চরচা প্রতিবেদক

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে ভারতের চেন্নাইয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ বছর বয়সী কারিনা মারা যান।
কারিনা কায়সারের বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কায়সার হামিদ এদেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার। মোহামেডান ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে খেলেছেন আশি ও নব্বইয়ের দশকে। দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন একাধিকবার।
কায়সার হামিদের মা কিংবদন্তি দাবাড়ু রানী হামিদ। বাংলাদেশের ক্রীড়াজগতে কায়সার হামিদদের পরিবারের আছে অনন্য অবদান।
কায়সার হামিদ শুক্রবার মধ্যরাতে সাংবাদিকদের জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর ডাক্তাররা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওকে আর বাঁচানো গেল না।
শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টা ২৫ মিনিটে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে কায়সার হামিদ লিখেছেন, ‘‘আমার মেয়ে কারিনা কায়সার শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে মাত্র ৩১ রছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চেন্নাইইয়ে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যু অনিবার্য, আমাদের সবাইকে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। জন্ম মৃত্যু আল্লার হাতে। আমরা সবাই দিন রাত মহান আল্লাহর দরবারে কারিনার জন্য দোয়া করেছি। অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে শুধু এটুকুই বলি, হয়তো মহান আল্লাহ আর তাকে কষ্ট দিতে চাননি। তাই নিজ রহমতের ছায়ায় নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন।’’
কায়সার হামিদ লিখেছেন, ‘‘অত্যন্ত সরল সোজা, খোলা মনের, হাসি খুসি সুন্দর মনের মেয়েটিকে আল্লাহ পাক যেন জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। নূরে পরিপূর্ণ করে দেন এবং সেই সাথে আমার পরিবারের সকল সদস্য সহ তার অসংখ্য ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী সবাইকে এই অসহনীয় শোক তার অকাল মৃত্যুতে ধৈর্যের সাথে বহন করার তৌফিক দান করেন। আমিন।’’
লিভার জটিলতায় হঠাৎ করেই অসুস্থ হন কারিনা। প্রথমে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে গত সোমবার রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয় তাকে। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন। এরপর লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় মজার মজার কন্টেন্ট তৈরি করে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন কারিনা কায়সার। একইসঙ্গে অভিনয়ের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। কাজ করেছেন চিত্রনাট্যেও। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬–২৪–৩৬’।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে ভারতের চেন্নাইয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ বছর বয়সী কারিনা মারা যান।
কারিনা কায়সারের বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কায়সার হামিদ এদেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার। মোহামেডান ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে খেলেছেন আশি ও নব্বইয়ের দশকে। দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন একাধিকবার।
কায়সার হামিদের মা কিংবদন্তি দাবাড়ু রানী হামিদ। বাংলাদেশের ক্রীড়াজগতে কায়সার হামিদদের পরিবারের আছে অনন্য অবদান।
কায়সার হামিদ শুক্রবার মধ্যরাতে সাংবাদিকদের জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর ডাক্তাররা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওকে আর বাঁচানো গেল না।
শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টা ২৫ মিনিটে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে কায়সার হামিদ লিখেছেন, ‘‘আমার মেয়ে কারিনা কায়সার শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে মাত্র ৩১ রছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চেন্নাইইয়ে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যু অনিবার্য, আমাদের সবাইকে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। জন্ম মৃত্যু আল্লার হাতে। আমরা সবাই দিন রাত মহান আল্লাহর দরবারে কারিনার জন্য দোয়া করেছি। অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে শুধু এটুকুই বলি, হয়তো মহান আল্লাহ আর তাকে কষ্ট দিতে চাননি। তাই নিজ রহমতের ছায়ায় নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন।’’
কায়সার হামিদ লিখেছেন, ‘‘অত্যন্ত সরল সোজা, খোলা মনের, হাসি খুসি সুন্দর মনের মেয়েটিকে আল্লাহ পাক যেন জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। নূরে পরিপূর্ণ করে দেন এবং সেই সাথে আমার পরিবারের সকল সদস্য সহ তার অসংখ্য ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী সবাইকে এই অসহনীয় শোক তার অকাল মৃত্যুতে ধৈর্যের সাথে বহন করার তৌফিক দান করেন। আমিন।’’
লিভার জটিলতায় হঠাৎ করেই অসুস্থ হন কারিনা। প্রথমে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে গত সোমবার রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয় তাকে। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন। এরপর লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় মজার মজার কন্টেন্ট তৈরি করে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন কারিনা কায়সার। একইসঙ্গে অভিনয়ের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। কাজ করেছেন চিত্রনাট্যেও। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬–২৪–৩৬’।