চরচা প্রতিবেদক

পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি)। শনিবার সবশেষ বোর্ড সভার দিনই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন চার পরিচালক। সবমিলিয়ে বিসিবি থেকে এ পর্যন্ত সরে দাঁড়িয়েছেন সাত পরিচালক।
বিসিবির সভা চলাকালীনই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে যান পরিচালক ফায়াজুর রহমান। আর সভা শেষে হতেই পদত্যাগ করেন শাহনিয়ান তানিম ও মেহেরাব আলম। আর সবশেষ এই তালিকায় যুক্ত হন মঞ্জুরুল আলম। এর মধ্য দিয়ে বর্তমানে পরিচালকের সংখ্যা নেমে এসেছে ১৮ জনে।
বিসিবির কয়েকটি সূত্রের খবর, খুব দ্রুতই পদত্যাগ করতে পারেন আরও কয়েকজন পরিচালক।
এই অচলাবস্থার মধ্যেই গতকাল রোববার বিসিবির সবশেষ নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন শেষ করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পাঁচ সদ্যসের তদন্ত কমিটি। সেই প্রতিবেদন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।
বিসিবির সেই নির্বাচনের সময় অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ মাহমুদ, যার বিরুদ্ধে রয়েছে সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগ। তদন্ত কমিটি তার সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি নির্বাচন নিয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
তবে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই তিনি তার ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে বিসিবিতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। পোস্টে আসিফ লিখেছেন, “অবৈধভাবে বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়ায় আইসিসি যেন কোন ব্যবস্থা না নেয় তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একজন স্বনামধন্য ক্রিকেটার লবিংয়ে ব্যস্ত। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি তিনি সাবেক বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে লন্ডনে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি আইসিসি প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ পুত্র জয় শাহের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিতে নাজমুল হাসান পাপনকে অনুরোধ জানান।”
তবে পোস্টে আসিফ কারও নাম উল্লেখ না করায় এটা স্পষ্ট নয়, তিনি ঠিক কাকে উদ্দেশ্য করতে চেয়েছেন। তবে তার আশঙ্কা, সব পক্ষ মিলেই হয়ত বিসিবিকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে। পোস্টে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আবারও পার্শ্ববর্তী দেশ এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের অন্তর্ভুক্তির পাঁয়তারার খবর শুনে মনে হলো দেশবাসীর এসব জানা থাকা উচিৎ। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সরকার কি এসব বিষয়ে অবগত? নাকি সকলে মিলেই করছেন সবকিছু।”
আসিফের বক্তব্য নিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই গোলকিপার বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদনটি তিনি আইসিসির কাছে পাঠাবেন। এরপর আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে বিসিবির বর্তমান বোর্ড নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি)। শনিবার সবশেষ বোর্ড সভার দিনই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন চার পরিচালক। সবমিলিয়ে বিসিবি থেকে এ পর্যন্ত সরে দাঁড়িয়েছেন সাত পরিচালক।
বিসিবির সভা চলাকালীনই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে যান পরিচালক ফায়াজুর রহমান। আর সভা শেষে হতেই পদত্যাগ করেন শাহনিয়ান তানিম ও মেহেরাব আলম। আর সবশেষ এই তালিকায় যুক্ত হন মঞ্জুরুল আলম। এর মধ্য দিয়ে বর্তমানে পরিচালকের সংখ্যা নেমে এসেছে ১৮ জনে।
বিসিবির কয়েকটি সূত্রের খবর, খুব দ্রুতই পদত্যাগ করতে পারেন আরও কয়েকজন পরিচালক।
এই অচলাবস্থার মধ্যেই গতকাল রোববার বিসিবির সবশেষ নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন শেষ করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পাঁচ সদ্যসের তদন্ত কমিটি। সেই প্রতিবেদন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।
বিসিবির সেই নির্বাচনের সময় অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ মাহমুদ, যার বিরুদ্ধে রয়েছে সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগ। তদন্ত কমিটি তার সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি নির্বাচন নিয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
তবে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই তিনি তার ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে বিসিবিতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। পোস্টে আসিফ লিখেছেন, “অবৈধভাবে বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়ায় আইসিসি যেন কোন ব্যবস্থা না নেয় তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একজন স্বনামধন্য ক্রিকেটার লবিংয়ে ব্যস্ত। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি তিনি সাবেক বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে লন্ডনে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি আইসিসি প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ পুত্র জয় শাহের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিতে নাজমুল হাসান পাপনকে অনুরোধ জানান।”
তবে পোস্টে আসিফ কারও নাম উল্লেখ না করায় এটা স্পষ্ট নয়, তিনি ঠিক কাকে উদ্দেশ্য করতে চেয়েছেন। তবে তার আশঙ্কা, সব পক্ষ মিলেই হয়ত বিসিবিকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে। পোস্টে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আবারও পার্শ্ববর্তী দেশ এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের অন্তর্ভুক্তির পাঁয়তারার খবর শুনে মনে হলো দেশবাসীর এসব জানা থাকা উচিৎ। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সরকার কি এসব বিষয়ে অবগত? নাকি সকলে মিলেই করছেন সবকিছু।”
আসিফের বক্তব্য নিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই গোলকিপার বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদনটি তিনি আইসিসির কাছে পাঠাবেন। এরপর আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে বিসিবির বর্তমান বোর্ড নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।