বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে নতুন করে আরও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের মাঝে একটি ‘পারফিউম বডি স্প্রে’ দিয়ে দিলে মুহূর্তের মধ্যেই আশপাশের কয়েকজন শিক্ষার্থী তীব্র ঘ্রাণে শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমিভাব অনুভব করতে শুরু করে। পরে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দ্রুত বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর দুই শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা সবাই সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হান্নান মিয়া চরচাকে জানান, গতকালের ঘটনার পর ব্যবহৃত বডি স্প্রের বোতলটি জব্দ করে বাকেরগঞ্জ থানায় জমা দেওয়া হয়। বুধবার সকালে যথারীতি অ্যাসেম্বলি শেষে ক্লাস শুরু হলে আবার কয়েকজন শিক্ষার্থী মাথা ঘোরা ও বমিভাব অনুভব করে। প্রথমে দুই-তিনজন অসুস্থ হলেও পরে সংখ্যাটি বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্যালাইন দেওয়ার পর তারা কিছুটা সুস্থ হলেও সর্বিক দিক বিবেচনা করে তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করে রাখা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে তাদের ধারণা, এটি প্যানিক অ্যাটাকজনিত ঘটনা হতে পারে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে বুধবার দুপুর থেকে বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “ঘটনার তদন্ত চলছে। নতুন করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন চরচাকে বলেন,“বিদ্যালয় থেকে জমা দেওয়া বডি স্প্রেটি পুলিশ সদস্যরা নিজেদের শরীরে ব্যবহার করে দেখেছেন এবং তাতে কোনো সমস্যা হয়নি। এছাড়া পুলিশের একটি দল প্রায় এক ঘণ্টা ওই শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করলেও কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের প্যানিক অ্যাটাকের ফল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।”

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে নতুন করে আরও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের মাঝে একটি ‘পারফিউম বডি স্প্রে’ দিয়ে দিলে মুহূর্তের মধ্যেই আশপাশের কয়েকজন শিক্ষার্থী তীব্র ঘ্রাণে শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমিভাব অনুভব করতে শুরু করে। পরে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দ্রুত বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর দুই শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা সবাই সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হান্নান মিয়া চরচাকে জানান, গতকালের ঘটনার পর ব্যবহৃত বডি স্প্রের বোতলটি জব্দ করে বাকেরগঞ্জ থানায় জমা দেওয়া হয়। বুধবার সকালে যথারীতি অ্যাসেম্বলি শেষে ক্লাস শুরু হলে আবার কয়েকজন শিক্ষার্থী মাথা ঘোরা ও বমিভাব অনুভব করে। প্রথমে দুই-তিনজন অসুস্থ হলেও পরে সংখ্যাটি বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্যালাইন দেওয়ার পর তারা কিছুটা সুস্থ হলেও সর্বিক দিক বিবেচনা করে তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করে রাখা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে তাদের ধারণা, এটি প্যানিক অ্যাটাকজনিত ঘটনা হতে পারে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে বুধবার দুপুর থেকে বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “ঘটনার তদন্ত চলছে। নতুন করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন চরচাকে বলেন,“বিদ্যালয় থেকে জমা দেওয়া বডি স্প্রেটি পুলিশ সদস্যরা নিজেদের শরীরে ব্যবহার করে দেখেছেন এবং তাতে কোনো সমস্যা হয়নি। এছাড়া পুলিশের একটি দল প্রায় এক ঘণ্টা ওই শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করলেও কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের প্যানিক অ্যাটাকের ফল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।”