বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল নগরীতে খিচুড়ি খেতে গিয়ে গত শনিবার ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্র নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। দুই দিন পার হলেও নিখোঁজ সৌরভ দাস শানকে এখনও উদ্ধার করা যায়নি।
সৌরভ বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবা সদল দাস প্রবাসে থাকে এবং সে মায়ের সঙ্গে ভাটিখানা বাজারসংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে।
সৌরভের মামা বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, শনিবার রাত ১০টার দিকে সৌরভ বাসার সামনে থেকে খিচুড়ি খেতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। তার মা মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ৫০০ টাকা তুলে খিচুড়ি আনতে বলেন। এরপর মায়ের স্মার্ট ফোন ও নিজের একটি এনালগ ফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় সৌরভ। তবে সৌরভ স্থানীয় একটি মোবাইল ব্যাংকিং দোকান থেকে ৫০০ টাকার পরিবর্তে অ্যাকাউন্টে থাকা পুরো ৮৫০০ টাকা তুলে নেয়। এরপর খিচুড়ির দোকানে না গিয়ে সাহাপাড়া মোড় থেকে একটি রিকশায় করে স্বরোডের দিকে চলে যেতে দেখা যায়।
বিশ্বজিৎ আরও বলেন, নিখোঁজের কিছু সময় পর একটি স্কুল মাঠ থেকে তার এনালগ ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একই স্থানে তার মায়ের স্মার্টফোনের লোকেশন শনাক্ত করে সেটিও উদ্ধার করে। তবে দুই ফোন একই সময়ে সেখানে না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রহস্য তৈরি হয়।
সৌরভের মামা বলেন, পুলিশ ও র্যাব বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালালেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে আজ সোমবার বিকেলে পলাশপুর এলাকায় সংশ্লিষ্ট রিকশাচালকের অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিত চন্দ্র নাথ জানান, সৌরভের সর্বশেষ অবস্থান নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাসযোগে অন্য কোথাও চলে যেতে পারেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণে কিছুটা সমস্যা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বরিশাল নগরীতে খিচুড়ি খেতে গিয়ে গত শনিবার ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্র নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। দুই দিন পার হলেও নিখোঁজ সৌরভ দাস শানকে এখনও উদ্ধার করা যায়নি।
সৌরভ বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবা সদল দাস প্রবাসে থাকে এবং সে মায়ের সঙ্গে ভাটিখানা বাজারসংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে।
সৌরভের মামা বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, শনিবার রাত ১০টার দিকে সৌরভ বাসার সামনে থেকে খিচুড়ি খেতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। তার মা মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ৫০০ টাকা তুলে খিচুড়ি আনতে বলেন। এরপর মায়ের স্মার্ট ফোন ও নিজের একটি এনালগ ফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় সৌরভ। তবে সৌরভ স্থানীয় একটি মোবাইল ব্যাংকিং দোকান থেকে ৫০০ টাকার পরিবর্তে অ্যাকাউন্টে থাকা পুরো ৮৫০০ টাকা তুলে নেয়। এরপর খিচুড়ির দোকানে না গিয়ে সাহাপাড়া মোড় থেকে একটি রিকশায় করে স্বরোডের দিকে চলে যেতে দেখা যায়।
বিশ্বজিৎ আরও বলেন, নিখোঁজের কিছু সময় পর একটি স্কুল মাঠ থেকে তার এনালগ ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একই স্থানে তার মায়ের স্মার্টফোনের লোকেশন শনাক্ত করে সেটিও উদ্ধার করে। তবে দুই ফোন একই সময়ে সেখানে না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রহস্য তৈরি হয়।
সৌরভের মামা বলেন, পুলিশ ও র্যাব বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালালেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে আজ সোমবার বিকেলে পলাশপুর এলাকায় সংশ্লিষ্ট রিকশাচালকের অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিত চন্দ্র নাথ জানান, সৌরভের সর্বশেষ অবস্থান নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাসযোগে অন্য কোথাও চলে যেতে পারেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণে কিছুটা সমস্যা হয়েছে বলেও জানান তিনি।