চরচা ডেস্ক

সরকারি নানামুখী প্রণোদনা, এমনকি জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ওপর চড়া কর আরোপ করেও জনসংখ্যার পতন ঠেকাতে পারছে না চীন। আজ সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনের জন্মহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে টানা চতুর্থ বছরের মতো দেশটির মোট জনসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।
২০২৫ সালে প্রতি এক হাজার জনে জন্মহার কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৬৩, যা ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৪ সালে জন্মহারে কিছুটা উন্নতির আভাস থাকলেও বিশেষজ্ঞরা এখন সেটিকে একটি ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে দেখছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, একই সময়ে মৃত্যুহার বেড়ে প্রতি হাজারে ৮.০৪ জন হয়েছে, যা ১৯৬৮ সালের পর সর্বোচ্চ।
গত এক বছরে চীনের জনসংখ্যা ৩.৩৯ মিলিয়ন (৩৩ লাখ ৯০ হাজার) কমে দাঁড়িয়েছে ১.৪ বিলিয়নে। এই পতনের গতি পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
জনসংখ্যা বাড়াতে সম্প্রতি চীন সরকার কনডম, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল এবং অন্যান্য সরঞ্জামের ওপর ১৩ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপ করেছে। ১৯৯৪ সাল থেকে এসব সামগ্রী করমুক্ত থাকলেও এখন সরকার মানুষকে সন্তান নিতে বাধ্য করার এক প্রকার প্রতীকী কৌশল হিসেবে এই কর বসিয়েছে।
তবে সমালোচকরা বলছেন, সন্তান পালনের বিপুল খরচের তুলনায় জন্মনিরোধকের দাম বাড়লে মানুষ সন্তান নেবে—এমনটা ভাবা হাস্যকর। উল্টো এতে অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ এবং যৌন রোগের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইউওয়া পপুলেশন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ২০২৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল দেশ, যেখানে সন্তান লালন-পালন করা অত্যন্ত কঠিন। পড়াশোনা এবং জীবনযাত্রার উচ্চমূল্য দম্পতিদের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তান নিতে নিরুৎসাহিত করছে। অনেক তরুণ এখন ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিজীবনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের এই নিম্নমুখী ধারা চলতে থাকলে ২১০০ সাল নাগাদ দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা অর্ধেকেরও নিচে নেমে যেতে পারে। জনসংখ্যা কমলে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির কর্মীবাহিনী সংকুচিত হবে।

সরকারি নানামুখী প্রণোদনা, এমনকি জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ওপর চড়া কর আরোপ করেও জনসংখ্যার পতন ঠেকাতে পারছে না চীন। আজ সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনের জন্মহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে টানা চতুর্থ বছরের মতো দেশটির মোট জনসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।
২০২৫ সালে প্রতি এক হাজার জনে জন্মহার কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৬৩, যা ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৪ সালে জন্মহারে কিছুটা উন্নতির আভাস থাকলেও বিশেষজ্ঞরা এখন সেটিকে একটি ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে দেখছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, একই সময়ে মৃত্যুহার বেড়ে প্রতি হাজারে ৮.০৪ জন হয়েছে, যা ১৯৬৮ সালের পর সর্বোচ্চ।
গত এক বছরে চীনের জনসংখ্যা ৩.৩৯ মিলিয়ন (৩৩ লাখ ৯০ হাজার) কমে দাঁড়িয়েছে ১.৪ বিলিয়নে। এই পতনের গতি পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
জনসংখ্যা বাড়াতে সম্প্রতি চীন সরকার কনডম, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল এবং অন্যান্য সরঞ্জামের ওপর ১৩ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপ করেছে। ১৯৯৪ সাল থেকে এসব সামগ্রী করমুক্ত থাকলেও এখন সরকার মানুষকে সন্তান নিতে বাধ্য করার এক প্রকার প্রতীকী কৌশল হিসেবে এই কর বসিয়েছে।
তবে সমালোচকরা বলছেন, সন্তান পালনের বিপুল খরচের তুলনায় জন্মনিরোধকের দাম বাড়লে মানুষ সন্তান নেবে—এমনটা ভাবা হাস্যকর। উল্টো এতে অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ এবং যৌন রোগের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইউওয়া পপুলেশন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ২০২৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল দেশ, যেখানে সন্তান লালন-পালন করা অত্যন্ত কঠিন। পড়াশোনা এবং জীবনযাত্রার উচ্চমূল্য দম্পতিদের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তান নিতে নিরুৎসাহিত করছে। অনেক তরুণ এখন ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিজীবনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের এই নিম্নমুখী ধারা চলতে থাকলে ২১০০ সাল নাগাদ দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা অর্ধেকেরও নিচে নেমে যেতে পারে। জনসংখ্যা কমলে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির কর্মীবাহিনী সংকুচিত হবে।