চরচা প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বেশ কিছু শর্তে এখনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ। অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তিতে আরও ১৫-৩০ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
আইএমএফ-বিশ্ব ব্যাংকের বসন্তকালীন সভায় অংশগ্রহণ শেষে আজ রোববার দেশে ফিরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় তিনি এসব তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, শর্তে ঐক্যমত্য না হলে ঋণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার—তবে কোনো অবস্থাতেই জনগণের স্বার্থবিরোধী কিছু করা হবে না।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আওয়ামী সরকারের সময়ে আর্থিক সংকট সামাল দিতে ২০২২ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের সঙ্গে ঋণ আলোচনা শুরু করে বাংলাদেশ। কয়েক দফা আলোচনার পর ২০২৩ সালের শুরুতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের জুনে এই ঋণের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করে।”
মন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে পাঁচ কিস্তিতে ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। এখনও বাকি আছে ১৮৬ কোটি ডলার। ষষ্ঠ কিস্তিসহ অবশিষ্ট অর্থ ছাড় হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। তবে আইএমএফ জানিয়ে ছিল, নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী অর্থ ছাড় করা হবে। এদিকে ব্যাংকিং খাত, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও সামগ্রিক আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে আইএমএফের শর্ত নতুন করে আলোচনায় আসে।
এরই মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে আলোচনা হয় ঋণ ছাড়ের বিষয়ে। তবে কবে ঋণ ছাড় হবে তা স্পষ্ট হয়নি এখনও।
অর্থমন্ত্রী জানান, আইএমএফের সঙ্গে বেশ কিছু শর্তে এখনো ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি। তবর ঐক্যমত্যে না পৌছালে ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিবে। সরকার জনগণের স্বার্থ বিরোধি কিছু করবে না বলে সাফ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট করেন অর্থমন্ত্রী। বলেন সারা দুনিয়া তেলের দাম বাড়িয়েছে কিন্তু সরকার জনগনের কথা চিন্তা করে এতোদিন দাম বাড়ায়নি। তেলের দাম বাড়ানোর ফলে মূল্যস্ফীতি নাও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, আইডিবিসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে চায় বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিগগিরই তাদের প্রতিনিধিরা দেশে আসবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বেশ কিছু শর্তে এখনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ। অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তিতে আরও ১৫-৩০ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
আইএমএফ-বিশ্ব ব্যাংকের বসন্তকালীন সভায় অংশগ্রহণ শেষে আজ রোববার দেশে ফিরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় তিনি এসব তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, শর্তে ঐক্যমত্য না হলে ঋণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার—তবে কোনো অবস্থাতেই জনগণের স্বার্থবিরোধী কিছু করা হবে না।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আওয়ামী সরকারের সময়ে আর্থিক সংকট সামাল দিতে ২০২২ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের সঙ্গে ঋণ আলোচনা শুরু করে বাংলাদেশ। কয়েক দফা আলোচনার পর ২০২৩ সালের শুরুতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের জুনে এই ঋণের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করে।”
মন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে পাঁচ কিস্তিতে ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। এখনও বাকি আছে ১৮৬ কোটি ডলার। ষষ্ঠ কিস্তিসহ অবশিষ্ট অর্থ ছাড় হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। তবে আইএমএফ জানিয়ে ছিল, নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী অর্থ ছাড় করা হবে। এদিকে ব্যাংকিং খাত, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও সামগ্রিক আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে আইএমএফের শর্ত নতুন করে আলোচনায় আসে।
এরই মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে আলোচনা হয় ঋণ ছাড়ের বিষয়ে। তবে কবে ঋণ ছাড় হবে তা স্পষ্ট হয়নি এখনও।
অর্থমন্ত্রী জানান, আইএমএফের সঙ্গে বেশ কিছু শর্তে এখনো ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি। তবর ঐক্যমত্যে না পৌছালে ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিবে। সরকার জনগণের স্বার্থ বিরোধি কিছু করবে না বলে সাফ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট করেন অর্থমন্ত্রী। বলেন সারা দুনিয়া তেলের দাম বাড়িয়েছে কিন্তু সরকার জনগনের কথা চিন্তা করে এতোদিন দাম বাড়ায়নি। তেলের দাম বাড়ানোর ফলে মূল্যস্ফীতি নাও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, আইডিবিসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে চায় বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিগগিরই তাদের প্রতিনিধিরা দেশে আসবে।