চরচা ডেস্ক

রাজধানীর খিলগাঁও মধ্যপাড়ার বাসিন্দা শিপন গত ৩০ এপ্রিল ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুর পর পরিবারের সম্মতিতে তার দুইটি কর্ণিয়া দান করা হয়, যাতে দুজন দৃষ্টিহীনের চোখে আলো ফিরে এসেছে।
সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষুব্যাংকের আই ডোনেশন কাউন্সিলররা মৃত্যুর খবর পেয়ে মরহুমের ভাই মো. আজিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং কর্ণিয়া দানের বিষয়ে প্রস্তাব দেন। মানবিক এই উদ্যোগে সাড়া দিয়ে তিনি সম্মতি জানান।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ শনিবার সন্ধানী চক্ষু হাসপাতালে কর্ণিয়াল সার্জন ডা. সৈয়দ এ হাসান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সংগৃহীত কর্ণিয়াদ্বয় প্রতিস্থাপন করেন। এতে লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার মো. মামুন হোসেন (৩৭) এবং বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পান্না খাতুন (১৪) নতুন করে দৃষ্টি ফিরে পান।
সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি জানায়, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪২০০টি কর্ণিয়া সংগ্রহের মাধ্যমে ৩,৫৩৭ জন দৃষ্টিহীন মানুষের চোখে আলো ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সমিতির সভাপতি মো. ফজলুল হক কাশেম ও মহাসচিব মো. মনির হোসেন দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আরও বেশি মানুষ এগিয়ে এলে কর্ণিয়া অস্বচ্ছতায় ভোগা অসংখ্য মানুষ নতুন জীবন ফিরে পাবে।

রাজধানীর খিলগাঁও মধ্যপাড়ার বাসিন্দা শিপন গত ৩০ এপ্রিল ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুর পর পরিবারের সম্মতিতে তার দুইটি কর্ণিয়া দান করা হয়, যাতে দুজন দৃষ্টিহীনের চোখে আলো ফিরে এসেছে।
সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষুব্যাংকের আই ডোনেশন কাউন্সিলররা মৃত্যুর খবর পেয়ে মরহুমের ভাই মো. আজিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং কর্ণিয়া দানের বিষয়ে প্রস্তাব দেন। মানবিক এই উদ্যোগে সাড়া দিয়ে তিনি সম্মতি জানান।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ শনিবার সন্ধানী চক্ষু হাসপাতালে কর্ণিয়াল সার্জন ডা. সৈয়দ এ হাসান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সংগৃহীত কর্ণিয়াদ্বয় প্রতিস্থাপন করেন। এতে লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার মো. মামুন হোসেন (৩৭) এবং বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পান্না খাতুন (১৪) নতুন করে দৃষ্টি ফিরে পান।
সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি জানায়, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪২০০টি কর্ণিয়া সংগ্রহের মাধ্যমে ৩,৫৩৭ জন দৃষ্টিহীন মানুষের চোখে আলো ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সমিতির সভাপতি মো. ফজলুল হক কাশেম ও মহাসচিব মো. মনির হোসেন দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আরও বেশি মানুষ এগিয়ে এলে কর্ণিয়া অস্বচ্ছতায় ভোগা অসংখ্য মানুষ নতুন জীবন ফিরে পাবে।