চরচা প্রতিবেদক

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলের জয়ে আবারও সব আলো কেড়ে নিয়েছেন মেসি। করেছেন জোড়া গোল। এর মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে গেছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার। এটি ছাড়াও দুর্দান্ত এক ম্যাচে কিংবদন্তি এই ফুটবলার গড়েছেন আরও বেশ কিছু রেকর্ড।
চরচার পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হল:
১৮
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হয়েছেন লিওনেল মেসি। পেছনে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। পুরুষ ও নারীদের বিশ্বকাপ মিলিয়েও এখন মেসিই সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক। নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ গোলদাতা ব্রাজিলের মার্তা (১৭ গোল)।
১
প্রথমার্ধেই একটি পেনাল্টি মিস করেন মেসি। তবে খানিক বাদেই গোল করেন তিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে পেনাল্টি মিস করার পর এই প্রথম গোলের দেখা পেয়েছেন মেসি।
২
২০১৪ সালে ৪ গোল করা মেসি ২০২২ বিশ্বকাপে ৭ গোল করার পর এবারের বিশ্বকাপেও এরই মধ্যে ৪ বা তার বেশি (৫) গোল করে ফেলেছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন আসরে ৪ বার তার বেশি গোল করা মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার তিনি। এর আগে এই কীর্তি ছিল শুধুই ক্লোসার।
৩
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মেসি গোল করেছেন ৩৮ বছর ৩৬৪ দিন বয়সে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের তৃতীয় বয়স্ক গোলদাতা হিসেবে নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেছেন মেসি। তার সামনে আছেন কেবল ক্যামেরুনের রজার মিলা এবং পর্তুগালের পেপে।
৩
গত বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচেই জালের দেখা পেয়েছিলেন মেসি। এর আবার টানা দুই ম্যাচে। বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে গোল করে ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় খেলোয়াড় হয়ে গেছেন সাবেক বার্সেলোনা তারকা। তার আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতে (১৯৫৮) এবং ব্রাজিলের জর্জিনিয়ো (১৯৭০)।
৭-৮
কাতার বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে আর্জেন্টিনার শেষ ৮টি গোলের মধ্যে ৭টিই এসেছে মেসির কাছ থেকে।
৮-৯
বিশ্বকাপে নিজের শেষ ৯টি ম্যাচের ৮টিতেই গোল বা অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। এই সময়ে তার কাছ থেকে এসেছে ১২ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট।
৯-১৮
বিশ্বকাপে মেসির ১৮ গোলের মধ্যে ৯টি অ্যাসিস্টই এসেছে ৯ জন ভিন্ন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তার প্রথম গোলের অ্যাসিস্ট করেন ফাকুন্দো মেদিনা, যা জাতীয় দলের জার্সিতে তার প্রথম অ্যাসিস্টও।
৯-২-১
বিশ্বকাপে মেসির গোল করা ১২ ম্যাচের ৯টিতে জিতেছে আর্জেন্টিনা। ২টি হয়েছে ড্র। একমাত্র হারটি এসেছিল ২০২২ সালে, সৌদি আরবের বিপক্ষে।
৪২
আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ছিল মেসির ২০১তম ম্যাচ এবং ১২২তম গোল। অস্ট্রিয়া আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৪২তম দল, যাদের বিপক্ষে গোল করেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
৭-৩
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৭টি পেনাল্টি নিয়েছেন মেসি। বিস্ময়করভাবে সবচেয়ে বেশি (৩টি) পেনাল্টি মিসও করেছেন তিনিই।
১২
৩৫ বছর বয়সে পা দেওয়ার পর থেকে বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ১২-তে। তার পেছনে আছেন এমন অনেক কিংবদন্তি ফুটবলার, যারা নিজেদের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারেই করেছেন এরচেয়ে কম গোল। এই তালিকায় আছেন হ্যারি কেইন (১০), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (৮), ডিয়াগো ম্যারাডোনা (৮), রিভালদো (৮), নেইমার (৮) এবং থিয়েরি হেনরি (৬)।
৫৭%
