চরচা প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দুই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে একদল দুর্বৃত্ত। এ সময় পুলিশের একটি শটগান ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। পরে অভিযান চালিয়ে ছিনতাই হওয়া অস্ত্র উদ্ধার এবং তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বন্দর থানাধীন পুরান বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকার হাবিবনগরে এই ঘটনা ঘটে।
আহত দুজন হলেন–মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানা ও কনস্টেবল ফয়সাল হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বন্দরের মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন এএসআই সোহেল রানা। সে সময় সিফাত ওরফে টুটুল (২৮), শাহারিয়া তানভীর (২৯), আবু সুফিয়ান ওরফে চমক (২৯) নামে কয়েকজন মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন বন্দর থানায়। থানার ডিউটি অফিসার বিষয়টি মোবাইলে এএসআই সোহেল রানাকে অবহিত করেন।
এএসআই সোহেল ফোর্সসহ অভিযোগকারীদের সঙ্গে নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করতে বন্দর থানাধীন হাবিব নগর রোডের গুলু মিয়া নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গেলে পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে অজ্ঞাত ১৪-১৫ জন দুষ্কৃতিকারী দেশি অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা কনস্টেবল ফয়সাল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ডান হাতের দুটি আঙুলে এবং পেটে এবং এএসআই সোহেল রানার ডান পায়ে হাঁটুর নিচে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় দুর্বৃত্তরা সরকারি শটগান ছিনিয়ে নেয়। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এরপর বন্দর থানা ও মদনগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভোরে ছিনতাই হওয়া শটগানটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে আটক করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ চরচাকে বলেন, “ঘটনাস্থল থেকেই অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।”
ওসি আশরাফ আরও বলেন, “ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দুই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে একদল দুর্বৃত্ত। এ সময় পুলিশের একটি শটগান ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। পরে অভিযান চালিয়ে ছিনতাই হওয়া অস্ত্র উদ্ধার এবং তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বন্দর থানাধীন পুরান বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকার হাবিবনগরে এই ঘটনা ঘটে।
আহত দুজন হলেন–মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানা ও কনস্টেবল ফয়সাল হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বন্দরের মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন এএসআই সোহেল রানা। সে সময় সিফাত ওরফে টুটুল (২৮), শাহারিয়া তানভীর (২৯), আবু সুফিয়ান ওরফে চমক (২৯) নামে কয়েকজন মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন বন্দর থানায়। থানার ডিউটি অফিসার বিষয়টি মোবাইলে এএসআই সোহেল রানাকে অবহিত করেন।
এএসআই সোহেল ফোর্সসহ অভিযোগকারীদের সঙ্গে নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করতে বন্দর থানাধীন হাবিব নগর রোডের গুলু মিয়া নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গেলে পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে অজ্ঞাত ১৪-১৫ জন দুষ্কৃতিকারী দেশি অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা কনস্টেবল ফয়সাল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ডান হাতের দুটি আঙুলে এবং পেটে এবং এএসআই সোহেল রানার ডান পায়ে হাঁটুর নিচে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় দুর্বৃত্তরা সরকারি শটগান ছিনিয়ে নেয়। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এরপর বন্দর থানা ও মদনগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভোরে ছিনতাই হওয়া শটগানটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে আটক করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ চরচাকে বলেন, “ঘটনাস্থল থেকেই অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।”
ওসি আশরাফ আরও বলেন, “ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”