ফজলে রাব্বি

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নবম সংসদে এলাকার উন্নয়নের জন্য সংসদ সদস্যদের থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল পাঁচ বছরে ১০ কোটি টাকা, দশম সংসদে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা করা হয়েছিল। এবার বিএনপি সরকার ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের জন্য এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ৫০ কোটি টাকা করতে যাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে।
স্থানীয় সরকার বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বিষটি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত এসেছে।
তার আগে জেনে নেওয়া যাক, এই বরাদ্দের প্রেক্ষাপট কী?
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিকবার সংসদ সদস্যদের এমন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আসনপ্রতি বরাদ্দ ধরা হয়েছিল ২৫ কোটি টাকা করে। যদিও আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ায় প্রকল্পটি আর সামনে এগোয়নি।
সংসদ সদস্যদের এ ধরনের বরাদ্দ দেওয়া শুরু হয় ২০০৫-০৬ অর্থবছরে। ওই বছর সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যেক সদস্যকে দুই কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। পরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) এই প্রকল্প অনুমোদিত হয়।
তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ছিল। কারণ, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেন অনুযায়ী, স্থানীয় উন্নয়নের দ্বায়িত্ব স্থানীয় সরকারের। অর্থাৎ জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের। ৬৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের কাজ আইন প্রণয়ন করা। প্রশ্ন হচ্ছে- তাহলে কেন রাস্তাঘাট ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ রাখা?
সাবেক সচিব ও বিশ্লেষক আবু আলম শহীদ খান এ বরাদ্দে কোনো সমস্যা দেখছেন না। তার মতে, নির্বাচনের সময় এলাকার সাধারন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সংস্কারের কিছু প্রতিশ্রুতি থাকে সংসদ সদস্যদের সেগুলো বাস্তবায়নে তাদের জন্য বরাদ্দ থাকতেই পারে। এই সরকার প্রথম এই বরাদ্দ দিচ্ছেন বিষয়টি এমন নয়। এর আগেও আওয়ামী লীগ আমলে এই বরাদ্দ ছিল।
এই বিশ্লেষক বলেন, “একথা সত্য এই বরাদ্দ নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। অভিযোগ আছে দুর্নীতিরও। এমন অভিযোগ না উঠলেই ভালো হতো। ভবিষ্যতে যেন না আরো স্বচ্ছতার সাথে খরচ করা যায় সে বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে।”
সাবেক এই সচিব বলেন, “সংসদ সদস্যরা আইন প্রণয়নে শতভাগ মনযোগ দেবেন, সেটাই আদর্শ। তবে, এ ধরনের বরাদ্দ তাদের খুশি করে বলেই আমরা দেখে আসছি। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ ভুটান, কেনিয়া, ঘানা, উগান্ডা, জ্যামাইকাসহ অনেক দেশেই এমন বরাদ্দ আছে। এটি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এটি এখন বাস্তবতাও।”
অন্যদিকে, নাগরিক উদ্যোগের জাকির হোসেন মনে করেন, সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দ রাখার বিষয়টি গ্রহনযোগ্য না। গত কয়েকটি সংসদে আমরা এ ধরনের বরাদ্দ যেমন দেখছি, তেমনি এই বরাদ্দ নির্ভর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগও আছে। বিষয়টি সংবিধান এবং সংসদ সদস্যদের কাজের পরিধির সাথেও সাংঘর্ষিক। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের সাথে দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রাপ্ত বরাদ্দ ভোটের হিসাবের ভিত্তিতে খরচেরও অভিযোগ ওঠে। সংসদ সদস্যদের অনুকূলে থোক বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা থাকলেও তা যথেষ্ট নয়। এ বিষয়ে একটি আলোচনার তাগিদ দেন এই স্থানীয় সরকার বিশ্লেষক।
স্থানীয় উন্নয়নকাজে সংসদ সদস্যদের যুক্ত করা উচিত কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে বহুদিন ধরে। সংসদ সদস্য এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে জেলা পরিষদ ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের দ্বন্দ্ব পুরনো।
