চরচা ডেস্ক

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি দাবি করেছেন, ইরানের ওপর দায় চাপানোর লক্ষ্যে ‘এপস্টেইন নেটওয়ার্ক’-এর অবশিষ্ট সদস্যরা ৯/১১-এর মতো একটি ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্র করছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
আলি লারিজানি বলেন, “আমি জানতে পেরেছি এপস্টেইন নেটওয়ার্কের অবশিষ্ট সদস্যরা ৯/১১-এর মতো একটি ঘটনা ঘটিয়ে ইরানের ওপর দোষ চাপানোর নীল নকশা তৈরি করেছে। ইরান এ ধরনের সন্ত্রাসী পরিকল্পনার ঘোর বিরোধী এবং মার্কিন জনগণের সাথে আমাদের কোনো যুদ্ধ নেই।”
লারিজানির এই বিবৃতি এমন এক সময়ে এল, যখন ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ চলছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
খামেনির মৃত্যুর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে একের পর এক হামলা চালিয়েছে ইরান।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যার বড় অংশই ইরানি নাগরিক।
অন্যদিকে পেন্টাগন জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা এবং ইসরায়েলি বাহিনী মিলে ইরানে ১৫ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পেন্টাগন ওই অঞ্চলে ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ যুদ্ধজাহাজ এবং প্রায় ২ হাজার পাঁচশ মেরিন সেনা মোতায়েন করেছে।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি দাবি করেছেন, ইরানের ওপর দায় চাপানোর লক্ষ্যে ‘এপস্টেইন নেটওয়ার্ক’-এর অবশিষ্ট সদস্যরা ৯/১১-এর মতো একটি ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্র করছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
আলি লারিজানি বলেন, “আমি জানতে পেরেছি এপস্টেইন নেটওয়ার্কের অবশিষ্ট সদস্যরা ৯/১১-এর মতো একটি ঘটনা ঘটিয়ে ইরানের ওপর দোষ চাপানোর নীল নকশা তৈরি করেছে। ইরান এ ধরনের সন্ত্রাসী পরিকল্পনার ঘোর বিরোধী এবং মার্কিন জনগণের সাথে আমাদের কোনো যুদ্ধ নেই।”
লারিজানির এই বিবৃতি এমন এক সময়ে এল, যখন ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ চলছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
খামেনির মৃত্যুর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে একের পর এক হামলা চালিয়েছে ইরান।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যার বড় অংশই ইরানি নাগরিক।
অন্যদিকে পেন্টাগন জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা এবং ইসরায়েলি বাহিনী মিলে ইরানে ১৫ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পেন্টাগন ওই অঞ্চলে ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ যুদ্ধজাহাজ এবং প্রায় ২ হাজার পাঁচশ মেরিন সেনা মোতায়েন করেছে।