মেয়েদের এশিয়ান কাপ
চরচা প্রতিবেদক

মঙ্গলবার ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন। ২০২৬ এএফসি নারী এশিয়ান কাপের ২১তম আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। নিজেদের অভিষেক ম্যাচে আজ গ্রুপ ‘বি’-র লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হচ্ছে এশিয়ার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীনের। অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় এবং সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।
৪৬ বছর আগে, ১৯৮০ সালে কুয়েতে এশিয়ান কাপ ফুটবলের চূড়ান্তপর্বে খেলেছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। এরপর আর কখনোই এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত আসরে খেলার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশ ফুটবল দলের। সে হিসেবে নারী ফুটবল দলের এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়া ঐতিহাসিক এক অর্জনই। গৌরবের অধ্যায়। ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে যাত্রা শুরু করেছিল নারী ফুটবল দল। এশিয়ান কাপে যেসব প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলবে বাংলাদেশ, তাদের তুলনায় অবকাঠামোগত দিক দিয়ে যোজন ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার ব্যাপারটি আড়াল করেই এশিয়ান কাপে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শুধুমাত্র আত্মবিশ্বাস, দৃঢ় প্রত্যয় আর মাঠের দুর্দান্ত লড়াই–ই অসম্ভকে সম্ভব করতে পেরেছে নারী ফুটবলাররা।

অভিষেকের প্রতিপক্ষ চীন, লড়াইটা ডেভিড বনাম গোলিয়াথেরই
চীনের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটিকে বাংলাদেশ দলের কোচ পিটার বাটলার ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ’ লড়াই বলছেন। নয়বারের চ্যাম্পিয়ন চীন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৯৫ ধাপ এগিয়ে। তবে অভিজ্ঞতার এই বিশাল ব্যবধান নিয়ে বিচলিত নন কোচ। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তার দল রক্ষণাত্মক ফুটবলে (যাকে তিনি ‘পার্কিং দ্য বাস’ বলেছেন) বিশ্বাসী নয়।
বাটলারের কথা, “এটি বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। উত্তর কোরিয়া বা উজবেকিস্তান শক্তিশালী দল হলেও, আমাদের এখন মূল মনোযোগ চীনের দিকে। আমরা আমাদের খেলার ধরন অনুযায়ী মাঠে নামব। জয়, পরাজয় বা ড্র—যেটাই আসুক, আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলব না।”

অবিচল অধিনায়ক ও দলের লক্ষ্য
বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আফিদা খন্দকার এই ম্যাচটিকে দেখছেন নিজেদের প্রমাণের সুযোগ হিসেবে। তিনি বলেন, “চীনের মতো চ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে খেলা আমাদের জন্য গর্বের। তারা শক্তিশালী হলেও আমরা লড়াই থেকে পিছপা হচ্ছি না।”
১৭ কোটি মানুষের প্রত্যাশার ভার থাকলেও দলটির খেলোয়াড়েরা তা নিয়ে কোনো বাড়তি চাপ অনুভব করছেন না। দলের অর্ধেকের বেশি খেলোয়াড়ের গড় বয়স ২০ বছর হলেও তাদের আত্মবিশ্বাস আকাশচুম্বী। মূলত উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তানের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নামার আগে চীনের বিপক্ষে একটি লড়াই করে নিজেদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়াই দলের মূল লক্ষ্য।
বাংলাদেশের মেয়েরা আজ মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়ে ইতিহাস রচনার পথে কতটা এগিয়ে যেতে পারে, পুরো দেশ অপেক্ষায় সেটিরই

মঙ্গলবার ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন। ২০২৬ এএফসি নারী এশিয়ান কাপের ২১তম আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। নিজেদের অভিষেক ম্যাচে আজ গ্রুপ ‘বি’-র লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হচ্ছে এশিয়ার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীনের। অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় এবং সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।
৪৬ বছর আগে, ১৯৮০ সালে কুয়েতে এশিয়ান কাপ ফুটবলের চূড়ান্তপর্বে খেলেছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। এরপর আর কখনোই এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত আসরে খেলার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশ ফুটবল দলের। সে হিসেবে নারী ফুটবল দলের এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়া ঐতিহাসিক এক অর্জনই। গৌরবের অধ্যায়। ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে যাত্রা শুরু করেছিল নারী ফুটবল দল। এশিয়ান কাপে যেসব প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলবে বাংলাদেশ, তাদের তুলনায় অবকাঠামোগত দিক দিয়ে যোজন ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার ব্যাপারটি আড়াল করেই এশিয়ান কাপে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শুধুমাত্র আত্মবিশ্বাস, দৃঢ় প্রত্যয় আর মাঠের দুর্দান্ত লড়াই–ই অসম্ভকে সম্ভব করতে পেরেছে নারী ফুটবলাররা।

অভিষেকের প্রতিপক্ষ চীন, লড়াইটা ডেভিড বনাম গোলিয়াথেরই
চীনের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটিকে বাংলাদেশ দলের কোচ পিটার বাটলার ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ’ লড়াই বলছেন। নয়বারের চ্যাম্পিয়ন চীন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৯৫ ধাপ এগিয়ে। তবে অভিজ্ঞতার এই বিশাল ব্যবধান নিয়ে বিচলিত নন কোচ। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তার দল রক্ষণাত্মক ফুটবলে (যাকে তিনি ‘পার্কিং দ্য বাস’ বলেছেন) বিশ্বাসী নয়।
বাটলারের কথা, “এটি বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। উত্তর কোরিয়া বা উজবেকিস্তান শক্তিশালী দল হলেও, আমাদের এখন মূল মনোযোগ চীনের দিকে। আমরা আমাদের খেলার ধরন অনুযায়ী মাঠে নামব। জয়, পরাজয় বা ড্র—যেটাই আসুক, আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলব না।”

অবিচল অধিনায়ক ও দলের লক্ষ্য
বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আফিদা খন্দকার এই ম্যাচটিকে দেখছেন নিজেদের প্রমাণের সুযোগ হিসেবে। তিনি বলেন, “চীনের মতো চ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে খেলা আমাদের জন্য গর্বের। তারা শক্তিশালী হলেও আমরা লড়াই থেকে পিছপা হচ্ছি না।”
১৭ কোটি মানুষের প্রত্যাশার ভার থাকলেও দলটির খেলোয়াড়েরা তা নিয়ে কোনো বাড়তি চাপ অনুভব করছেন না। দলের অর্ধেকের বেশি খেলোয়াড়ের গড় বয়স ২০ বছর হলেও তাদের আত্মবিশ্বাস আকাশচুম্বী। মূলত উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তানের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নামার আগে চীনের বিপক্ষে একটি লড়াই করে নিজেদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়াই দলের মূল লক্ষ্য।
বাংলাদেশের মেয়েরা আজ মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়ে ইতিহাস রচনার পথে কতটা এগিয়ে যেতে পারে, পুরো দেশ অপেক্ষায় সেটিরই