সংবাদমাধ্যমে আসা খবর থেকে জানা গেছে, নিজ নিজ সংসদীয় আসনের রাস্তাঘাট ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে এবার ৫০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ রাখা হবে সংসদ সদস্যদের জন্য। প্রতিবছর ১০ কোটি টাকা করে পাঁচ বছর এই টাকা দিয়ে সংসদ সদস্যরা নিজেদের পছন্দমতো অবকাঠামো উন্নয়ন করতে পারবেন।
তবে, এই টাকা সরাসরি সংসদ সদস্যরা হাতে পাবেন না। তারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট, হাটবাজার, ঘাট ইত্যাদির তালিকা দেবেন। সে তালিকা ধরে বরাদ্দের টাকায় কাজ করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
নতুন সংসদ সদস্যদের জন্য এই বরাদ্দ দিতে একটি প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ‘গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন’ নামের প্রকল্প তৈরি করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে এলজিইডি। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা।
তবে, আওয়ামী লীগ সরকারের চেয়ে ভিন্ন পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। একসঙ্গে নয়, আটটি বিভাগের সংসদীয় আসনের জন্য আলাদা আটটি প্রকল্প নেওয়া হবে।
এবার ঢাকা বিভাগের ৫৫টি সংসদীয় আসন, রাজশাহী বিভাগের ৩৮টি আসন, রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসন, খুলনা বিভাগের ৩৪টি আসন, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসন, ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন, সিলেট বিভাগের ১৯টি আসন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ৫৫টি আসনের জন্য আলাদা করে আটটি প্রকল্প নেওয়া হবে। আলাদা করে আটজন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে। শিগগিরই প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। আগে যেসব গ্রামীণ অবকাঠামোর কাজ হয়েছে, নতুন করে সেসব খাতে কাজ করার সুযোগ থাকবে না।
একজন আইনপ্রণেতার মূল কাজ আইন প্রণয়ন। তাদের দক্ষতা বাড়ানোর পরিবর্তে উন্নয়ন কাজে সংসদ সদস্যদের জড়িত করায় স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সাথে দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে-এটি যেমন বাস্তবতা; তেমনি উপমহাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংসদ সদস্যদের উন্নয়নকাজে অংশীদার হওয়ার আগ্রহও বাস্তব।
এসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নিতে রাজনৈতিক পক্ষকে উদ্যোগী হতে হবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নবম সংসদে এলাকার উন্নয়নের জন্য সংসদ সদস্যদের থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল পাঁচ বছরে ১০ কোটি টাকা, দশম সংসদে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা করা হয়েছিল। এবার বিএনপি সরকার ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের জন্য এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ৫০ কোটি টাকা করতে যাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে।
স্থানীয় সরকার বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বিষটি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত এসেছে।
তার আগে জেনে নেওয়া যাক, এই বরাদ্দের প্রেক্ষাপট কী?
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিকবার সংসদ সদস্যদের এমন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আসনপ্রতি বরাদ্দ ধরা হয়েছিল ২৫ কোটি টাকা করে। যদিও আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ায় প্রকল্পটি আর সামনে এগোয়নি।
সংসদ সদস্যদের এ ধরনের বরাদ্দ দেওয়া শুরু হয় ২০০৫-০৬ অর্থবছরে। ওই বছর সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যেক সদস্যকে দুই কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। পরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) এই প্রকল্প অনুমোদিত হয়।
তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ছিল। কারণ, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেন অনুযায়ী, স্থানীয় উন্নয়নের দ্বায়িত্ব স্থানীয় সরকারের। অর্থাৎ জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের। ৬৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের কাজ আইন প্রণয়ন করা। প্রশ্ন হচ্ছে- তাহলে কেন রাস্তাঘাট ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ রাখা?
