চরচা প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় আজ থেকেই দেশে গ্যাস রেশনিং (সাশ্রয়) শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেট্রোবাংলা।
সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ অবস্থা নিয়ে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ইরফানুল হক চরচাকে বলেন, চলতি মাসে মোট ৯টি এলএনজি কার্গো আসার কথা ছিল, যার মধ্যে ৬টি আসার কথা হরমুজ প্রণালী হয়ে। ৪টি কার্গো ইতোমধ্যেই দেশে পৌঁছেছে, কিন্তু ১৫ ও ১৮ মার্চ আসার কথা থাকা। বাকি দুটি কার্গো নিয়ে বড় ধরণের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
চেয়ারম্যান জানান, কাতারের রাস লাফানে ড্রোন হামলার পর কাতার এনার্জি ‘ফোর্স মেজরি’ বা অনিবার্য পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে। এর ফলে কাতার থেকে এই দুটি কার্গো আসবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। সরবরাহকারীরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই তারা লোড করা কার্গো পাঠাবেন।
এই তাৎক্ষণিক ঘাটতি মেটাতে পেট্রোবাংলা স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস কেনার চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পায়নি। চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম ১০ ডলার থেকে বেড়ে ২৫ ডলারে পৌঁছেছে এবং অনেক ব্যবসায়ী দাম আরও বাড়ার অপেক্ষায় সরবরাহ আটকে রাখছেন।
গ্যাস রেশনিং ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে পেট্রোবাংলা আজ বুধবার থেকেই দৈনিক ১৮০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সাশ্রয় বা রেশনিং করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই সাশ্রয়কৃত গ্যাস দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হবে। এই রেশনিংয়ের বড় প্রভাব পড়বে সার কারখানায়। বর্তমানে শাহজালাল সার কারখানাটি চালু রাখা হলেও যমুনা সার কারখানাসহ অন্যান্যগুলোতে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হবে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের অগ্রাধিকার বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে, কারণ মোট গ্যাসের ৬০ শতাংশই বিদ্যুৎ খাতে দেওয়া হয়।
ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে চেয়ারম্যান বলেন, আগামী ২০ ও ২১ মার্চ অ্যাঙ্গোলা থেকে এবং ২৬ মার্চ অস্ট্রেলিয়া থেকে কার্গো আসার কথা রয়েছে। যদি ১৫ ও ১৮ মার্চের সংকটটি কাটিয়ে ওঠা যায়, তবে চলতি মাসের বাকি দিনগুলোতে আর বড় কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করছে পেট্রোবাংলা।
উল্লেখ্য, প্রতিটি এলএনজি কার্গোর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকা। হরমুজ প্রণালীর এই সংকটের কারণে সময়মতো জাহাজ না এলে প্রতিদিন প্রায় ৭৮ হাজার ডলার জরিমানা বা ডেমারেজ গুনতে হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় আজ থেকেই দেশে গ্যাস রেশনিং (সাশ্রয়) শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেট্রোবাংলা।
সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ অবস্থা নিয়ে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ইরফানুল হক চরচাকে বলেন, চলতি মাসে মোট ৯টি এলএনজি কার্গো আসার কথা ছিল, যার মধ্যে ৬টি আসার কথা হরমুজ প্রণালী হয়ে। ৪টি কার্গো ইতোমধ্যেই দেশে পৌঁছেছে, কিন্তু ১৫ ও ১৮ মার্চ আসার কথা থাকা। বাকি দুটি কার্গো নিয়ে বড় ধরণের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
চেয়ারম্যান জানান, কাতারের রাস লাফানে ড্রোন হামলার পর কাতার এনার্জি ‘ফোর্স মেজরি’ বা অনিবার্য পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে। এর ফলে কাতার থেকে এই দুটি কার্গো আসবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। সরবরাহকারীরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই তারা লোড করা কার্গো পাঠাবেন।
এই তাৎক্ষণিক ঘাটতি মেটাতে পেট্রোবাংলা স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস কেনার চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পায়নি। চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম ১০ ডলার থেকে বেড়ে ২৫ ডলারে পৌঁছেছে এবং অনেক ব্যবসায়ী দাম আরও বাড়ার অপেক্ষায় সরবরাহ আটকে রাখছেন।
গ্যাস রেশনিং ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে পেট্রোবাংলা আজ বুধবার থেকেই দৈনিক ১৮০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সাশ্রয় বা রেশনিং করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই সাশ্রয়কৃত গ্যাস দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হবে। এই রেশনিংয়ের বড় প্রভাব পড়বে সার কারখানায়। বর্তমানে শাহজালাল সার কারখানাটি চালু রাখা হলেও যমুনা সার কারখানাসহ অন্যান্যগুলোতে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হবে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের অগ্রাধিকার বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে, কারণ মোট গ্যাসের ৬০ শতাংশই বিদ্যুৎ খাতে দেওয়া হয়।
ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে চেয়ারম্যান বলেন, আগামী ২০ ও ২১ মার্চ অ্যাঙ্গোলা থেকে এবং ২৬ মার্চ অস্ট্রেলিয়া থেকে কার্গো আসার কথা রয়েছে। যদি ১৫ ও ১৮ মার্চের সংকটটি কাটিয়ে ওঠা যায়, তবে চলতি মাসের বাকি দিনগুলোতে আর বড় কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করছে পেট্রোবাংলা।
উল্লেখ্য, প্রতিটি এলএনজি কার্গোর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকা। হরমুজ প্রণালীর এই সংকটের কারণে সময়মতো জাহাজ না এলে প্রতিদিন প্রায় ৭৮ হাজার ডলার জরিমানা বা ডেমারেজ গুনতে হয়।