চরচা প্রতিবেদক

মাত্র তিন ওভার করেই আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো নাহিদ রানাকে। একপ্রান্তে স্পিনার রেখে অন্যপ্রান্তে ইবাদতকে না এনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন ভরসা রাখলেন সবচেয়ে অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদের ওপর। আগের দিন মাত্র ৮ ওভার করলেও ছিলেন না ছন্দে। সমালোচনাও হচ্ছিল কিছুটা। তবে তাসকিন সব জবাব দিলেন বল হাতেই। দারুণ অবস্থানে থাকা পাকিস্তানকে চাপে ফেলে প্রথম সেশনেই তার হাত ধরেই ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ।
প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে পাকিস্তান শুরুটা করেছিল ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে। তাসকিনের পাশাপাশি মেহেদি হাসান মিরাজের জোড়া শিকারে লাঞ্চ বিরতিতে সফরকারীরা করেছে ৫ উইকেটে ২৫১ রান। পিছিয়ে ১৬২ রানে।
দ্বিতীয় দিন তাসকিনের তুলনায় অন্য দুই পেসারকে বেশি ব্যবহার করেছে বাংলাদেশ। বোলিং দেখে মনে হচ্ছিল, রিদম হয়তো পাচ্ছেন না, যা দীর্ঘ বিরতির পর টেস্টে ফেরার ম্যাচে হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। তবে লাল বলের ক্রিকেটে তাসকিনের কাছে দলের প্রত্যাশার জায়গাটা বেশিই। তাই সকালের শুরুতেই তার হাতে পুরোনো বল তুলে দিলেন নাজমুল হোসেন। অধিনায়কের আস্থার কী দারুণ প্রতিদানই না দিলেন ডানহাতি এই পেসার!
আক্রমণে এসে দ্বিতীয় ওভারে ফিরিয়ে দেন অভিষেকেই সেঞ্চুরি করা আজান আওয়াজকে (১০৩ রান)। এখানে আলাদা কৃতিত্ব পাবেন নাজমুলও। প্রথম স্লিপে তিনি ক্যাচ নেওয়ার আগে তালুবন্দি করার চেষ্টা ছিল লিটন দাসেরও। তবে ঠান্ডা মাথায় নিজের কাজটা করেন তিনি। আর সেটাই পাকিস্তানের বিপদের সূত্রপাত করে।
সেরা ছন্দে বোলিং করে যাওয়া তাসকিন এরপর রীতিমতো ট্র্যাপে ফেলেন শান মাসুদকে। শর্ট কভারে সাদমান ইসলামকে রেখে বল করেন অফ স্টাম্পের বাইরে। ড্রাইভ করার লোভ সামলাতে না পেরে মাসুদ ক্যাচ দেন সাদমানের হাতেই। দুহাত তুলে তাসকিনের চিৎকার করে উদযাপনই বলে দিচ্ছিল, পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে বলেই এই উল্লাস।
টানা বোলিং করে যাওয়া মিরাজ অবশেষে উইকেটের দেখা পান সাদ শাকিলকে শূন্য রানে ফিরিয়ে। সেই রেশ না কাটতেই ফের আঘাত হানেন এই অফ স্পিনার। ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন আবদুল্লাহ ফজল (৬০)। তাসকিন এরপর কট বিহাইন্ড করেছিলেন সালমান আগাকে, তবে ‘নো’ বলের কারণে হতাশ হতে হয় তাঁকে।
প্রথম সেশন শেষে ক্রিজে আছেন সালমান (১২*) ও মোহাম্মদ রিজওয়ান (৮*)।

মাত্র তিন ওভার করেই আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো নাহিদ রানাকে। একপ্রান্তে স্পিনার রেখে অন্যপ্রান্তে ইবাদতকে না এনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন ভরসা রাখলেন সবচেয়ে অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদের ওপর। আগের দিন মাত্র ৮ ওভার করলেও ছিলেন না ছন্দে। সমালোচনাও হচ্ছিল কিছুটা। তবে তাসকিন সব জবাব দিলেন বল হাতেই। দারুণ অবস্থানে থাকা পাকিস্তানকে চাপে ফেলে প্রথম সেশনেই তার হাত ধরেই ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ।
প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে পাকিস্তান শুরুটা করেছিল ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে। তাসকিনের পাশাপাশি মেহেদি হাসান মিরাজের জোড়া শিকারে লাঞ্চ বিরতিতে সফরকারীরা করেছে ৫ উইকেটে ২৫১ রান। পিছিয়ে ১৬২ রানে।
দ্বিতীয় দিন তাসকিনের তুলনায় অন্য দুই পেসারকে বেশি ব্যবহার করেছে বাংলাদেশ। বোলিং দেখে মনে হচ্ছিল, রিদম হয়তো পাচ্ছেন না, যা দীর্ঘ বিরতির পর টেস্টে ফেরার ম্যাচে হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। তবে লাল বলের ক্রিকেটে তাসকিনের কাছে দলের প্রত্যাশার জায়গাটা বেশিই। তাই সকালের শুরুতেই তার হাতে পুরোনো বল তুলে দিলেন নাজমুল হোসেন। অধিনায়কের আস্থার কী দারুণ প্রতিদানই না দিলেন ডানহাতি এই পেসার!
আক্রমণে এসে দ্বিতীয় ওভারে ফিরিয়ে দেন অভিষেকেই সেঞ্চুরি করা আজান আওয়াজকে (১০৩ রান)। এখানে আলাদা কৃতিত্ব পাবেন নাজমুলও। প্রথম স্লিপে তিনি ক্যাচ নেওয়ার আগে তালুবন্দি করার চেষ্টা ছিল লিটন দাসেরও। তবে ঠান্ডা মাথায় নিজের কাজটা করেন তিনি। আর সেটাই পাকিস্তানের বিপদের সূত্রপাত করে।
সেরা ছন্দে বোলিং করে যাওয়া তাসকিন এরপর রীতিমতো ট্র্যাপে ফেলেন শান মাসুদকে। শর্ট কভারে সাদমান ইসলামকে রেখে বল করেন অফ স্টাম্পের বাইরে। ড্রাইভ করার লোভ সামলাতে না পেরে মাসুদ ক্যাচ দেন সাদমানের হাতেই। দুহাত তুলে তাসকিনের চিৎকার করে উদযাপনই বলে দিচ্ছিল, পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে বলেই এই উল্লাস।
টানা বোলিং করে যাওয়া মিরাজ অবশেষে উইকেটের দেখা পান সাদ শাকিলকে শূন্য রানে ফিরিয়ে। সেই রেশ না কাটতেই ফের আঘাত হানেন এই অফ স্পিনার। ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন আবদুল্লাহ ফজল (৬০)। তাসকিন এরপর কট বিহাইন্ড করেছিলেন সালমান আগাকে, তবে ‘নো’ বলের কারণে হতাশ হতে হয় তাঁকে।
প্রথম সেশন শেষে ক্রিজে আছেন সালমান (১২*) ও মোহাম্মদ রিজওয়ান (৮*)।