চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি কারখানায় মেশিনের আঘাতে মো. মিরাজ (১৯) নামে এক শ্রমিক মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মিরাজ কামরাঙ্গীরচরের সিটি ফ্লাইউড কারখানায় কাজ করতেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে রাত ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মিরাজকে হাসপাতালে নিয়ে আসা কারখানার সুপারভাইজার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, রাতে কাজ করার সময় হঠাৎ মেশিনের বোর্ডের আঘাতে গুরুতর আহত হন মিরাজ। পরে দ্রুত তাকে ঢামেকে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আব্দুল মান্নান আরও জানান, মিরাজ প্রায় সাত বছর ওই কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার আমুয়া গ্রামে। তিনি মো. শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মিরাজের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি কারখানায় মেশিনের আঘাতে মো. মিরাজ (১৯) নামে এক শ্রমিক মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মিরাজ কামরাঙ্গীরচরের সিটি ফ্লাইউড কারখানায় কাজ করতেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে রাত ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মিরাজকে হাসপাতালে নিয়ে আসা কারখানার সুপারভাইজার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, রাতে কাজ করার সময় হঠাৎ মেশিনের বোর্ডের আঘাতে গুরুতর আহত হন মিরাজ। পরে দ্রুত তাকে ঢামেকে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আব্দুল মান্নান আরও জানান, মিরাজ প্রায় সাত বছর ওই কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার আমুয়া গ্রামে। তিনি মো. শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মিরাজের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।