চরচা ডেস্ক

খুলনায় ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদের ভেতরে ঢুকে মুসল্লিকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আজ রোববার ভোরের দিকে নগরের দৌলতপুর থানার পশ্চিম কাশীপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ খবর জানিয়েছে।
গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিরা হলেন– উত্তর কাশীপুর এলাকার লোকমান হাকিম (৫৫) ও আলম শেখ (৫৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফজরের নামাজ চলাকালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে ঢুকে লোকমান হাকিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় তার পাশে থাকা আলম শেখও গুলিবিদ্ধ হন। হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
গুলির শব্দ শুনে অন্য মুসল্লি ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তারা আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লোকমান হাকিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে জরুরি ভিত্তিতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
ঘটনার পরপরই খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।
খুলনা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (দৌলতপুর জোন) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। হামলার সঠিক কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় উদঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

খুলনায় ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদের ভেতরে ঢুকে মুসল্লিকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আজ রোববার ভোরের দিকে নগরের দৌলতপুর থানার পশ্চিম কাশীপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ খবর জানিয়েছে।
গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিরা হলেন– উত্তর কাশীপুর এলাকার লোকমান হাকিম (৫৫) ও আলম শেখ (৫৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফজরের নামাজ চলাকালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে ঢুকে লোকমান হাকিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় তার পাশে থাকা আলম শেখও গুলিবিদ্ধ হন। হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
গুলির শব্দ শুনে অন্য মুসল্লি ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তারা আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লোকমান হাকিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে জরুরি ভিত্তিতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
ঘটনার পরপরই খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।
খুলনা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (দৌলতপুর জোন) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। হামলার সঠিক কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় উদঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।