চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে খতনা করাতে গিয়ে এক শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে করা মামলায় ওষুধের দোকানি খলিলুর রহমানের রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে একদিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
স্বজনদের অভিযোগ, খলিল গত ২২ মার্চ ৯ বছর বয়সী এক শিশুর খতনা করাতে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গের খানিকটা অংশ কেটে ফেলেন। এ ঘটনায় শিশুটির নানা ১০ এপ্রিল মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওইদিন সন্ধ্যায় ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এলাকায় ‘খলিল ডাক্তার’ নামে পরিচিত এ দোকানিকে পরেরদিন কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই রেজাউল করিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন সোমবার ধার্য করেন। এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এসআই মিজানুর রহমান জানান, বাদীপক্ষ থেকে রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবীরা। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থণা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২২ মার্চ সকালে শিশুটিকে খতনা করানোর জন্য ঢাকা উদ্যান এলাকার ‘খলিল মেডিকেল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। খতনার সময় চিকিৎসকের মারাত্মক অবহেলার কারণে শিশুটির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশে গুরুতর জখম হয়। অধিক রক্তক্ষরণ হওয়ায় শিশুটিকে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে খতনা করাতে গিয়ে এক শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে করা মামলায় ওষুধের দোকানি খলিলুর রহমানের রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে একদিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
স্বজনদের অভিযোগ, খলিল গত ২২ মার্চ ৯ বছর বয়সী এক শিশুর খতনা করাতে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গের খানিকটা অংশ কেটে ফেলেন। এ ঘটনায় শিশুটির নানা ১০ এপ্রিল মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওইদিন সন্ধ্যায় ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এলাকায় ‘খলিল ডাক্তার’ নামে পরিচিত এ দোকানিকে পরেরদিন কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই রেজাউল করিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন সোমবার ধার্য করেন। এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এসআই মিজানুর রহমান জানান, বাদীপক্ষ থেকে রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবীরা। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থণা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২২ মার্চ সকালে শিশুটিকে খতনা করানোর জন্য ঢাকা উদ্যান এলাকার ‘খলিল মেডিকেল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। খতনার সময় চিকিৎসকের মারাত্মক অবহেলার কারণে শিশুটির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশে গুরুতর জখম হয়। অধিক রক্তক্ষরণ হওয়ায় শিশুটিকে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।