চরচা প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এক অনন্য রেকর্ডের মালিক হলেন। তিন বছরে তিনটি সরকারের শপথ পড়ালেন তিনি। বঙ্গভবনের বাইরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় একটি নির্বাচিত সরকারকে শপথ পড়ানো প্রথম রাষ্ট্রপতিও মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
২০২৩ সালের এপ্রিলে আওয়ামী লীগ সরকার অনেকটা চমক দেখিয়েই রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সাহাবুদ্দিন শপথ পাঠ করান শেখ হাসিনার তৃতীয় সরকারকে। সেই সরকার টিকেছেন মাত্র ৭ মাস। ২০২৪–এরই জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয় আওয়ামী লীগের, ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ৮ আগস্ট শপথ পড়ান মুহাম্মদ ইউনূসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে। ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৯ আসনে জিতে দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি। তারেক রহমান হয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিসভাকেও পাঠ করালেন শপথ, তিন বছরে তিনটি সরকারকে শপথ পড়ানো, বাংলাদেশের ইতিহাসের বিরল ঘটনা।
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ এতদিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দুটি ভিন্ন সরকারকে শপথ পড়ানোর রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ ১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পছন্দে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন সাহাবুদ্দীন আহমেদ। তিনি সেই সময় ছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি। সাহাবুদ্দীন আহমেদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া। তার সরকারকে শপথ পাঠ করিয়েছিলেন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ।
সাহাবুদ্দীন আহমেদকেই ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন আওয়ামী লীগ। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিজয়ী বিএনপি সরকারকে শপথ পড়িয়েছিলেন সাহাবুদ্দীনকেই। খালেদা জিয়ার দুটি সরকারই শপথ পড়েছিল বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের কাছে।
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় একাধিকবার নিজের মন্ত্রিসভাকে শপথ পড়িয়েছেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজের মন্ত্রিসভাকে শপথ পড়িয়েছিলেন।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এক অনন্য রেকর্ডের মালিক হলেন। তিন বছরে তিনটি সরকারের শপথ পড়ালেন তিনি। বঙ্গভবনের বাইরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় একটি নির্বাচিত সরকারকে শপথ পড়ানো প্রথম রাষ্ট্রপতিও মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
২০২৩ সালের এপ্রিলে আওয়ামী লীগ সরকার অনেকটা চমক দেখিয়েই রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সাহাবুদ্দিন শপথ পাঠ করান শেখ হাসিনার তৃতীয় সরকারকে। সেই সরকার টিকেছেন মাত্র ৭ মাস। ২০২৪–এরই জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয় আওয়ামী লীগের, ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ৮ আগস্ট শপথ পড়ান মুহাম্মদ ইউনূসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে। ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৯ আসনে জিতে দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি। তারেক রহমান হয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিসভাকেও পাঠ করালেন শপথ, তিন বছরে তিনটি সরকারকে শপথ পড়ানো, বাংলাদেশের ইতিহাসের বিরল ঘটনা।
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ এতদিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দুটি ভিন্ন সরকারকে শপথ পড়ানোর রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ ১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পছন্দে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন সাহাবুদ্দীন আহমেদ। তিনি সেই সময় ছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি। সাহাবুদ্দীন আহমেদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া। তার সরকারকে শপথ পাঠ করিয়েছিলেন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ।
সাহাবুদ্দীন আহমেদকেই ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন আওয়ামী লীগ। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিজয়ী বিএনপি সরকারকে শপথ পড়িয়েছিলেন সাহাবুদ্দীনকেই। খালেদা জিয়ার দুটি সরকারই শপথ পড়েছিল বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের কাছে।
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় একাধিকবার নিজের মন্ত্রিসভাকে শপথ পড়িয়েছেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজের মন্ত্রিসভাকে শপথ পড়িয়েছিলেন।