চরচা ডেস্ক

ব্রাজিল মাঠে নামল, বিশ্বকাপও ‘শুরু হলো’। কিন্তু ব্রাজিল সমর্থকদের মন ভরল না। নিউজার্সিতে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ‘বড় ম্যাচ’ জিততে পারেনি ব্রাজিল। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচটিতে উল্টো ভিনিসিয়ুসকে আলাদাভাবেই অভিনন্দিত করতে পারেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার গোলেই যে মানরক্ষা হয়েছে ‘সেলেসাও’দের। ২১ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ভিনির ৩৪ মিনিটের গোলেই সমতায় ফিরেছিল ব্রাজিল। শেষপর্যন্ত ম্যাচের স্কোরলাইন ১–১!
প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুসের গোলটি ছাড়া ব্রাজিলের খেলায় বলার মতো কিছুই নেই। ছন্নছাড়া ফুটবল; মরক্কোর গতিময় ‘ফ্লুইড’ পারফরম্যান্সে বারবার খেই হারিয়েছে ব্রাজিলের মধ্যমাঠ। কাসেমিরো আর রজার ইবানিজকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ২১ মিনিটে রক্ষণের ভুলের সুযোগে গোল করে মরক্কোকে ১–০ গোলে এগিয়ে দিয়েছিলেন ইসমাইল সাইবারি। গোলটির জন্য লুকাস পাকেতাকে দায়ী করা যায় খুব ভালোভাবেই।

ব্রাজিলের ছন্নছাড়া মধ্যমাঠের সুযোগ নিতে পারেনি মরক্কোও। আক্রমণে উঠেছে বারবার। ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিটে গোলে ১০টিরও বেশি শট নিয়েছে মরক্কো। ব্রাজিল গোল খাওয়ার পর যেন আরও বেশি জড়তায় ভুগেছে। তবে ৩৪ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জাদুই দেখান। বাঁ প্রান্ত থেকে ব্রুনো গিমারেনের পাস থেকে বল নিয়ে কাট–ইন করে মরক্কোর এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস।
নিজের ৫০তম ম্যাচে গোল করে দেশের হার এড়ালেন ভিনি। তবে ম্যাচে রাফিনিয়ার পারফরম্যান্স হতাশা বাড়াতে পারে ব্রাজিল সমর্থকদের। ইগল থিয়াগোও খুব একটা ভালো করেননি। শুরুর দিকে একটি কর্নার থেকে হেডের গোলের সুযোগ হারান থিয়াগো।
মোটকথা হেক্সা জয়ের মিশনে নিতান্তই সাদামাটা ব্রাজিল। মরক্কো শুরুর দিনই জানিয়ে দিল এবারের বিশ্বকাপে গতবারের সেমিফাইনালিস্টদের নিয়ে বাজি ধরা যায় অনায়াসেই। আলাদাভাবে চোখে পড়েছে আইয়ূব বোয়াদ্দিকে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের না হারার ৯২ বছরের রেকর্ডটি অক্ষুন্ন রইল। এর আগে একমাত্র সুইজারল্যান্ডই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্রাজিলের বিপক্ষে অপরাজিত ছিল। মরক্কো সেই রেকর্ডে ভাগ বসাল। তবে এ ম্যাচে মরক্কোর যে পারফরম্যান্স তাতে ম্যাচটি তারা জিততেই পারত। খুব সম্ভবত মরক্কো হারতে চায়নি বলেই হয়তো জেতার চেষ্টাটা সেভাবে করেনি।

ব্রাজিল মাঠে নামল, বিশ্বকাপও ‘শুরু হলো’। কিন্তু ব্রাজিল সমর্থকদের মন ভরল না। নিউজার্সিতে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ‘বড় ম্যাচ’ জিততে পারেনি ব্রাজিল। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচটিতে উল্টো ভিনিসিয়ুসকে আলাদাভাবেই অভিনন্দিত করতে পারেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার গোলেই যে মানরক্ষা হয়েছে ‘সেলেসাও’দের। ২১ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ভিনির ৩৪ মিনিটের গোলেই সমতায় ফিরেছিল ব্রাজিল। শেষপর্যন্ত ম্যাচের স্কোরলাইন ১–১!
প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুসের গোলটি ছাড়া ব্রাজিলের খেলায় বলার মতো কিছুই নেই। ছন্নছাড়া ফুটবল; মরক্কোর গতিময় ‘ফ্লুইড’ পারফরম্যান্সে বারবার খেই হারিয়েছে ব্রাজিলের মধ্যমাঠ। কাসেমিরো আর রজার ইবানিজকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ২১ মিনিটে রক্ষণের ভুলের সুযোগে গোল করে মরক্কোকে ১–০ গোলে এগিয়ে দিয়েছিলেন ইসমাইল সাইবারি। গোলটির জন্য লুকাস পাকেতাকে দায়ী করা যায় খুব ভালোভাবেই।

ব্রাজিলের ছন্নছাড়া মধ্যমাঠের সুযোগ নিতে পারেনি মরক্কোও। আক্রমণে উঠেছে বারবার। ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিটে গোলে ১০টিরও বেশি শট নিয়েছে মরক্কো। ব্রাজিল গোল খাওয়ার পর যেন আরও বেশি জড়তায় ভুগেছে। তবে ৩৪ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জাদুই দেখান। বাঁ প্রান্ত থেকে ব্রুনো গিমারেনের পাস থেকে বল নিয়ে কাট–ইন করে মরক্কোর এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস।
নিজের ৫০তম ম্যাচে গোল করে দেশের হার এড়ালেন ভিনি। তবে ম্যাচে রাফিনিয়ার পারফরম্যান্স হতাশা বাড়াতে পারে ব্রাজিল সমর্থকদের। ইগল থিয়াগোও খুব একটা ভালো করেননি। শুরুর দিকে একটি কর্নার থেকে হেডের গোলের সুযোগ হারান থিয়াগো।
মোটকথা হেক্সা জয়ের মিশনে নিতান্তই সাদামাটা ব্রাজিল। মরক্কো শুরুর দিনই জানিয়ে দিল এবারের বিশ্বকাপে গতবারের সেমিফাইনালিস্টদের নিয়ে বাজি ধরা যায় অনায়াসেই। আলাদাভাবে চোখে পড়েছে আইয়ূব বোয়াদ্দিকে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের না হারার ৯২ বছরের রেকর্ডটি অক্ষুন্ন রইল। এর আগে একমাত্র সুইজারল্যান্ডই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্রাজিলের বিপক্ষে অপরাজিত ছিল। মরক্কো সেই রেকর্ডে ভাগ বসাল। তবে এ ম্যাচে মরক্কোর যে পারফরম্যান্স তাতে ম্যাচটি তারা জিততেই পারত। খুব সম্ভবত মরক্কো হারতে চায়নি বলেই হয়তো জেতার চেষ্টাটা সেভাবে করেনি।