চরচা ডেস্ক

জেরুসালেমে অনুষ্ঠিত ‘জেএনএস (জিউইশ নিউজ সিন্ডিকেট) ইন্টারন্যাশনাল পলিসি সামিট’-এ বিশিষ্ট জায়নবাদী কর্মী ও হারুত সেন্টারের প্রধান নির্বাহী আমিয়াদ কোহেন এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়েছেন। ইসরায়েলের জাতীয়তাবাদী শিবিরের এই শীর্ষস্থানীয় নেতা দাবি করেছেন যে, আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে যুদ্ধ অনিবার্য। মিডল ইস্ট মনিটরের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন এ তথ্য জানান হয়েছে।
কোহেনের মতে, ইরান এবং তার আঞ্চলিক শিয়া মিত্রদের তথা ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ (অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স)-কে দুর্বল করার পর, ইসরায়েলের পরবর্তী কৌশলগত বড় চ্যালেঞ্জ আসবে মূলত আঞ্চলিক সুন্নি মুসলিম শক্তিগুলোর কাছ থেকে। তিনি সতর্ক করে বলেন, মিশরে শেষ পর্যন্ত কট্টরপন্থী রাজনৈতিক দল ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ পুনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে এবং এর ফলেই এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটবে। শুধু মিশরই নয়, কোহেনের আলোচনায় তুরস্ককেও ইসরায়েল তথা সমগ্র পশ্চিমা বিশ্বের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী উদীয়মান হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আমিয়াদ কোহেন মুসলিম ব্রাদারহুডকে একটি বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে চিত্রায়িত করেছেন। তারা এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা বা টেক্সাসের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতেও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে সুন্নি শক্তিগুলোকে ভবিষ্যৎ শত্রু হিসেবে দেখার এই প্রবণতা নতুন নয়।
এর আগে গত মাসে ইসরায়েলের সাজাপ্রাপ্ত সাবেক গুপ্তচর জোনাথন পোলার্ডও একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পোলার্ডের মতে, ইরানের ক্ষমতা হ্রাসের পর তুরস্ক ও মিশরই হতে পারে ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্য। ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি এবং দীর্ঘদিনের পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা থাকা সত্ত্বেও, ইসরায়েলি ডানপন্থী নীতি-নির্ধারকদের এই আলোচনা নতুন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ইঙ্গিত দেয়। কোহেন জোর দিয়ে বলেন যে, শিয়া শক্তির পতন নিশ্চিত করার পর ইসরায়েল ও আমেরিকাকে অবশ্যই এই ভবিষ্যৎ সুন্নি রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে হবে। যদিও তার মতে বর্তমানে আমেরিকার বৈশ্বিক প্রভাব কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে।

জেরুসালেমে অনুষ্ঠিত ‘জেএনএস (জিউইশ নিউজ সিন্ডিকেট) ইন্টারন্যাশনাল পলিসি সামিট’-এ বিশিষ্ট জায়নবাদী কর্মী ও হারুত সেন্টারের প্রধান নির্বাহী আমিয়াদ কোহেন এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়েছেন। ইসরায়েলের জাতীয়তাবাদী শিবিরের এই শীর্ষস্থানীয় নেতা দাবি করেছেন যে, আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে যুদ্ধ অনিবার্য। মিডল ইস্ট মনিটরের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন এ তথ্য জানান হয়েছে।
কোহেনের মতে, ইরান এবং তার আঞ্চলিক শিয়া মিত্রদের তথা ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ (অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স)-কে দুর্বল করার পর, ইসরায়েলের পরবর্তী কৌশলগত বড় চ্যালেঞ্জ আসবে মূলত আঞ্চলিক সুন্নি মুসলিম শক্তিগুলোর কাছ থেকে। তিনি সতর্ক করে বলেন, মিশরে শেষ পর্যন্ত কট্টরপন্থী রাজনৈতিক দল ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ পুনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে এবং এর ফলেই এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটবে। শুধু মিশরই নয়, কোহেনের আলোচনায় তুরস্ককেও ইসরায়েল তথা সমগ্র পশ্চিমা বিশ্বের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী উদীয়মান হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আমিয়াদ কোহেন মুসলিম ব্রাদারহুডকে একটি বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে চিত্রায়িত করেছেন। তারা এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা বা টেক্সাসের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতেও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে সুন্নি শক্তিগুলোকে ভবিষ্যৎ শত্রু হিসেবে দেখার এই প্রবণতা নতুন নয়।
এর আগে গত মাসে ইসরায়েলের সাজাপ্রাপ্ত সাবেক গুপ্তচর জোনাথন পোলার্ডও একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পোলার্ডের মতে, ইরানের ক্ষমতা হ্রাসের পর তুরস্ক ও মিশরই হতে পারে ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্য। ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি এবং দীর্ঘদিনের পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা থাকা সত্ত্বেও, ইসরায়েলি ডানপন্থী নীতি-নির্ধারকদের এই আলোচনা নতুন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ইঙ্গিত দেয়। কোহেন জোর দিয়ে বলেন যে, শিয়া শক্তির পতন নিশ্চিত করার পর ইসরায়েল ও আমেরিকাকে অবশ্যই এই ভবিষ্যৎ সুন্নি রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে হবে। যদিও তার মতে বর্তমানে আমেরিকার বৈশ্বিক প্রভাব কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে।