চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সত্যেন সেনের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রাজধানীতে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে উদীচী। আজ শনিবার বিকেল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের বিপরীতে তোপখানা রোডের সত্যেন সেন চত্বরে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম। এতে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন, গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের সদস্য কামাল হোসেন বাদল এবং সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য একরাম হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহ-সাধারণ সম্পাদক ইকবালুল হক খান।
বক্তারা বলেন, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সত্যেন সেনের আদর্শ অনুসরণ করে উদীচী মানবমুক্তির সংগ্রামে ভূমিকা রেখে চলেছে। ১৯৬৯–এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণআন্দোলনসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক সংগ্রামে সংগঠনটি সামনের সারিতে ছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে সাংস্কৃতিক শক্তিকে দুর্বল করার অপচেষ্টা চলছে এবং এর অংশ হিসেবে উদীচীর কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে প্রতিবারই সংগঠনটি আরও শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলেও জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, সত্যেন সেন ছিলেন বিপ্লবী, যিনি মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তার লেখা গান, গল্প ও প্রবন্ধ এখনো নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কাছাকাছি গিয়ে তিনি যে সংগ্রামের পথ দেখিয়েছেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক।
অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন মায়েশা সুলতানা উর্বী ও মীর সাখাওয়াত হোসেন। কবিতা আবৃত্তি করেন সজীব তানভীর ও আব্দুল্লাহ আল নিশাত। এছাড়া উদীচীর শিল্পীরা দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
এদিন ‘উদীচীর উঠান’ নামে নতুন একটি ধারাবাহিক সাংস্কৃতিক আয়োজনেরও উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত শিল্পী সায়ান গান পরিবেশন করেন।

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সত্যেন সেনের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রাজধানীতে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে উদীচী। আজ শনিবার বিকেল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের বিপরীতে তোপখানা রোডের সত্যেন সেন চত্বরে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম। এতে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন, গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের সদস্য কামাল হোসেন বাদল এবং সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য একরাম হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহ-সাধারণ সম্পাদক ইকবালুল হক খান।
বক্তারা বলেন, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সত্যেন সেনের আদর্শ অনুসরণ করে উদীচী মানবমুক্তির সংগ্রামে ভূমিকা রেখে চলেছে। ১৯৬৯–এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণআন্দোলনসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক সংগ্রামে সংগঠনটি সামনের সারিতে ছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে সাংস্কৃতিক শক্তিকে দুর্বল করার অপচেষ্টা চলছে এবং এর অংশ হিসেবে উদীচীর কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে প্রতিবারই সংগঠনটি আরও শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলেও জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, সত্যেন সেন ছিলেন বিপ্লবী, যিনি মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তার লেখা গান, গল্প ও প্রবন্ধ এখনো নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কাছাকাছি গিয়ে তিনি যে সংগ্রামের পথ দেখিয়েছেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক।
অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন মায়েশা সুলতানা উর্বী ও মীর সাখাওয়াত হোসেন। কবিতা আবৃত্তি করেন সজীব তানভীর ও আব্দুল্লাহ আল নিশাত। এছাড়া উদীচীর শিল্পীরা দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
এদিন ‘উদীচীর উঠান’ নামে নতুন একটি ধারাবাহিক সাংস্কৃতিক আয়োজনেরও উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত শিল্পী সায়ান গান পরিবেশন করেন।