সাবেক সচিব ও বিশ্লেষক আবু আলম শহীদ খান এ বরাদ্দে কোনো সমস্যা দেখছেন না। তার মতে, নির্বাচনের সময় এলাকার সাধারন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সংস্কারের কিছু প্রতিশ্রুতি থাকে সংসদ সদস্যদের সেগুলো বাস্তবায়নে তাদের জন্য বরাদ্দ থাকতেই পারে। এই সরকার প্রথম এই বরাদ্দ দিচ্ছেন বিষয়টি এমন নয়। এর আগেও আওয়ামী লীগ আমলে এই বরাদ্দ ছিল।
এই বিশ্লেষক বলেন, “একথা সত্য এই বরাদ্দ নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। অভিযোগ আছে দুর্নীতিরও। এমন অভিযোগ না উঠলেই ভালো হতো। ভবিষ্যতে যেন না আরো স্বচ্ছতার সাথে খরচ করা যায় সে বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে।”
সাবেক এই সচিব বলেন, “সংসদ সদস্যরা আইন প্রণয়নে শতভাগ মনযোগ দেবেন, সেটাই আদর্শ। তবে, এ ধরনের বরাদ্দ তাদের খুশি করে বলেই আমরা দেখে আসছি। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ ভুটান, কেনিয়া, ঘানা, উগান্ডা, জ্যামাইকাসহ অনেক দেশেই এমন বরাদ্দ আছে। এটি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এটি এখন বাস্তবতাও।”
অন্যদিকে, নাগরিক উদ্যোগের জাকির হোসেন মনে করেন, সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দ রাখার বিষয়টি গ্রহনযোগ্য না। গত কয়েকটি সংসদে আমরা এ ধরনের বরাদ্দ যেমন দেখছি, তেমনি এই বরাদ্দ নির্ভর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগও আছে। বিষয়টি সংবিধান এবং সংসদ সদস্যদের কাজের পরিধির সাথেও সাংঘর্ষিক। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের সাথে দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রাপ্ত বরাদ্দ ভোটের হিসাবের ভিত্তিতে খরচেরও অভিযোগ ওঠে। সংসদ সদস্যদের অনুকূলে থোক বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা থাকলেও তা যথেষ্ট নয়। এ বিষয়ে একটি আলোচনার তাগিদ দেন এই স্থানীয় সরকার বিশ্লেষক।
স্থানীয় উন্নয়নকাজে সংসদ সদস্যদের যুক্ত করা উচিত কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে বহুদিন ধরে। সংসদ সদস্য এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে জেলা পরিষদ ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের দ্বন্দ্ব পুরনো।
সংবাদমাধ্যমে আসা খবর থেকে জানা গেছে, নিজ নিজ সংসদীয় আসনের রাস্তাঘাট ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে এবার ৫০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ রাখা হবে সংসদ সদস্যদের জন্য। প্রতিবছর ১০ কোটি টাকা করে পাঁচ বছর এই টাকা দিয়ে সংসদ সদস্যরা নিজেদের পছন্দমতো অবকাঠামো উন্নয়ন করতে পারবেন।
তবে, এই টাকা সরাসরি সংসদ সদস্যরা হাতে পাবেন না। তারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট, হাটবাজার, ঘাট ইত্যাদির তালিকা দেবেন। সে তালিকা ধরে বরাদ্দের টাকায় কাজ করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
নতুন সংসদ সদস্যদের জন্য এই বরাদ্দ দিতে একটি প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ‘গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন’ নামের প্রকল্প তৈরি করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে এলজিইডি। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা।
তবে, আওয়ামী লীগ সরকারের চেয়ে ভিন্ন পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। একসঙ্গে নয়, আটটি বিভাগের সংসদীয় আসনের জন্য আলাদা আটটি প্রকল্প নেওয়া হবে।
এবার ঢাকা বিভাগের ৫৫টি সংসদীয় আসন, রাজশাহী বিভাগের ৩৮টি আসন, রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসন, খুলনা বিভাগের ৩৪টি আসন, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসন, ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন, সিলেট বিভাগের ১৯টি আসন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ৫৫টি আসনের জন্য আলাদা করে আটটি প্রকল্প নেওয়া হবে। আলাদা করে আটজন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে। শিগগিরই প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। আগে যেসব গ্রামীণ অবকাঠামোর কাজ হয়েছে, নতুন করে সেসব খাতে কাজ করার সুযোগ থাকবে না।
একজন আইনপ্রণেতার মূল কাজ আইন প্রণয়ন। তাদের দক্ষতা বাড়ানোর পরিবর্তে উন্নয়ন কাজে সংসদ সদস্যদের জড়িত করায় স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সাথে দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে-এটি যেমন বাস্তবতা; তেমনি উপমহাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংসদ সদস্যদের উন্নয়নকাজে অংশীদার হওয়ার আগ্রহও বাস্তব।
এসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নিতে রাজনৈতিক পক্ষকে উদ্যোগী হতে হবে।