চরচা প্রতিবেদক

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আওতায় দেশের সব নাগরিক রয়েছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করবেন এই বাজেটের প্রেক্ষাপটটা একটু ভিন্ন। সত্যিকারের অর্থে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ, প্রত্যেকটি নাগরিক এবং জীবনযাত্রার মান, তাদের ভবিষ্যৎ, সবসময় বাজেটে প্রতিফলিত হয় না। কিন্তু এবারের বাজেটে আমরা চেষ্টা করেছি, প্রতিটি মানুষকে আমাদের বাজেট চিন্তায় নিয়ে আসার জন্য। প্রতিটি মানুষকে, সবাইকে আমরা চেষ্টা করেছি।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে, কোনো শ্রেণী, পেশা, ধর্ম, বর্ণ কেউ এই বাজেটের আওতার বাইরে এখন আছে বলে আমি মনে করি না।”
মন্ত্রী বলেন, “বাজেটের সত্যিকারের যে ফিলিং, বাজেটের সত্যিকারের যে কার্যক্রম-যেখানে জনগণের চিন্তার প্রতিফলন ঘটার কথা, সেই বিষয়টা আমরা বিগত বহু বছর ধরে, দেড় দশকের উপর ধরে দেশবাসী সেটা মিস করেছে।”
আমির খসরুর মতে, বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের সম্পদ লুণ্ঠন এবং প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করার কারণে বর্তমান অর্থনীতি একটি ভঙ্গুর অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই তীব্র সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং একটি সর্বজনীন বাজেট প্রণয়ন করা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের মতো বৈশ্বিক যুদ্ধবিগ্রহ এখন ‘নিউ নরমাল’ হয়ে উঠেছে। এই বৈশ্বিক সংকটের কারণে স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা পরিপূর্ণ পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থনৈতিক বাস্তবায়নকে প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্য অনুযায়ী, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর বর্তমান প্রশাসন যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে, তা এমনিতেই ‘অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং’। এর ওপর বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেই চ্যালেঞ্জ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে, যার সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে দেশের জ্বালানি খাতের ওপর।
এত নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্যেও এবারের বাজেটের চিন্তা ও দর্শনে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কথা ভাবা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আওতায় দেশের সব নাগরিক রয়েছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করবেন এই বাজেটের প্রেক্ষাপটটা একটু ভিন্ন। সত্যিকারের অর্থে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ, প্রত্যেকটি নাগরিক এবং জীবনযাত্রার মান, তাদের ভবিষ্যৎ, সবসময় বাজেটে প্রতিফলিত হয় না। কিন্তু এবারের বাজেটে আমরা চেষ্টা করেছি, প্রতিটি মানুষকে আমাদের বাজেট চিন্তায় নিয়ে আসার জন্য। প্রতিটি মানুষকে, সবাইকে আমরা চেষ্টা করেছি।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে, কোনো শ্রেণী, পেশা, ধর্ম, বর্ণ কেউ এই বাজেটের আওতার বাইরে এখন আছে বলে আমি মনে করি না।”
মন্ত্রী বলেন, “বাজেটের সত্যিকারের যে ফিলিং, বাজেটের সত্যিকারের যে কার্যক্রম-যেখানে জনগণের চিন্তার প্রতিফলন ঘটার কথা, সেই বিষয়টা আমরা বিগত বহু বছর ধরে, দেড় দশকের উপর ধরে দেশবাসী সেটা মিস করেছে।”
আমির খসরুর মতে, বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের সম্পদ লুণ্ঠন এবং প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করার কারণে বর্তমান অর্থনীতি একটি ভঙ্গুর অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই তীব্র সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং একটি সর্বজনীন বাজেট প্রণয়ন করা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের মতো বৈশ্বিক যুদ্ধবিগ্রহ এখন ‘নিউ নরমাল’ হয়ে উঠেছে। এই বৈশ্বিক সংকটের কারণে স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা পরিপূর্ণ পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থনৈতিক বাস্তবায়নকে প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্য অনুযায়ী, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর বর্তমান প্রশাসন যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে, তা এমনিতেই ‘অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং’। এর ওপর বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেই চ্যালেঞ্জ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে, যার সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে দেশের জ্বালানি খাতের ওপর।
এত নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্যেও এবারের বাজেটের চিন্তা ও দর্শনে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কথা ভাবা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।