বিশ্বকাপে পেনাল্টি থেকে মেসির সফলতার হার মাত্র ৫৭ শতাংশ। ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবল মিলিয়ে সব প্রতিযোগিতায় পেনাল্টি মিসের দিক থেকে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলের জয়ে আবারও সব আলো কেড়ে নিয়েছেন মেসি। করেছেন জোড়া গোল। এর মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে গেছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার। এটি ছাড়াও দুর্দান্ত এক ম্যাচে কিংবদন্তি এই ফুটবলার গড়েছেন আরও বেশ কিছু রেকর্ড।
চরচার পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হল:
১৮
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হয়েছেন লিওনেল মেসি। পেছনে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। পুরুষ ও নারীদের বিশ্বকাপ মিলিয়েও এখন মেসিই সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক। নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ গোলদাতা ব্রাজিলের মার্তা (১৭ গোল)।
১
প্রথমার্ধেই একটি পেনাল্টি মিস করেন মেসি। তবে খানিক বাদেই গোল করেন তিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে পেনাল্টি মিস করার পর এই প্রথম গোলের দেখা পেয়েছেন মেসি।
২
২০১৪ সালে ৪ গোল করা মেসি ২০২২ বিশ্বকাপে ৭ গোল করার পর এবারের বিশ্বকাপেও এরই মধ্যে ৪ বা তার বেশি (৫) গোল করে ফেলেছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন আসরে ৪ বার তার বেশি গোল করা মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার তিনি। এর আগে এই কীর্তি ছিল শুধুই ক্লোসার।
৩
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মেসি গোল করেছেন ৩৮ বছর ৩৬৪ দিন বয়সে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের তৃতীয় বয়স্ক গোলদাতা হিসেবে নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেছেন মেসি। তার সামনে আছেন কেবল ক্যামেরুনের রজার মিলা এবং পর্তুগালের পেপে।
৩
গত বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচেই জালের দেখা পেয়েছিলেন মেসি। এর আবার টানা দুই ম্যাচে। বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে গোল করে ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় খেলোয়াড় হয়ে গেছেন সাবেক বার্সেলোনা তারকা। তার আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতে (১৯৫৮) এবং ব্রাজিলের জর্জিনিয়ো (১৯৭০)।
৭-৮
কাতার বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে আর্জেন্টিনার শেষ ৮টি গোলের মধ্যে ৭টিই এসেছে মেসির কাছ থেকে।
৮-৯
বিশ্বকাপে নিজের শেষ ৯টি ম্যাচের ৮টিতেই গোল বা অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। এই সময়ে তার কাছ থেকে এসেছে ১২ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট।
৯-১৮
বিশ্বকাপে মেসির ১৮ গোলের মধ্যে ৯টি অ্যাসিস্টই এসেছে ৯ জন ভিন্ন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তার প্রথম গোলের অ্যাসিস্ট করেন ফাকুন্দো মেদিনা, যা জাতীয় দলের জার্সিতে তার প্রথম অ্যাসিস্টও।
৯-২-১
বিশ্বকাপে মেসির গোল করা ১২ ম্যাচের ৯টিতে জিতেছে আর্জেন্টিনা। ২টি হয়েছে ড্র। একমাত্র হারটি এসেছিল ২০২২ সালে, সৌদি আরবের বিপক্ষে।
৪২
আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ছিল মেসির ২০১তম ম্যাচ এবং ১২২তম গোল। অস্ট্রিয়া আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৪২তম দল, যাদের বিপক্ষে গোল করেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
৭-৩
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৭টি পেনাল্টি নিয়েছেন মেসি। বিস্ময়করভাবে সবচেয়ে বেশি (৩টি) পেনাল্টি মিসও করেছেন তিনিই।
১২
৩৫ বছর বয়সে পা দেওয়ার পর থেকে বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ১২-তে। তার পেছনে আছেন এমন অনেক কিংবদন্তি ফুটবলার, যারা নিজেদের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারেই করেছেন এরচেয়ে কম গোল। এই তালিকায় আছেন হ্যারি কেইন (১০), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (৮), ডিয়াগো ম্যারাডোনা (৮), রিভালদো (৮), নেইমার (৮) এবং থিয়েরি হেনরি (৬)।
৫৭%
বিশ্বকাপে পেনাল্টি থেকে মেসির সফলতার হার মাত্র ৫৭ শতাংশ। ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবল মিলিয়ে সব প্রতিযোগিতায় পেনাল্টি মিসের দিক থেকে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।