চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ এলাকায় মোবাইল ফোনে গেম খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর রডের আঘাতে আব্দুল মান্নান (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মান্নানের বাড়ি বরগুনা সদর জেলায়। তার বাবার নাম আব্দুল হাই। বর্তমানে তিনি গেন্ডারিয়ার নামাপাড়া এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
তার বোন চায়না বেগম জানান, দয়াগঞ্জের একটি নির্মাণাধীন ভবনে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন মান্নান। রোববার দুপুরে সহকর্মী রাজন, দেলু, মহসিন ও মান্নান একসঙ্গে মোবাইলে লুডু খেলছিলেন। খেলাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রাজন রড দিয়ে মান্নানের বাম উরুতে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্বজনরা খবর পেয়ে প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ এলাকায় মোবাইল ফোনে গেম খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর রডের আঘাতে আব্দুল মান্নান (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মান্নানের বাড়ি বরগুনা সদর জেলায়। তার বাবার নাম আব্দুল হাই। বর্তমানে তিনি গেন্ডারিয়ার নামাপাড়া এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
তার বোন চায়না বেগম জানান, দয়াগঞ্জের একটি নির্মাণাধীন ভবনে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন মান্নান। রোববার দুপুরে সহকর্মী রাজন, দেলু, মহসিন ও মান্নান একসঙ্গে মোবাইলে লুডু খেলছিলেন। খেলাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রাজন রড দিয়ে মান্নানের বাম উরুতে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্বজনরা খবর পেয়ে প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।