চরচা ডেস্ক

বর্তমানে বিবাহ বিচ্ছেদ একটি সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তো বটেই, পরিচিত মহলেও হর-হামেশা শোনা যায় বিবাহিত জীবনের ইতি টানার গল্প। সম্প্রতি ইন্টারনেট দুনিয়ায় আবার এ নিয়ে একটি টার্ম বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, সেটি হলো ‘এমটি নেস্ট ডিভোর্স’।
আমেরিকার বিহেভিওয়ার হেলথের ক্লিনিকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্তানরা বড় হয়ে উচ্চশিক্ষা, চাকরি বা স্বতন্ত্র জীবনের জন্য ঘর ছাড়ার পর দম্পতিদের বিচ্ছেদের যে প্রবণতা দেখা যায়, তাকে বলা হয় ‘এম্পটি নেস্ট ডিভোর্স’। সন্তানদের বাড়ির বাইরে যাওয়ার পরে কিছু দম্পতির মধ্যে বিচ্ছেদের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তানদের অনুপস্থিতিতে দম্পতিরা নিজেদের সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করতে শুরু করেন। দীর্ঘদিন সন্তান পালনে ব্যস্ত থাকার পর হঠাৎ করে একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে পারস্পরিক সামঞ্জস্য ও অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।
এছাড়া, সন্তান লালন-পালনেই জীবন ঘুরপাক খাওয়ার কারণে অনেক দম্পতির ব্যক্তিগত আগ্রহ, লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার ভিন্ন দিকে বিকশিত হয়। ফলে সন্তানরা বাড়ি ছাড়ার পর সেই পার্থক্যগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অনেক বাবা-মা এই সময়কে নিজেদের ব্যক্তিসত্তা পুনরায় আবিষ্কারের সুযোগ হিসেবে নেন, যা কখনও কখনও বৈবাহিক সম্পর্কের সঙ্গে নতুন করে সামঞ্জস্যের প্রশ্ন তোলে।
দীর্ঘ সময় সম্পর্কের চেয়ে অভিভাবকত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ফলে দম্পতিদের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতিও তৈরি হতে পারে। সন্তানরা চলে যাওয়ার পর আবেগগত দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে মিডলাইফ ক্রাইসিসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা জীবনে বড় পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি করতে পারে।
এছাড়া ‘এম্পটি নেস্ট সিনড্রোম’ থেকে তৈরি হওয়া একাকিত্ব ও বিষণ্নতাও সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সন্তানদের কেন্দ্র করে যে বন্ধন তৈরি হয়েছিল, তা শিথিল হলে কিছু দম্পতি নতুন করে মিল খুঁজে পেতে হিমশিম খান। সন্তানদের লালন-পালনের সময় চাপা পড়ে থাকা সম্পর্কের সমস্যাগুলোও এ সময় সামনে চলে আসে।
তবে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, এই পর্যায় সব দম্পতির জন্য বিচ্ছেদের কারণ হয়ে ওঠে না। অনেকেই খোলামেলা যোগাযোগ, একে অপরকে সমর্থন এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হন। প্রয়োজনে পেশাদার কাউন্সেলিং বা থেরাপির সহায়তা নেওয়াও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বর্তমানে বিবাহ বিচ্ছেদ একটি সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তো বটেই, পরিচিত মহলেও হর-হামেশা শোনা যায় বিবাহিত জীবনের ইতি টানার গল্প। সম্প্রতি ইন্টারনেট দুনিয়ায় আবার এ নিয়ে একটি টার্ম বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, সেটি হলো ‘এমটি নেস্ট ডিভোর্স’।
আমেরিকার বিহেভিওয়ার হেলথের ক্লিনিকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্তানরা বড় হয়ে উচ্চশিক্ষা, চাকরি বা স্বতন্ত্র জীবনের জন্য ঘর ছাড়ার পর দম্পতিদের বিচ্ছেদের যে প্রবণতা দেখা যায়, তাকে বলা হয় ‘এম্পটি নেস্ট ডিভোর্স’। সন্তানদের বাড়ির বাইরে যাওয়ার পরে কিছু দম্পতির মধ্যে বিচ্ছেদের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তানদের অনুপস্থিতিতে দম্পতিরা নিজেদের সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করতে শুরু করেন। দীর্ঘদিন সন্তান পালনে ব্যস্ত থাকার পর হঠাৎ করে একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে পারস্পরিক সামঞ্জস্য ও অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।
এছাড়া, সন্তান লালন-পালনেই জীবন ঘুরপাক খাওয়ার কারণে অনেক দম্পতির ব্যক্তিগত আগ্রহ, লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার ভিন্ন দিকে বিকশিত হয়। ফলে সন্তানরা বাড়ি ছাড়ার পর সেই পার্থক্যগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অনেক বাবা-মা এই সময়কে নিজেদের ব্যক্তিসত্তা পুনরায় আবিষ্কারের সুযোগ হিসেবে নেন, যা কখনও কখনও বৈবাহিক সম্পর্কের সঙ্গে নতুন করে সামঞ্জস্যের প্রশ্ন তোলে।
দীর্ঘ সময় সম্পর্কের চেয়ে অভিভাবকত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ফলে দম্পতিদের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতিও তৈরি হতে পারে। সন্তানরা চলে যাওয়ার পর আবেগগত দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে মিডলাইফ ক্রাইসিসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা জীবনে বড় পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি করতে পারে।
এছাড়া ‘এম্পটি নেস্ট সিনড্রোম’ থেকে তৈরি হওয়া একাকিত্ব ও বিষণ্নতাও সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সন্তানদের কেন্দ্র করে যে বন্ধন তৈরি হয়েছিল, তা শিথিল হলে কিছু দম্পতি নতুন করে মিল খুঁজে পেতে হিমশিম খান। সন্তানদের লালন-পালনের সময় চাপা পড়ে থাকা সম্পর্কের সমস্যাগুলোও এ সময় সামনে চলে আসে।
তবে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, এই পর্যায় সব দম্পতির জন্য বিচ্ছেদের কারণ হয়ে ওঠে না। অনেকেই খোলামেলা যোগাযোগ, একে অপরকে সমর্থন এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হন। প্রয়োজনে পেশাদার কাউন্সেলিং বা থেরাপির সহায়তা নেওয়াও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন তারা।