চরচা প্রতিবেদক

দেশে শিশু সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন থাকলেও অনলাইন শিশু যৌন শোষণ প্রতিরোধে কার্যকর ও সমন্বিত কোনো নীতিমালা বা ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ নেই। ফলে প্রতিনিয়ত শিশুরা ডিজিটাল জগতে ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছে গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং টেরে দেস হোমস নেদারল্যান্ডস-এর যৌথ উদ্যোগে এক সংলাপে এই দাবি জানানো হয়।
গাজীপুর, রাজশাহী ও সাতক্ষীরা জেলায় দুই বছর ধরে পরিচালিত এক গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।
২০২৩ সালে বাংলাদেশে শিশু-সম্পর্কিত অনলাইন যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ছিল প্রায় ২৪ লাখ ৯১ হাজার। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ৫৫ শতাংশেরই বয়স মাত্র ৭ থেকে ১০ বছর। এরমধ্যে ৯২ শতাংশের ক্ষেত্রে শিশুরা নিজেদের তোলা ব্যক্তিগত ছবি থেকেই ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সংলাপে জানানো হয়, শিশু আইন ২০১৩-এ ১৮ বছর পর্যন্ত শিশু বলা হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১৬ বছর পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। যা আইনি প্রক্রিয়াকে জটিল করে তোলে। বর্তমান আইনগুলো মূলত অপরাধ ঘটার পর ব্যবস্থা নেয় কিন্তু অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল।
শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে অনুষ্ঠানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হয়। দ্রুত একটি সময়োপযোগী কোড অব কন্ডাক্ট এবং ন্যাশনাল প্ল্যান অব অ্যাকশন প্রণয়ন করার বিষয়ে বলা হয়। অন্যদিকে, ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার সময় সেফ সার্চ, ফিশিং সচেতনতা ও প্যারেন্টাল কন্ট্রোল নির্দেশিকা যুক্ত করার বিষয়েও বলা হয় সংলাপে।
এই সংকট মোকাবিলায় বিটিআরসি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সমন্বয়ে একটি জবাবদিহিতাভিত্তিক কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা।

দেশে শিশু সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন থাকলেও অনলাইন শিশু যৌন শোষণ প্রতিরোধে কার্যকর ও সমন্বিত কোনো নীতিমালা বা ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ নেই। ফলে প্রতিনিয়ত শিশুরা ডিজিটাল জগতে ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছে গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং টেরে দেস হোমস নেদারল্যান্ডস-এর যৌথ উদ্যোগে এক সংলাপে এই দাবি জানানো হয়।
গাজীপুর, রাজশাহী ও সাতক্ষীরা জেলায় দুই বছর ধরে পরিচালিত এক গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।
২০২৩ সালে বাংলাদেশে শিশু-সম্পর্কিত অনলাইন যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ছিল প্রায় ২৪ লাখ ৯১ হাজার। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ৫৫ শতাংশেরই বয়স মাত্র ৭ থেকে ১০ বছর। এরমধ্যে ৯২ শতাংশের ক্ষেত্রে শিশুরা নিজেদের তোলা ব্যক্তিগত ছবি থেকেই ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সংলাপে জানানো হয়, শিশু আইন ২০১৩-এ ১৮ বছর পর্যন্ত শিশু বলা হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১৬ বছর পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। যা আইনি প্রক্রিয়াকে জটিল করে তোলে। বর্তমান আইনগুলো মূলত অপরাধ ঘটার পর ব্যবস্থা নেয় কিন্তু অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল।
শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে অনুষ্ঠানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হয়। দ্রুত একটি সময়োপযোগী কোড অব কন্ডাক্ট এবং ন্যাশনাল প্ল্যান অব অ্যাকশন প্রণয়ন করার বিষয়ে বলা হয়। অন্যদিকে, ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার সময় সেফ সার্চ, ফিশিং সচেতনতা ও প্যারেন্টাল কন্ট্রোল নির্দেশিকা যুক্ত করার বিষয়েও বলা হয় সংলাপে।
এই সংকট মোকাবিলায় বিটিআরসি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সমন্বয়ে একটি জবাবদিহিতাভিত্তিক কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা।