চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন অনুষদের ‘আওয়ামী লীগপন্থী’ সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমানকে আটক করে প্রক্টর অফিসে সেপার্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসুর) প্রতিনিধিরা।
আজ শনিবার ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ স্নাতক শ্রেণিতে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময় আইন অনুষদের ১ নম্বর গ্যালারিতে পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন হাসান মোহাম্মদ রোমান। চাকসু নেতারা বিষয়টি জানতে পারলে ঘটনাস্থলে গিয়ে আইন অনুষদের ডিন অফিসে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে হাসান মোহাম্মদ রোমান ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করে। সেসময় চাকসু নেতারা আইন অনুষদের সামনে থেকে তাকে রিকশা করে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
চাকসুর আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি বলেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যার মধ্যে আইন অনুষদের ওই সহকারী অধ্যাপক অন্যতম। ফ্যাসিবাদী আমলে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছেন। জোবায়ের হোসেন সোহাগ নামের এক শিক্ষার্থীকে জঙ্গি মামলা দিয়ে তিনি জেলে পাঠিয়েছিলেন।”
ফজলে রাব্বি আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি বাধা দিতেন। ছাত্রলীগকে তিনি বিভিন্নভাবে মদদ দিতেন।”
চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “তাকে কোনোভাবেই মারা হয়নি। আমরা আইন অনুষদে পরিদর্শনের সময় খবর পাই। খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হই। আমাদের উপস্থিতির খবর পেয়ে তিনি আইন অনুষদের গ্যালারির পেছন দিয়ে দৌড়ানোর সময় ব্যথা পান।”
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আমি একদিনের জন্যও বের হইনি। কোনো দায়িত্বেও ছিলাম না। মৌন মিছিলেও অংশ নিইনি। শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের বোর্ডের সদস্যও ছিলাম না। সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি কাউকে মামলা দেইনি।”
প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, “এখন পর্যন্ত সব পরীক্ষায় তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। পরে জানতে পারি প্রক্টর কার্যালয়ে আনা হয়েছে। আমরা তার ফোন চেক করেছি তার সব কিছু আমাদের কাছে আছে। তার গায়ে কেউ হাত তুলে নাই, রিকশা করে নিয়ে আসা হয়েছে।”
ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত চিফ মেডিকেল অফিসার আবু তৈয়ব বলেন, “আমরা শারীরিকভাবে কোনো ধরনের ব্যথা বা আঘাতের চিহ্ন পাইনি। তবে, মানসিকভাবে ভীতির অনুভূতি কাজ করছে তার মাঝে।”
এর আগে, তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে আইন বিভাগের এ সহকারী অধ্যাপকের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি তার অব্যাহতি চেয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনও করেছিল। বিভাগে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন অনুষদের ‘আওয়ামী লীগপন্থী’ সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমানকে আটক করে প্রক্টর অফিসে সেপার্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসুর) প্রতিনিধিরা।
আজ শনিবার ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ স্নাতক শ্রেণিতে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময় আইন অনুষদের ১ নম্বর গ্যালারিতে পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন হাসান মোহাম্মদ রোমান। চাকসু নেতারা বিষয়টি জানতে পারলে ঘটনাস্থলে গিয়ে আইন অনুষদের ডিন অফিসে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে হাসান মোহাম্মদ রোমান ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করে। সেসময় চাকসু নেতারা আইন অনুষদের সামনে থেকে তাকে রিকশা করে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
চাকসুর আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি বলেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যার মধ্যে আইন অনুষদের ওই সহকারী অধ্যাপক অন্যতম। ফ্যাসিবাদী আমলে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছেন। জোবায়ের হোসেন সোহাগ নামের এক শিক্ষার্থীকে জঙ্গি মামলা দিয়ে তিনি জেলে পাঠিয়েছিলেন।”
ফজলে রাব্বি আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি বাধা দিতেন। ছাত্রলীগকে তিনি বিভিন্নভাবে মদদ দিতেন।”
চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “তাকে কোনোভাবেই মারা হয়নি। আমরা আইন অনুষদে পরিদর্শনের সময় খবর পাই। খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হই। আমাদের উপস্থিতির খবর পেয়ে তিনি আইন অনুষদের গ্যালারির পেছন দিয়ে দৌড়ানোর সময় ব্যথা পান।”
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আমি একদিনের জন্যও বের হইনি। কোনো দায়িত্বেও ছিলাম না। মৌন মিছিলেও অংশ নিইনি। শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের বোর্ডের সদস্যও ছিলাম না। সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি কাউকে মামলা দেইনি।”
প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, “এখন পর্যন্ত সব পরীক্ষায় তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। পরে জানতে পারি প্রক্টর কার্যালয়ে আনা হয়েছে। আমরা তার ফোন চেক করেছি তার সব কিছু আমাদের কাছে আছে। তার গায়ে কেউ হাত তুলে নাই, রিকশা করে নিয়ে আসা হয়েছে।”
ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত চিফ মেডিকেল অফিসার আবু তৈয়ব বলেন, “আমরা শারীরিকভাবে কোনো ধরনের ব্যথা বা আঘাতের চিহ্ন পাইনি। তবে, মানসিকভাবে ভীতির অনুভূতি কাজ করছে তার মাঝে।”
এর আগে, তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে আইন বিভাগের এ সহকারী অধ্যাপকের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি তার অব্যাহতি চেয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনও করেছিল। বিভাগে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।