চরচা প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা ঘাটে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ কাউসার (৩০) নামে আরোও এক যুবক মারা গেছেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট তিনজন মারা গেল।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান আজ সোমবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান,আজ ভোরের দিকে কাউসার শরীরে ৬০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
শাওন বিন রহমান আরও জানান, গত বুধবার (১৩ মে) দুপুর পৌনে ২টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ১২ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শংকর শরীরে ৪৬ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই ঘটনায় শনিবার ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যান আমির। দগ্ধের পরিমাণ কম থাকায় ৬ জনকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাকি তিনজনের জাতীয় বার্নে চিকিৎসা চলছে।
গত বুধবার দুপুরে সোনারগাঁওয়ের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যান্টিনে দুপুরে খাবার সময় গ্যাস লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ হয়।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা ঘাটে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ কাউসার (৩০) নামে আরোও এক যুবক মারা গেছেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট তিনজন মারা গেল।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান আজ সোমবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান,আজ ভোরের দিকে কাউসার শরীরে ৬০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
শাওন বিন রহমান আরও জানান, গত বুধবার (১৩ মে) দুপুর পৌনে ২টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ১২ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শংকর শরীরে ৪৬ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই ঘটনায় শনিবার ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যান আমির। দগ্ধের পরিমাণ কম থাকায় ৬ জনকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাকি তিনজনের জাতীয় বার্নে চিকিৎসা চলছে।
গত বুধবার দুপুরে সোনারগাঁওয়ের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যান্টিনে দুপুরে খাবার সময় গ্যাস লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ হয়।