চরচা প্রতিবেদক

পুলিশে জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পুলিশের সব পর্যায়ে আমাদের জনবলের অভাব রয়েছে। আপাতত ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবলের পদ খালি রয়েছে। সেটা জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আগের বিদ্যমান প্রক্রিয়ায় নির্দেশ দিয়েছি, সেটা শুরু হবে।”
অবৈধ অস্ত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য রাজনৈতিক বিবেচনায় তারা লাইসেন্স পেয়েছে, সেগুলো বাতিল করা হবে। সেই লাইসেন্সের অধীনে থাকা অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে অ্যামুনিশনসহ। আজই সার্কুলার ইস্যু করব। অবৈধ লাইসেন্সের পাশাপাশি বৈধর মধ্যেও প্রায় ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র জমা দেওয়া হয়নি। আইনানুগভাবে এগুলো অবৈধ হয়ে গেছে, সেগুলো উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হবে।”
পাসপোর্ট অফিসের ভোগান্তি বিষয়ে তিনি বলেন, “ই-পাসপোর্ট হওয়ায় কিছুটা কমলেও এখনো ভোগান্তি রয়েছে। সবাই অনলাইনে আবেদনে অভ্যস্ত না। তাদের সহায়তা করে এমন কিছু লোক এবং পাসপোর্ট অফসেরও কারও কারও যোগসাজশে ভোগান্তি হয়। সেটা নিরসনে আলোচনা করে একটা পন্থা নিয়েছি। পরীক্ষা করে দেখতে পারি, ভবিষ্যতে সারা দেশে এটি চালু করলে সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।”

পুলিশে জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পুলিশের সব পর্যায়ে আমাদের জনবলের অভাব রয়েছে। আপাতত ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবলের পদ খালি রয়েছে। সেটা জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আগের বিদ্যমান প্রক্রিয়ায় নির্দেশ দিয়েছি, সেটা শুরু হবে।”
অবৈধ অস্ত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য রাজনৈতিক বিবেচনায় তারা লাইসেন্স পেয়েছে, সেগুলো বাতিল করা হবে। সেই লাইসেন্সের অধীনে থাকা অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে অ্যামুনিশনসহ। আজই সার্কুলার ইস্যু করব। অবৈধ লাইসেন্সের পাশাপাশি বৈধর মধ্যেও প্রায় ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র জমা দেওয়া হয়নি। আইনানুগভাবে এগুলো অবৈধ হয়ে গেছে, সেগুলো উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হবে।”
পাসপোর্ট অফিসের ভোগান্তি বিষয়ে তিনি বলেন, “ই-পাসপোর্ট হওয়ায় কিছুটা কমলেও এখনো ভোগান্তি রয়েছে। সবাই অনলাইনে আবেদনে অভ্যস্ত না। তাদের সহায়তা করে এমন কিছু লোক এবং পাসপোর্ট অফসেরও কারও কারও যোগসাজশে ভোগান্তি হয়। সেটা নিরসনে আলোচনা করে একটা পন্থা নিয়েছি। পরীক্ষা করে দেখতে পারি, ভবিষ্যতে সারা দেশে এটি চালু করলে সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।”