চরচা প্রতিবেদক

প্রথম টেস্টের ফর্ম টেনে এনে দ্বিতীয় টেস্টের সকালেও ছিলেন ছন্দে। তবে এরপরই অজানা কারণে অতিরিক্ত সাবধানী ব্যাটিং করেন নাজমুল হোসেন। পরে বাজে শটে আউট হন। ভুল থেকে শিক্ষা না নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও একই কাজ করলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। স্বভাবসুলভ ক্রিকেট না খেলে হয়ে গেলেন খোলসবন্দী। শেষ পর্যন্ত আউটও হলেন চাপ বাড়িয়েই। তবে লিটন দাসের ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে সকালের সেশনটা নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে সেট হওয়ার পর একটা পর্যায়ে গিয়ে যেন কোনো রানের চেষ্টাই করেননি নাজমুল। ডটের পর ডট খেলেছেন। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে যেভাবে আউট হন, সেখানে শট খেলবেন নাকি ছেড়ে দেবেন—এই দ্বিধাতেই ছিলেন তিনি। অথচ এই টেস্টেই লিটন দাস, বাবর আজম, এমনকি মাহমুদুল হাসানও দেখিয়েছেন যে দ্রুত রান বের করাই এই উইকেটে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। নাজমুল সাধারণত ৭০-৭৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করলেও প্রথম ইনিংসে তার স্ট্রাইক রেট ছিল মাত্র ৩৯.১৯।
দ্বিতীয় ইনিংসে সেটি আরও নেমে আসে ৩২.৬১-এ। ৪৬ বল খেলে ১৫ রান করার পর খুররম শাহজাদের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে শেষ হয় তার ইনিংস। নাজমুলের মূল লক্ষ্যই ছিল শুধু টিকে থাকা, তবে সেই কৌশল আর কাজে দেয়নি।
তবে লিটন ক্রিজে গিয়েই আগ্রাসন দেখিয়ে অধিনায়কের ভুল আর করেননি। পাকিস্তানের বোলাররাও তাতে চাপে পড়ে বাজে বল করতে শুরু করেন। দ্রুত রানও আসে। লাঞ্চের আগে লিটনের নামের পাশে ৪৮ রান। আর মুশফিকুর রহিম অপরাজিত আছেন ৩৯ রানে।
এই ৮৮ রানের জুটিতে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়িয়েছে ৪ উইকেটে ২০৩। আর লিড বেড়ে হয়েছে ২৪৯ রান।

প্রথম টেস্টের ফর্ম টেনে এনে দ্বিতীয় টেস্টের সকালেও ছিলেন ছন্দে। তবে এরপরই অজানা কারণে অতিরিক্ত সাবধানী ব্যাটিং করেন নাজমুল হোসেন। পরে বাজে শটে আউট হন। ভুল থেকে শিক্ষা না নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও একই কাজ করলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। স্বভাবসুলভ ক্রিকেট না খেলে হয়ে গেলেন খোলসবন্দী। শেষ পর্যন্ত আউটও হলেন চাপ বাড়িয়েই। তবে লিটন দাসের ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে সকালের সেশনটা নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে সেট হওয়ার পর একটা পর্যায়ে গিয়ে যেন কোনো রানের চেষ্টাই করেননি নাজমুল। ডটের পর ডট খেলেছেন। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে যেভাবে আউট হন, সেখানে শট খেলবেন নাকি ছেড়ে দেবেন—এই দ্বিধাতেই ছিলেন তিনি। অথচ এই টেস্টেই লিটন দাস, বাবর আজম, এমনকি মাহমুদুল হাসানও দেখিয়েছেন যে দ্রুত রান বের করাই এই উইকেটে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। নাজমুল সাধারণত ৭০-৭৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করলেও প্রথম ইনিংসে তার স্ট্রাইক রেট ছিল মাত্র ৩৯.১৯।
দ্বিতীয় ইনিংসে সেটি আরও নেমে আসে ৩২.৬১-এ। ৪৬ বল খেলে ১৫ রান করার পর খুররম শাহজাদের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে শেষ হয় তার ইনিংস। নাজমুলের মূল লক্ষ্যই ছিল শুধু টিকে থাকা, তবে সেই কৌশল আর কাজে দেয়নি।
তবে লিটন ক্রিজে গিয়েই আগ্রাসন দেখিয়ে অধিনায়কের ভুল আর করেননি। পাকিস্তানের বোলাররাও তাতে চাপে পড়ে বাজে বল করতে শুরু করেন। দ্রুত রানও আসে। লাঞ্চের আগে লিটনের নামের পাশে ৪৮ রান। আর মুশফিকুর রহিম অপরাজিত আছেন ৩৯ রানে।
এই ৮৮ রানের জুটিতে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়িয়েছে ৪ উইকেটে ২০৩। আর লিড বেড়ে হয়েছে ২৪৯ রান।