চরচা প্রতিবেদক

কক্সবাজারে পাতলী খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার এক দিনের সফরে কক্সবাজারে গিয়ে এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন সরকারপ্রধান।
সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে কক্সবাজারের সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। খাল খনন শেষে পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে গর্জন গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। বৃষ্টির মধ্যে সেখান থেকে সড়ক পথে পিএমখালীতে যান তিনি। বৃষ্টির মধ্যেই পাতালী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পিএমখালীতে গিয়ে পাতলী খাল খনন কাজের সূচনা করেছিলেন।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, “এই খালটি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব উদ্বোধন করেছিলেন। প্রেসিডেন্টের এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ ও বৈপ্লবিক কৃষি বিপ্লব দেখতে সে সময় বাংলাদেশে ছুটে এসেছিলেন বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট ম্যাকনামারা, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র, ভুটানের রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুক এবং শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সিরিমাভো বন্দরনায়েকে।”
এদিকে, বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল সরকার গঠনের পর সারা দেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে।
পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছরে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। প্রথম ধাপে দেড় কোটি চারা ৪৯ জেলার ১৪৯ উপজেলায় রোপণ করা হবে।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভা, সন্ধ্যায় সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখবেন। প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী নতুন উপজেলার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন।

কক্সবাজারে পাতলী খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার এক দিনের সফরে কক্সবাজারে গিয়ে এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন সরকারপ্রধান।
সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে কক্সবাজারের সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। খাল খনন শেষে পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে গর্জন গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। বৃষ্টির মধ্যে সেখান থেকে সড়ক পথে পিএমখালীতে যান তিনি। বৃষ্টির মধ্যেই পাতালী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পিএমখালীতে গিয়ে পাতলী খাল খনন কাজের সূচনা করেছিলেন।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, “এই খালটি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব উদ্বোধন করেছিলেন। প্রেসিডেন্টের এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ ও বৈপ্লবিক কৃষি বিপ্লব দেখতে সে সময় বাংলাদেশে ছুটে এসেছিলেন বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট ম্যাকনামারা, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র, ভুটানের রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুক এবং শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সিরিমাভো বন্দরনায়েকে।”
এদিকে, বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল সরকার গঠনের পর সারা দেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে।
পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছরে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। প্রথম ধাপে দেড় কোটি চারা ৪৯ জেলার ১৪৯ উপজেলায় রোপণ করা হবে।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভা, সন্ধ্যায় সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখবেন। প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী নতুন উপজেলার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন।