চরচা প্রতিবেদক

এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়া। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে থাকা এই দলটির বিপক্ষে ম্যাচকে ঘিরে বাড়তি সতর্কতার কথা জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার কোচ রি সং হো। চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স দেখে দলটি সম্পর্কে নতুন করে ধারণা পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে রি সং হো বলেন, “চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ দলটাকে আমরা যেমন মনে করেছিলাম, তারা তার চেয়েও অনেক ভালো। বাংলাদেশের আক্রমণভাগ খুব গতিময় । খেলোয়াড়েরা আক্রমণের সময় খুব দ্রুত জায়গা বদল করে ফেলে। সে কারণে আমাদের রক্ষণকে খুব সতর্ক থাকতে হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে।”
চীনের বিপক্ষে ম্যাচটি ঋতুপর্না, আফঈদা, মনিকা ও মারিয়াদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। সেই ম্যাচের লড়াকু মানসিকতার কিছুটাও যদি উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে দেখা যায়, সেটাকেই বড় অর্জন হিসেবে ধরা হবে।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩–০ গোলে হারিয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। গ্রুপে চীনের সঙ্গে তাদের পয়েন্ট সমান হলেও গোল ব্যবধানে শীর্ষে আছে তারা। ওই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন মিওং ইউ জং, যদিও তিন গোলের মধ্যে দুটি আসে পেনাল্টি থেকে।
এশিয়ান কাপে উত্তর কোরিয়া তিনবারের চ্যাম্পিয়ন। সর্বশেষ তারা শিরোপা জিতেছিল ২০০৮ সালে। এবারের আসরে বাছাইপর্ব পেরিয়ে মূল পর্বে এসেছে দলটি। বাছাইপর্বে তারা ফিলিপাইন ও তাজিকিস্তানকে ১০-০ গোলে এবং মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে।
সব মিলিয়ে উত্তর কোরিয়া নিজেদের শেষ ১১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি জয় এবং একটি ড্র রয়েছে।

এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়া। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে থাকা এই দলটির বিপক্ষে ম্যাচকে ঘিরে বাড়তি সতর্কতার কথা জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার কোচ রি সং হো। চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স দেখে দলটি সম্পর্কে নতুন করে ধারণা পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে রি সং হো বলেন, “চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ দলটাকে আমরা যেমন মনে করেছিলাম, তারা তার চেয়েও অনেক ভালো। বাংলাদেশের আক্রমণভাগ খুব গতিময় । খেলোয়াড়েরা আক্রমণের সময় খুব দ্রুত জায়গা বদল করে ফেলে। সে কারণে আমাদের রক্ষণকে খুব সতর্ক থাকতে হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে।”
চীনের বিপক্ষে ম্যাচটি ঋতুপর্না, আফঈদা, মনিকা ও মারিয়াদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। সেই ম্যাচের লড়াকু মানসিকতার কিছুটাও যদি উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে দেখা যায়, সেটাকেই বড় অর্জন হিসেবে ধরা হবে।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩–০ গোলে হারিয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। গ্রুপে চীনের সঙ্গে তাদের পয়েন্ট সমান হলেও গোল ব্যবধানে শীর্ষে আছে তারা। ওই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন মিওং ইউ জং, যদিও তিন গোলের মধ্যে দুটি আসে পেনাল্টি থেকে।
এশিয়ান কাপে উত্তর কোরিয়া তিনবারের চ্যাম্পিয়ন। সর্বশেষ তারা শিরোপা জিতেছিল ২০০৮ সালে। এবারের আসরে বাছাইপর্ব পেরিয়ে মূল পর্বে এসেছে দলটি। বাছাইপর্বে তারা ফিলিপাইন ও তাজিকিস্তানকে ১০-০ গোলে এবং মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে।
সব মিলিয়ে উত্তর কোরিয়া নিজেদের শেষ ১১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি জয় এবং একটি ড্র রয়েছে।