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আমেরিকার নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড দখল করা তাদের অগ্রাধিকার।
এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় নেতারা ডেনমার্ককে সমর্থন জানানো কয়েক ঘণ্টা পরই হোয়াইট হাউস থেকে এই বক্তব্য আসে। ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে ডেনমার্ক।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। তার ভাষ্য, দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি প্রয়োজন। গত রোববার তিনি বলেন, “দুই মাসের মধ্যে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভাবা হবে। চলুন ২০ দিনের মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে সমাধান খুঁজি।”
জবাবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “ট্রাম্প যদি গ্রিনল্যান্ডে সামরিক হামলা চালান, তবে তা ন্যাটো জোটের শেষ পরিণতি ডেকে আনবে।”
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ হওয়ায় এটি নর্থ অ্যাটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (ন্যাটো) সদস্যও। আর গ্রিনল্যান্ডে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে এটি সেই জোটের ভিত্তিক মূলনীতির ওপর আঘাত হানবে, যাতে বলা হয়েছে, একটি সদস্য দেশের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে ধরা হয়।
মঙ্গলবার ইউরোপের ছয়টি দেশ ডেনমার্কের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন ও ডেনমার্কের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড ছাড়া আর কেউ তাদের পারস্পরিক সম্পর্কসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।”
ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর গ্রিনল্যান্ডের বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। মাদক-সন্ত্রাসের অভিযোগে মাদুরোর বিরুদ্ধে আমেরিকার আদালতে বিচারের প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে।